
মণিরামপুর প্রতিনিধিঃ সোস্যাল মিডিয়া ফেইসবুকে শেয়ার করা একটি পোস্ট শেয়ারের জের ধরে ভোর রাতে ২টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বসত বাড়িতে হামলার ঘঠনায় মণিরামপুরে রিয়াদ হোসেন (২৪) নামের এক যুবক মারত্বক আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। আহত যুবক যশোরের মণিরামপুর উপজেলার পারখাজুরা গ্রামের বিএনপি সমার্থিত মোঃ সিরাজুল ইসলামের ছেলে। এ ঘঠনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী গরু মাংস বিক্রেতা স্থানীয় বিএনপি নেতা ইউপি সদস্য পদপ্রার্থী মোঃ মনিরুজ্জামান মনির পক্ষে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আসাদুজ্জামান মিন্টু সহ নেতাদের ছবি যুক্ত অসংখ্য প্রচারণা ফেস্টুন বিনষ্টের অভিযোগ উঠেছে মশ্বিমনগর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি সুমন হোসেন সহ কয়েকজন যুবকের বিরুদ্ধে। স্থানীয় বিএনপি নেতা এড. আঃ গফুরের সমার্থিত ছাত্রদলে সভাপতি সুমন হোসেনের নেতৃত্বে কয়েক জন যুবক সোমবার(১৪ই সেপ্টঃ) ভোর আনুমানিক ৪টা ৫৫মিঃ এর দিকে পারখাজুরা বাজারে মনিরুজ্জামান মনির ইমন স্টোর ও চাকলা কাঁঠালতলা বাজারের মাংস বিক্রির দোকানে দেশি/বিদেশি অস্ত্র সহকারে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট চালায় বলে অভিযোগ করেন ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামান মনি। তিনি দাবী করেন, দোকানের ফ্রিজে রাখা সাড়ে পাঁচ মন মাংস ও নগদ অর্থ লুটেপাট করে নিয়ে গেছে।
এ ছাড়াও ঐ হামলা কারীরা মনিরুজ্জামানের আরেক ভাই বিএনপি নেতা সিরাজুল হসলামের বাড়িতে ভোর ৫টার দিকে হামলা করে জানালার থায় গ্লাস ভাংচুর ও তার ছেলে মোঃ রিয়াদ হোসেনের উপর আতর্কিত হামলা করে। রিয়াদের চোখের উপর মারাত্মক ক্ষত ও সমসস্ত শরীরের অসংখ্য ক্ষতচিহ্ন দেখা গেছে। আহত রিয়াদ অভিযোগ করেন,ভুলবসত রাতে ফেইসবুকে একটি পোস্টের জের ধরে রবিবার রাত ৯টার দিকে দুই পক্ষের হাতাহাতি হয়,পরবর্তীতে সিনিয়ররা থেকে বিষয়টি মিটমাট করে দিলেও কোন ধরনের ঝামেলা ছাড়ায় ভোর রাতে আর্তকিত হামলা করে তার উপর। রিয়াদের বাবা সিরাজুল ইসলাম দাবী করেন, রাতে আমি আমার ছেলে ও ভাইপো সবাই একসাথে সুমনদের সাথে বসাবসি করে বাড়িতে ফিরি। হঠাৎ করে এ হামলায় ছেলেকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য দৌড়াদৌড়ি করাতে আমরা এখনো থানা পুলিশ করতে পারিনি। তবে এ বিষয়ে স্বাক্ষাতে কথা হলে অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি তাদের সবাইকে নিয়ে কথা বলতে চেয়েছেন।
রবিবার রাতের বিষয়টি স্বীকার করে ভাংচুরের বেপারে ঘঠনাস্থল পরিদর্শন ও খতিয়ে দেখার কথা জানিয়েছেন রাজগঞ্জ পুলিশ ফাড়ি ইনচার্জ কামাল হোসেন।