রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আগামী মাসের মধ্যে ‘প্রবাসী কার্ডের’ পরীক্ষামূলক প্রকল্পের কাজ চালু করবে সরকার ‎সরকারি ডিউটি ফাঁকি, বেসরকারি ক্লিনিকে ব্যস্ত চিকিৎসক! মণিরামপুর হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা মুখ থুবড়ে লাখ টাকার ড্রেন আচ্ছা বাপু এ তো সরকারি কাজ তাইনা,তালি আবার হয়না কেন! মণিরামপুরে এক শিক্ষকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তাদের নামে ভুয়া হোয়াটসঅ্যাপ খুলে প্রতারণা, ভাঙ্গা থেকে র‍্যাবের জালে আতিয়ার দর্জি আটক গলাচিপায় চলাচলের পথ নিয়ে বিরোধ, আদালতে মামলা ভাঙ্গায় স্কুলছাত্রীকে উত্ত্যক্তের অভিযোগে এক যুবক গ্রেপ্তার, আদালতে প্রেরণ শ্যালকের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগে ভগ্নিপতির সংবাদ সম্মেলন, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা একটি মুহূর্তেই নিভে গেল একই পরিবারের চারটি প্রাণ কেশবপুরে (অসকস)-এর মাসিক সভা ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

লাখ টাকার ড্রেন আচ্ছা বাপু এ তো সরকারি কাজ তাইনা,তালি আবার হয়না কেন!

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
  • ২১ বার পড়া হয়েছে

‎এস এম তাজাম্মুল,নিজেস্ব প্রতিবেদক: যশোরের মণিরামপুরে জনগনের ভোগান্তি লাঘবে বাস্তবায়ন করা প্রকল্প এখন জন ভোগান্তিতে পরিনত হয়েছে। প্রায় শতাধিক পরিবারের অভিযোগ জায়গা ভেদে তাদের বসবাসকারী এলাকার জমি আশপাশের সমস্ত এলাকার হতে নিচু হওয়ায় বৃষ্টির পানি তাদের বসতবাড়িতে আটকে যায়। বৃষ্টি হওয়ার মাস অতিবাহিত হলেও সে পানি বের না হয়ে তাদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। তথ্য মোতাবেক, পানি জমে জলাবদ্ধতার নিরসনে একটি ড্রেনের প্রকল্প বাস্তবায়ন হলেও স্বল্প বরাদ্দ ও কয়েকটি প্রতিবন্ধকতার কারনে সেটার মুখ থুবড়ে পড়েছে।
‎উল্লেখিত ভুক্তভোগী প্রায় শতাধিক পরিবারের এ দূরাবস্থা যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ২নং কাশিমনগর ইউনিয়নের কাশিমনগর ওয়ার্ডে নিম্নমধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষদের।
‎চলতি তথ্য মতে, প্রায় বছর খানেক আগে পানি নিষ্কাশনের জন্য কাশিমনগর মৌজায় শতাধিক পরিবারের জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থানীয় ইউনিয়ন বরাদ্দের আওতায় মাঠ বরাবর একটি ড্রেন নির্মান শুরু হয়ে ৪৫-৫০মিঃ শেষেই পড়ে থাকা কাজ শেষ করে কর্তৃপক্ষ। অবশ্য,স্থানীয়রা জানান ঐ ড্রেনের শেষে রিয়াদ নামে কোন এক ব্যাক্তি সরকারি জায়গাতে পুকুর খনন ও পানি নিষ্কাশনের জন্য ইউড্রেনটির একক ব্যবহার করে আসছেন দীর্ঘদিন।
‎তবে যে ৫০ মিঃ ড্রেন করা হয়েছে লাখ টাকায় সেখানেও আছে বলে অনিয়ম জানান স্থানীয়া।
‎কালভাটের মুখ উল্লেখিত রিয়াদ পরের জায়গায় পুকুর খনন করে ঐ পুকুরের পানি একক ভাবে ঐ ইউড্রেন দিয়ে পার করান। সরেজমিনে গেলে দেখা যায়,কাশিমনগর গ্রামের প্রায় একশ বসতভিটায় এখনো পানি ও কাঁদা, আছে পানি স্থায়ীভাবে থাকা দেওয়ালে পানির ছাপ। অভিযোগ উঠেছে, জলাবদ্ধতার কারনে কোমলমতি শিশু,শিক্ষার্থী সহ সাধারণ যাতায়তে বিড়ম্বনা, এমনকি পানি বন্দি হয়ে পড়াতে গৃহপালিত পশু-পাখির কষ্ট তার সাথে রান্না-বান্নার কোন পথ খুজে পাননা গৃহিনীরা।
‎হঠাৎ গৃহবন্দী হয়ে জীবন জীবিকার টানাপোড়েনে মাঝে মধ্য অভুক্ত থাকতে হয় বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে স্থানীয় মানুষেরা। আবার হঠাৎ কেউ অসুস্থ্য হয়ে পড়লে যানবাহনের সুবিধা পেতে রোগীকে ঘাড়ে নিয়ে যেতে হয় প্রায় ১কিঃ মিঃ পথ। নিয়মিত পাঠদানে ব্যাঘাত ঘটায় আশানুরূপ সাফল্য অর্জন হতে বঞ্চিত হতে হয় মানুষের সৃষ্ট জলাবদ্ধতার স্বীকার হওয়া ভুক্তভোগীদের।
‎সবচেয়ে দুঃখজনক সংগ্রীহিত তথ্য এই যে, মাঠ হতে বাড়িতে ফেরার সময় ৮০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ বিভিন্ন সমস্যার কথা জানান। এক পর্যায়ে চলতি এ প্রতিবেদক’কে প্রশ্ন করলেন- আচ্ছা বাপু এটা সরকারি কাজ না! সরকারি হলে তা হয়না কেন!
‎ভুক্তভোগীদের অভিযোগ সহকারে মুঠোফোনে কথা হলে ২নং কাশিমনগর ইউনিয়নের প্রশাসক উপজেলা মৎস কর্মকর্তা মোঃ সেলিম রেজা জানান, ঐ খানে একটি ইউড্রেনের প্রস্তবনা ছিলো। ডে্রেনটির জন্য ১লক্ষ টাকাও বরাদ্দ দেওয়া,সেখানে যে টুকু হয়েছে তার সাথে আরেকটি প্রকল্প সংযুক্ত করে বাকি কাজটা শেষ করা হবে। তবে তার জন্য সময় লাগবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews