মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শার্শা উপজেলা ও বেনাপোল পৌর যুবদলের উদ্যোগে অপপ্রচার ও শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে বর্ণাঢ্য প্রতিবাদ মিছিল ও পথসভা মণিরামপুরে যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল এএসআই নিয়োগে স্বচ্ছতা ও মেধার ওপর জোর, গোপালগঞ্জে পুলিশের ব্রিফিং উপশাখা ভিত্তিক ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর ফাইনাল অনুষ্ঠিত, চ্যাম্পিয়ন পাঁজিয়া উপশাখা ‎৪৯ বিজিবির অভিযানে ৭ লক্ষ টাকার গাঁজা ও অবৈধ মালামালসহ আটক-২ পাওনা টাকা চাওয়ায় ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে জখম, হাসপাতালে ভর্তি বেনাপোল ইমিগ্রেশনে ল্যাগেজ বাণিজ্যে: নেপথ্যে কামাল-সাদ্দাম সিন্ডিকেট যশোরে যুবককে মারধর ও বিদ্যুৎস্পৃষ্টের ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মিছিল থেকে দুইজন আটক ভামিয়া বনবিবিতলা গ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে শ্যামনগরে মানববন্ধন

সাংবাদিক নির্যাতনে সর্বোচ্চ ৫ বছরের জেল

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ আগস্ট, ২০২৫
  • ৫৫৮ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক: পেশাগত দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, হুমকি ও হয়রানি শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করার বিধান রেখে ‘সাংবাদিকতার অধিকার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়া চূড়ান্ত করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। এ অধ্যাদেশে দোষী ব্যক্তিকে মাত্রা ভেদে এক থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড অথবা ন্যূনতম এক লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে।

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সাংবাদিকরা প্রায়ই সহিংসতা, হুমকি ও হয়রানির শিকার হন—এ বিষয়টি বিবেচনা করে গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন এই আইন প্রণয়নের প্রস্তাব দেয়। প্রস্তাবটি আমলে নিয়ে মন্ত্রণালয় খসড়া চূড়ান্ত করেছে এবং ইতোমধ্যে তা সব মন্ত্রণালয়-বিভাগ ও অংশীজনদের কাছে মতামতের জন্য পাঠানো হয়েছে।

অধ্যাদেশে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩২, ৩৯ ও ৪০ অনুযায়ী সাংবাদিকদের জীবন, ব্যক্তি স্বাধীনতা, বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতা এবং পেশাগত স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এতে সহিংসতা, হুমকি ও হয়রানি থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং পেশাগত নিরপেক্ষতা বজায় রাখার জন্য সরকার ও উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট তথ্য সংগ্রহ বা প্রচারের কারণে সাংবাদিককে কোনো ব্যক্তি, সরকারি সংস্থা বা আইন প্রয়োগকারী বাহিনী ভয়ভীতি, হুমকি বা হয়রানি করতে পারবে না। সাংবাদিককে তার তথ্যসূত্র প্রকাশে জোর করা যাবে না এবং তার ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করা হবে।

অধ্যাদেশে আরও বলা হয়, সাংবাদিকদের নিজ প্রতিষ্ঠানে স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করতে মালিক ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব থাকবে। সরল বিশ্বাসে প্রতিবেদন প্রকাশ করলে ভিন্ন উদ্দেশ্য প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে না। সহিংসতার শিকার হলে সাংবাদিক সরাসরি আদালতে অভিযোগ দিতে পারবেন, যা তদন্ত করে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

খসড়ায় অপরাধের সংজ্ঞায় শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন, অপমান, সার্বক্ষণিক নজরদারি, যৌন হয়রানি, অবৈধ আটক, গুম, অপহরণসহ সকল ধরনের ভয়ভীতি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে অর্থদণ্ড ক্ষতিপূরণ হিসেবে সাংবাদিককে প্রদান করা হবে। তবে মিথ্যা অভিযোগ প্রমাণিত হলে সাংবাদিক নিজেও অনধিক এক বছর কারাদণ্ড বা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। যদি অপরাধ কোনো কোম্পানির বিরুদ্ধে হয়, তবে বিনিয়োগকারী, পরিচালক বা ব্যবস্থাপক ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন,যদি না প্রমাণ করতে পারেন যে ঘটনাটি তার অজ্ঞাতসারে ঘটেছে বা প্রতিরোধের চেষ্টা করেছিলেন।

 

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews