বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শার্শা উপজেলা ও বেনাপোল পৌর যুবদলের উদ্যোগে অপপ্রচার ও শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে বর্ণাঢ্য প্রতিবাদ মিছিল ও পথসভা মণিরামপুরে যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল এএসআই নিয়োগে স্বচ্ছতা ও মেধার ওপর জোর, গোপালগঞ্জে পুলিশের ব্রিফিং উপশাখা ভিত্তিক ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর ফাইনাল অনুষ্ঠিত, চ্যাম্পিয়ন পাঁজিয়া উপশাখা ‎৪৯ বিজিবির অভিযানে ৭ লক্ষ টাকার গাঁজা ও অবৈধ মালামালসহ আটক-২ পাওনা টাকা চাওয়ায় ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে জখম, হাসপাতালে ভর্তি বেনাপোল ইমিগ্রেশনে ল্যাগেজ বাণিজ্যে: নেপথ্যে কামাল-সাদ্দাম সিন্ডিকেট যশোরে যুবককে মারধর ও বিদ্যুৎস্পৃষ্টের ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মিছিল থেকে দুইজন আটক ভামিয়া বনবিবিতলা গ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে শ্যামনগরে মানববন্ধন

ভেড়ামারায় বিএনপির সার্চ কমিটির মিটিং এ গুলিবর্ষনের ঘটনায় গুলিবিদ্ধ পরিবারের সাংবাদিক সম্মেলন

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ জুন, ২০২৫
  • ৫৯৬ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়া জেলা: কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় বিএনপির এক নেতার আধিপত্য বিস্তারের লড়াই কে কেন্দ্র করে হামলা, ভাংচুর, লুটপাট এবং গুলিবর্ষনের ঘটনায় গুলিবিদ্ধ পরিবারবর্গ ও ধরমপুর ইউনিয়নবাসী সাংবাদিক সম্মেলন করেছে। গতকাল বিকাল ৬টায় বিএনপি নেতা রবিউল ইসলাম সরকারের সাতবাড়িয়াস্থ অফিসে এই সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে ধরমপুর ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃবৃন্দ, গুলিবিদ্ধ পরিবার এবং এলাকাবাসী অংশনেয়। সাংবাদিক সম্মেলনে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেফতার করে ধরমপুর ইউনিয়নে শান্তি প্রতিষ্টার দাবী জানানো হয়।

সাংবাদিক সম্মেলনে ধরমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি রবিউল ইসলাম সরকার অভিযোগ করে বলেন, গনতান্ত্রিক উপায়ে ধরমপুর ইউনিয়ন বিএনপির একটি শক্তিশালী কমিটি গঠনের লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি। ফ্যাসিষ্টের আমলে নানা দমন নিপীড়ন সহ্য করে আমি ইউনিয়ন বিএনপির হাল ধরেছিলাম। ইউনিয়নের জনগন ও বিএনপির নেতাকর্মীরা আমার সাথে আছে। ৫ অগাষ্টের পর বিএনপির এক নেতা সভাপতি হওয়ার জন্য খুবই বেপোরোয়া, উচ্ছিংখল। সেও এখন সার্চ কমিটির সদস্য। ১৭ জুন বিকালে সার্চ কমিটির মিটিং ছিল। মিটিং এ সে বুঝতে পেরেছে তাকে নেতাকর্মীরা প্রত্যাখ্যান করেছে। মিটিং শেষে তার নেতৃত্বেই একটি সশস্ত্র দল অস্ত্র’র প্রদর্শনী দেখিয়ে গুলিবর্ষন করে। নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালায় তার ক্যাডার বাহিনী। ৮/১০ রাউন্ড গুলি করে ২ কর্র্মীকে গুলিবিদ্ধ করে। দোকান ভাংচুর করে। গুলির খোসা এবং তাজা গুলি ঘটনাস্থলে পড়ে থাকতে দেখেছে স্থানীয় প্রশাসন ও সেনাবাহিনী। তিনি এঘটনার সুষ্টু তদন্ত সাপেক্ষে দোষী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারপূর্বক শাস্তি দাবী করেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে গুলিবিদ্ধ যুবদল নেতা হামিদুল এবং আরিফ হামলার ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেন। এসময় তারা জানান, বিএনপির সার্চ কমিটির বৈঠক শেষে ফেরার সময় গুলিবর্ষন এবং হামলার ঘটনা ঘটায় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি পদ প্রত্যাশী আলহাজ¦ শামসুল আলম এবং বাহিনী। সাংবাদিক সম্মেলনে ধরমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিঠু গুলিবর্ষনকারীদের পরিচয় তুলে ধরতে গিয়ে বলেন, হামলাকারী শামসুল এবং তার ছেলেরা ফ্যাসিষ্টের দোষর। তারা আওয়ামীলীগের সাথে আঁতাত করে ১০ বছর আগে ধরমপুর বাজারে আমাকে লক্ষ্য করে গুলি করেছিল। কিন্তু আল্লাহর রহমতে গুলি লক্ষ্য ভ্রষ্ট হয়। আমি প্রানে বেঁচে যায়। কিন্তু হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার দাবী করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের আন্তরিকপূর্ন সহযোগিতা চান। তিনি বলেন, দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী দেশের কল্যানে কাজ করছে। ধরমপুর ইউনিয়নবাসীর শান্তির জন্য এই সন্ত্রাসীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবী জানান।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews