শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কেশবপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত ফরিদপুরের ভাঙ্গায় প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ভাঙ্গায় আলোচনা সভা, ঐক্য ও গণতন্ত্র রক্ষার আহ্বান মণিরামপুরে অপসাংবাদিকতার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও লিফলেট বিতরণ যশোরস্থ সাতক্ষীরা কল্যাণ সমিতির নির্বাহী সদস্য মোজাফফার হোসেনকে বিদায় সংবর্ধনা যবিপ্রবিতে নানা আয়োজনে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপিত শ্যামনগরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত যশোর হামিদপুর আল-হেরা কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত ছয় বছরের পথচলায় মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত রাতদিন নিউজ, বর্ণাঢ্য আয়োজনে অর্ধযুগ পূর্তি উৎসব জনগণকে মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে হবে, অতিরিক্ত টাকা নেওয়া যাবে না: প্রতিমন্ত্রী অমিত

ঝিনাইদহে তরুণী হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার, আদালতে দায় স্বীকার

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
  • ১৮৯ বার পড়া হয়েছে

মোঃ ফজলুল কবির গামা;বিশেষ প্রতিনিধি :ঝিনাইদহ সদর থানা এলাকায় আফিয়া আক্তার খুশি (২১) নামের এক তরুণীকে হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার প্রধান আসামি মোঃ সাঈদ মেহেদীকে (৩০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঝিনাইদহ সদর থানা ও জেলা ডিবির সাইবার ক্রাইম ইউনিটের একটি যৌথ দল দীর্ঘ অভিযানের পর গত ১৭ জুলাই ২০২৬ তারিখ রাত ০১:০০ ঘটিকায় সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা থানাধীন খালিসাখালী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারের পরদিন, অর্থাৎ ১৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে আসামি সাঈদ মেহেদী বিজ্ঞ আদালতে ফৌযদারী কার্যবিধি ১৬৪ ধারা মোতাবেক খুশিকে হত্যার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করেছে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ১৩ মে ২০২৬ তারিখে ঝিনাইদহ সদর থানার পাগলাকানাই মোড় সংলগ্ন শাহাদাতিয়া সড়কে জনৈক বেবির বাড়ির একটি ভাড়া কক্ষ থেকে সকাল ০৯:০০ ঘটিকায় আফিয়া আক্তার খুশির লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত খুশি সাতক্ষীরার আশাশুনি থানার আদালতপুর গ্রামের সহিদুল ইসলামের মেয়ে। তিনি ওই বাসাটি ভাড়া নিয়ে সেখানে বসবাস করতেন। এই ঘটনার পরদিন, অর্থাৎ ১৪ মে ২০২৬ তারিখে নিহতের পিতা সহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে ঝিনাইদহ সদর থানায় ৩০২/৩৪ ধারায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন, যার নম্বর ২৪। মামলায় সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা থানার ঢেপুখালী গ্রামের মোঃ মোশলেম হাজীর ছেলে মোঃ সাঈদ মেহেদীকে আসামি করা হয়।

মামলা দায়েরের পর থেকেই আসামিকে আইনের আওতায় আনতে সক্রিয় ভূমিকা নেয় পুলিশ প্রশাসন। সদর থানার সাব ইন্সপেক্টর রোকনুজ্জামানের নেতৃত্বে এবং সাইবার ক্রাইম ইউনিটের যৌথ সহায়তায় দেশের বিভিন্ন স্থানে একাধিক অভিযান চালানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় দীর্ঘ যৌথ অভিযানের পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামির অবস্থান সনাক্ত করে তাকে সাতক্ষীরা থেকে গ্রেফতার করা হয়। আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটিত হয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews