বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যশোরে চুরি! অজ্ঞান করে ৮০ হাজার টাকা ও ২৮ ভরি স্বর্ণালংকার লুট, বৃদ্ধা হাসপাতালে চোরের আবার বড় গলাঃ ‎আ’লীগ নেতার নির্বাচনে ১০ লাখ খরচ করা সমীর এখনো বেপরোয়া! মাদ্রাসার ছাত্রীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করতে আল মামুন ফাউন্ডেশনের সেলাই মেশিন উপহার ইসলামী আন্দোলন যশোর জেলা শাখার নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা ও শপথ গ্রহন অনুষ্ঠিত ৫১ লাখের খাল খনন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, ৩০০ গাছের বদলে মিলল ৯৫টি পটুয়াখালীতে ১২ মামলার আসামি পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী ইয়াবাসহ গ্রেফতার চৌগাছা থানা মডেল হাসপাতাল স্বাস্থ্যকর্মীর বদলীতে চিকিৎসক,কর্মকর্তা-কর্মচারী-নার্সদের নড়া চড়া শুরু যশোরে সাংবাদিক সন্তানদের কৃতিত্ব কেশবপুরের ঐতিহ্য কালোমুখ হনুমান আজ অস্তিত্ব সংকটে, টিকে থাকতে প্রয়োজন নিরাপদ আবাস ও খাদ্য ডেঙ্গু হলে পর্যাপ্ত তরল খাবার ও বিশ্রামের পরামর্শ চিকিৎসকদের

যশোরে চুরি! অজ্ঞান করে ৮০ হাজার টাকা ও ২৮ ভরি স্বর্ণালংকার লুট, বৃদ্ধা হাসপাতালে

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬
  • ২১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক যশোর:যশোর কোতোয়ালী মডেল থানার ধোপাখোলা গ্রামে এক বাসায় ঢুকে বৃদ্ধাকে অজ্ঞান করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে গেছে অজ্ঞাত চোরের দল। এ ঘটনায় আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি পরিবারটিতে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

কোতোয়ালী মডেল থানায় দায়ের করা একটি সাধারণ ডায়েরি সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ আগস্ট ২০২৬ তারিখ দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটের দিকে ধোপাখোলা গ্রামের ২ তলা বিশিষ্ট একটি ফ্ল্যাটে এ চুরির ঘটনা ঘটে। ফ্ল্যাটের নিচতলায় বসবাস করেন মোঃ আব্দুল কাদেরের মা হামিদা বেগম (৬৫) ও ছোট ভাই মোস্তাফিজুর রহমান। ওপরতলায় থাকেন আব্দুল কাদের নিজে।

অভিযোগে আব্দুল কাদের জানান, ঘটনার সময় তিনি ও তার ভাই ঢাকায় ছিলেন। চোরেরা প্রথমে ফ্ল্যাটের নিচতলা ও পরে ওপরতলায় প্রবেশ করে বিভিন্ন স্থান তল্লাশি করে। এ সময় তারা নগদ আনুমানিক ৮০,০০০ টাকা এবং ২৮ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে যায়।

পরদিন ১১ আগস্ট সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে বাসার কাজের মেয়ে এসে দরজা খুলতে গেলে হামিদা বেগম দরজা খুলে দেন। দরজা খোলার পরপরই তিনি অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। বিষয়টি দেখে কাজের মেয়ে পরিবারের অন্য সদস্যদের জানায়। পরে এসে পরিবারের লোকজন বাসার বিভিন্ন স্থানে মালামাল এলোমেলো অবস্থায় দেখতে পান।

চিকিৎসকের বরাতে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, চোরেরা কোনো বিষাক্ত বা অজ্ঞাত পদার্থ ব্যবহার করে হামিদা বেগমকে অজ্ঞান করে থাকতে পারে। বর্তমানে তিনি অসুস্থ ও দুর্বল অবস্থায় যশোর সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

ঘটনায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চরম নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে বলে জিডিতে উল্লেখ করেন আব্দুল কাদের। তিনি চোরদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও লুট হওয়া মালামাল উদ্ধারের জন্য থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews