বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যশোরে হোটেল ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানের অর্থ ও সম্পদ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা যশোর জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন পদমর্যাদার ৫৮ জন পুলিশ ও নন-পুলিশ সদস্যকে পুরস্কৃত শ্যামনগরে গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক নির্ধারণে কর্মশালা ভাঙ্গায় গাছের চারা বিতরণ করল সাজেদা ফাউন্ডেশন সাফল্যের ধারাবাহিকতায় উজ্জ্বল ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজ যশোর মণিরামপুর ফাজিল মাদ্রাসার নতুন ভবনে অসংখ্য ফাটল,ঝুকিপূর্ণ ঘোষণা! নিখোঁজের তিন দিন পর কপোতাক্ষ নদে মিলল ভ্যানচালক একলাসের মরদেহ যশোরে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২৬ অনুষ্ঠিত বিপিএম-সেবা পদক পাওয়ায় গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপারকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ওসির খুলনা মহানগরীর ডেঙ্গু সংক্রমণের দিক থেকে সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ এলাকা– কেসিসি প্রশাসক মঞ্জু

যশোরে হোটেল ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানের অর্থ ও সম্পদ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিবেদক : যশোরে ‘টনি খান হোটেল ম্যানেজমেন্ট এন্ড স্কিল ডেভলপমেন্ট ইন্সটিটিউট’-এর অর্থ, প্রতিষ্ঠানের সম্পদ ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র আত্মসাতের অভিযোগে দুইজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে অন্য নামে কার্যক্রম পরিচালনা এবং পাওনা টাকা ও মুনাফার অংশ ফেরত না দেওয়ার অভিযোগও আনা হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) যশোর শহরের নিউ বেজপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তা লাকী নুরজাহান বাদী হয়ে যশোরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন। আদালতের বিচারক সঞ্জয় পাল অভিযোগটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনজীবী তাহমীদ আকাশ।
মামলার আসামিরা হলেন যশোর শহরের ধর্মতলা-কারবালা রোড এলাকার বাসিন্দা ও প্রিজমের কর্মকর্তা মুসলিমা খাতুন বিউটি এবং তার স্বামী বশির আহমেদ চন্দন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২১ সালের ১৩ মার্চ লাকী নুরজাহানসহ মোট আটজন অংশীদার মিলে ‘টনি খান হোটেল ম্যানেজমেন্ট এন্ড স্কিল ডেভলপমেন্ট ইন্সটিটিউট’ প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার সময় আসামিদের কথায় বাদীসহ চারজন অংশীদার মিলে মোট ২৪ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন। এর মধ্যে লাকী নুরজাহান নিজে পাঁচ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটি কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের নিবন্ধন লাভ করে এবং বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কাজ পাওয়ার মাধ্যমে কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়। এ অবস্থায় প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ও অন্যান্য কার্যক্রম নিয়ে অংশীদারদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাদীর অভিযোগ, একপর্যায়ে অন্য অংশীদারদের অবহিত না করে আসামিরা প্রতিষ্ঠানের অর্থ, আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন সম্পদ এবং গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেন। পরে প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে ‘প্রিজম হোটেল ম্যানেজমেন্ট এন্ড স্কিল ডেভলপমেন্ট ইন্সটিটিউট’ নামে কার্যক্রম শুরু করেন। এতে প্রতিষ্ঠানের অংশীদারদের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ছাড়া বাদী তার বিনিয়োগের টাকা, প্রতিষ্ঠানের পাওনা এবং মুনাফার অংশ ফেরত চাইলে আসামিরা তা দিতে অস্বীকৃতি জানান বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ নিয়ে একাধিকবার তাদের সঙ্গে যোগাযোগ ও বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেও কোনো সমাধান হয়নি বলে মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলায় আরও বলা হয়, গত ১ সেপ্টেম্বর যশোর শহরের ধর্মতলা মোড়ে লাকী নুরজাহান আসামিদের কাছে তার পাওনা টাকা এবং প্রতিষ্ঠানের সম্পদ ও নথিপত্র ফেরত চান। এ সময় আসামিরা তাকে টাকা বা সম্পদ ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান। একপর্যায়ে সন্ত্রাসী দিয়ে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেছেন বাদী।
পরবর্তীতে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি। এ অবস্থায় নিজের বিনিয়োগের অর্থ, প্রতিষ্ঠানের সম্পদ ও নথিপত্র উদ্ধারের পাশাপাশি ঘটনার আইনগত প্রতিকার চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন লাকী নুরজাহান।
আদালত অভিযোগটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য কোতোয়ালি থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মামলাটির পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম নির্ধারণ করা হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews