সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভাঙ্গায় কারাবন্দী লিটু প্যারোলে মুক্ত হয়ে দেখলেন বাবার মুখ, জানাজায় আবেগঘন পরিবেশ গোপালগঞ্জে পুলিশের গাড়িতে হামলা, ১০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৭ যশোর সীমান্তে বিদেশি মদসহ ৪ লাখ টাকার চোরাচালানী মালামাল আটক যশোরে নিজ জমির বেড়া খুলতে গিয়ে হেনস্তার শিকার ব্যবসায়ী দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান: ন্যানো ইউরিয়ার পেটেন্ট পেলেন যবিপ্রবির অধ্যাপক ড. মোঃ জাভেদ হোসেন খান গোপালগঞ্জ শহরে ভাড়া বাসা থেকে নারীর গলিত মরদেহ উদ্ধার ৩১ অক্টোবর লংমার্চ সফল করতে যশোরে এনসিপির লিফলেট বিতরণ যশোরে অনুমতি ছাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছের ডাল কেটে জ্বালানি বিক্রির অভিযোগ যশোর বার্তার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা যশোর সীমান্তে ৪ লাখ টাকার চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বিজিবি

কেশবপুরে কর কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণা, হাতেনাতে ধরা পড়ে যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬
  • ১৮৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক ;ইমরান হোসেন:যশোরের কেশবপুরে নিজেকে মনিরামপুর কর (আয়কর) অফিসের অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন বিকাশ ও ফ্লেক্সিলোড এজেন্টের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা আদায়ের সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছেন উৎপল কুমার রায় (৩৭) নামে এক যুবক। পরে তাকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেকসোনা খাতুন।

দণ্ডপ্রাপ্ত উৎপল কুমার রায় যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার এসিল্যান্ড অফিসসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা। তার পিতার নাম রবীন্দ্রনাথ রায়।

জানা যায়, উৎপল কুমার রায় নিজেকে মনিরামপুর কর অফিসের অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার পরিচয় দিয়ে কেশবপুর উপজেলার বিভিন্ন বাজারে বিকাশ ও ফ্লেক্সিলোড ব্যবসায়ীদের দোকানে গিয়ে বলতেন, “কর অফিস থেকে এসেছি। আমি মনিরামপুর কর অফিসের অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার। আয়কর রিটার্ন ও ট্যাক্স সার্টিফিকেট দেখান।” এরপর বিভিন্ন কাগজপত্র যাচাইয়ের কথা বলে ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ৫০০ টাকা, ১ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করতেন বলে জানা গেছে।

সাগরদাঁড়ি বাজারের বিকাশ ও ফ্লেক্সিলোড ব্যবসায়ী মো. শরিফুল ইসলাম পলাশসহ আরও কয়েকজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে একই কৌশলে প্রতারণার চেষ্টা করার সময় তারা তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

পুলিশ তাকে কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে নিয়ে গেলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেকসোনা খাতুন। শুনানি শেষে অভিযুক্ত উৎপল কুমার রায়কে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

এ ঘটনায় ব্যবসায়ী মহলে স্বস্তি ফিরে এসেছে। একই সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণার বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews