বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাফল্যের ধারাবাহিকতায় উজ্জ্বল ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজ যশোর মণিরামপুর ফাজিল মাদ্রাসার নতুন ভবনে অসংখ্য ফাটল,ঝুকিপূর্ণ ঘোষণা! নিখোঁজের তিন দিন পর কপোতাক্ষ নদে মিলল ভ্যানচালক একলাসের মরদেহ যশোরে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২৬ অনুষ্ঠিত বিপিএম-সেবা পদক পাওয়ায় গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপারকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ওসির খুলনা মহানগরীর ডেঙ্গু সংক্রমণের দিক থেকে সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ এলাকা– কেসিসি প্রশাসক মঞ্জু কেশবপুরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মাসিক সভা অনুষ্ঠিত প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বিজিবি কোটচাঁদপুরে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকার সড়ক সংস্কারে পুকুরচুরি: এলজিইডি কর্মকর্তাদের রহস্যজনক নীরাবতা।

‎শিশু ধর্ষণ চেষ্টাঃ ‎মণিরামপুরে অভিযুক্ত ছেলেকে পুলিশে দিতে সহযোগিতা করলেন বাবা !

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ১১০ বার পড়া হয়েছে

‎নিজস্ব প্রতিবেদকঃ যশোরের মণিরামপুরে শিশু ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠায় অভিযুক্ত নিজের ছেলেকে থানা পুলিশের হেফাজতে দিতে সহযোগিতা করে আইনের প্রতি সম্মান দেখিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন এক বাবা। ঘঠনাটি ঘটেছে উপজেলার শ্যামকুড় গ্রামের উত্তর পাড়া এলাকায়। স্থানীয় তথ্য সূত্র আছে,৬ বছরের এক শিশু কন্যাকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে শান্ত ইসলাম (১৯) নামে ঐ যুবককে পুলিশে সোপর্দ করতে স্থানীয় জনতাকে সহযোগিতা করেন শান্ত ইসলামের বাবা রফিকুল ইসলাম।
‎জানা যায়, রবিবার (২ আগষ্ঠ) বিকেল আনুমানিক ৫ টার ৩০মিঃ দিকে অভিযুক্ত শান্ত ইসলাম প্রতিবেশি ৬ বছরের শিশু তানহা খাতুনকে ফুসলিয়ে শ্যামকুড় উত্তর পাড়া যমযমিয়া দাখিল মাদ্রাসার পাশে স্যালো মেশিন ঘরে নিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। শিশুর মেয়েটির চেচামেচিতে এলাকাবাসী টের পেলে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে শান্ত ইসলাম গা ঢাকা দেয়। তবে এ ঘটনাটি জানতে পেরে অভিযুক্তের পিতা রফিকুল ইসলাম নিজেই ছেলেকে ধরে নিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিতে সহায়তা করেন বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।
‎এ ঘঠনায় সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহে গেলে কয়েকজন ব্যাক্তি এটাকে এড়িয়ে গেলেও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী যুবক দাবী করলেন যে, শিশু ধর্ষণের ঘঠনার আড়ালে অন্য কিছু আছে ভাই। মেয়েটাকে শান্ত একপাশে নিয়ে যাওয়ার পরপরই আমি সহ স্থানীয় কয়েকজন যেয়ে দেখি মেয়েটির হাত ধরে টানাটানি করছে শান্ত। তথ্য আছে, সে সময় মেয়েকে তার বাড়িতে পাঠানো হয়। পরে শান্ত চলে গেলে তার বাবা রফিকুল ইসলাম শান্তকে খুজে সামনে নিয়ে আসলে পুলিশের কাছে তুলে দেই এলাকাবাসী। গোপন তথ্য আছে, ঘঠনার পরে ভিকটিমের বাড়িতে স্থানীয় কয়েকজন যাওয়ার পর হতে এ বিষয়টি নিয়ে শান্ত ইসলামের বাবাকে জড়িয়ে ভিন্ন খাতে নেওয়ার পায়তারা করছে।
‎এ বিষয়ে কথা হলে অভিযুক্তকে হেফাজতে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে ভিকটিমের ডাক্তারি পরিক্ষা সম্পন্ন না হলে কিছুই বলা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে সহকারি পুলিশ সুপার মণিরামপুর -কেশবপুর সার্কেল ইমদাদুল হক।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews