সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কবি সোহেলের জন্মবার্ষিকীতে প্রবন্ধ গ্রন্থের আলোচনা শ্যামনগরে ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বিজিবি সেবা না প্রহসনঃ মণিরামপুর হাসপাতালে ইচ্ছে মতো বসেন ডাঃ,বোঝেন না উপসর্গ,নেবুলাইজার নাই ১মাস! পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতা’র বার্তা: যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’ ভূমি ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের জরুরী হস্তক্ষেপ কামন। শ্যামনগরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, কর্তৃপক্ষ নীরব ডুমুরিয়ায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতির মিষ্টির দোকান দেখিয়ে সারের ডিলারশিপ দেওয়া হয়েছে নড়াইল সদর থানা পুলিশের অভিযানে প্রাইভেটকার ও ৫০ বোতল এস্কাফসহ গ্রেপ্তার খোলাডাঙ্গায় চারজনকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় প্রধান আসামি আটক ৭৫ লাখ টাকা কাবিনে বিয়ে না করায় ছেলেকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসালেন মেয়ের বাবা

৭৫ লাখ টাকা কাবিনে বিয়ে না করায় ছেলেকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসালেন মেয়ের বাবা

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৫২ বার পড়া হয়েছে

৭৫ লাখ টাকা কাবিনে বিয়ে না করায় ছেলেকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসালেন মেয়ের বাবা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ৭৫ লাখ টাকা কাবিননামায় বিয়ে না করায় ছেলেকে ৬টি মিথ্যা মামলায় ফাঁসালেন মেয়ের বাবা। শুধু মামলা দিয়েই থেমে থাকেনি তার উপর উপযুক্ত পরি হামলার ঘটনাও ঘটিয়েছেন।

রোববার দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলন করে এমনই দাবী করেছেন ভুক্তভোগী ছেলে তামিম আবু উমামা।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি উল্লেখ করেন, আমি তামিম আবু উমামা, যশোর পূর্বাবারন্দী মোল্লাপাড়া, ঢাকা রোডের স্থায়ী বাসিন্দা। আমি ও আমার পরিবার বর্তমানে একটি গভীর ষড়যন্ত্র, কুৎসিত মিথ্যাচার এবং ক্রমাগত জীবনের হুমকির এক চরম মামলাবাজ, ষড়যন্ত্রকারী ও অর্থলোভী চক্রের নির্মম অপচেষ্টার শিকার হয়েছি। যশোর শহরের পূর্ব বারান্দীপাড়া কদমতলা এলাকার সাবেক এমপি কাজী নাবিল আহমেদের সহচর আনোয়ার হোসেন ও তার সহযোগীদের একের পর এক মিথ্যা মামলা, অপপ্রচার ও বাড়িতে হামলা করে শারীরিক আক্রমণ ও আমাদের পারিবারিক জীবনকে সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত করে তুলেছে।

আনোয়ার হোসেন (৪৭) ও তার মেয়ে ফারজানা খাতুন এঁশী (২০) এবং ভাই দেলোয়ার হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩ থেকে ৪ জন সন্ত্রাসী গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর, ২০২৬) দুপুর ১টা ৫ মিনিটে আমি যখন অফিসে যাচ্ছিলাম, তখন নীলগঞ্জ ভিসা ‘অফিসের সামনে আনোয়ার হোসেনের লেলিয়ে দেওয়া সন্ত্রাসীরা আমার DMT 24- 9598’ নম্বর গাড়িটির গতিরোধ করে। তারা আমার ওপর সরাসরি চড়াও হয় এবং শারীরিকভাবে লাঞ্জিত করে। তাদের এই কাপুরুষোচিত আক্রমণের সম্পূর্ণ ভিডিও ফুটেজ আমার ফোন এবং গাড়ির ড্যাশ ক্যামেরায় রেকর্ড করা আছে।

তিনি উল্লেখ করেন,এই শক্রতার মূল সূত্রপাত প্রায় আড়াই বছর আগে। আনোয়ার হোসেনের মেয়ে এঁশীর সঙ্গে পারিবারিকভাবে আমার বিয়ের আলোচনা ও সম্বন্ধ ঠিক হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে আনোয়ার হোসেন সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও আকাশচুম্বী ৭৫ লক্ষ টাকা কাবিন দাবি করেন। একই সাথে আমরা নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানতে পারি যে, মেয়েটির চরিত্রগত গুরুতর সমস্যা রয়েছে এবং অন্য একটি ছেলের সঙ্গে তার অনৈতিক ও অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবিও আমাদের হাতে আসে। এই পরিস্থিতিতে, পারিবারিক সম্মান ও ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে আমরা এই বিয়ের প্রস্তাব বাতিল ঘোষণা করি। বিয়ের সম্বন্ধ ভেঙে দেওয়ার পর থেকেই আনোয়ার হোসেন চরম প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে ওঠে। টাকার লোভে এবং নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে তারা আমাদের ওপর ধারাবাহিক, অত্যাচার শুরু করে। গত আড়াই বছরে তারা আমার নামে একে একে ৬টি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও মিথ্যা মামলা দায়ের করে। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে, আইনের প্রতি আমাদের অগাধ আস্থা ছিল এবং ইতিপূর্বেই ৪টি মামলা বিজ্ঞ আদালতে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়েছে। বাকি মামলাগুলোও খুব দ্রুতই মিথ্যা প্রমাণিত হবে ইনশাআল্লাহ। বিগত প্রায় ২ বছর যাবৎ আমাদের সাথে তাদের কোনো প্রকার যোগাযোগ বা সম্পর্ক ছিল না। কিন্তু গত ৭ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখ সন্ধ্যায় আনোয়ার হোসেন ও তার দলবল আমাদের বাড়িতে অতর্কিতে হামলা চালায়। তারা আমার পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেয় এবং আমাদের বাড়ি লক্ষ্য করে ইট পাটকেল ছুঁড়ে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে। সে সময় সেখানে কয়েকজন স্থানীয় সাংবাদিকও উপস্থিত ছিলেন। নিজেদের অপরাধ ঢাকতে তারা উল্টো মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়ায়। যে-আমি ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে তার মেয়ে ঐশী কে অপহরণের চেষ্টা করেছি, যা সম্পূর্ণ বানোয়াট ও অবাস্তব। পরবর্তীতে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এই চক্রটি কতটা ভয়ানক তা তাদের মামলার ধরণ দেখলেই বোঝা যায়। যেমন-যশোর সদর থানায় দায়ের করা ৮৮ নং মামলা (তারিখ: ২৯/০৬/২০২৫), যেখানে দাবি করা হয়েছে আমি নাকি এঁশীর শালীনতাহানি করেছি। অথচ আমরা তাদের ক্রমাগত হুমকির মুখে আগেই কোতোয়ালী মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছিলাম (জিডি নং১০৫৮, তারিখ: ১৪/০৩/২০২৫)।

উল্টো তারা আমাদের করা মানহানি মামলা (মামলা নং১/২৫ ও পি ১৭৩/২৫) তুলে নেওয়ার জন্য তাদের এক প্রভাবশালী আত্মীয় পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে আমাদের ওপর অবৈধ ও অনৈতিক চাপ প্রয়োগ করে আসছে।

যেকোনো সময় তারা আমাদের বড় ধরনের ক্ষতি বা পরিবারের সদস্যদের ওপর ‘ প্রাণঘাতী হামলা চালাতে পারে বলে আমরা আশঙ্কা করছি।

তিনি স্থানীয় প্রশাসন এবং দেশবাসীর কাছে তাদের ওপর হওয়া হামলা ও গাড়ি ভাচুরের ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করেছেন। একই সাথে এই মিথ্যাবাদী, মামলাবাজ চক্রের দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও শাস্তির ও দাবি করেন তিনি।

বিষয়টির সত্যতা যাচাইয়ে মেয়ের মায়ের ফোনে কয়েক দফায় সংযোগ দিয়েও তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews