বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শার্শায় নিখোঁজ যুবক ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে দূর্বাডাঙ্গায় পুলিশের কঠোর বার্তা গোপালগঞ্জে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা, ২৪ ঘণ্টা সাইবার নজরদারি খুলনাবাসী একটি বিপদের মধ্য দিয়ে দিনাতিপাত করছেন — মজ্ঞু বাঁকড়া বাজারে যানজট, সড়কের অর্ধেক দখলে থাকে যানবাহন কেশবপুরের পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ইকবাল পুলিশের হাতে আটক। আবারও বিজ্ঞান-প্রযুক্তিতে দেশসেরা যবিপ্রবি বেনাপোল স্থলবন্দর আকস্মিক পরিদর্শনে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী অবৈধ ড্রেজার উচ্ছেদ ও কারাদণ্ড: নগরকান্দায় কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসনঃ যশোরে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়িতে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ

শার্শায় ঘরের মেঝে খুঁড়ে যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার, নারীসহ আটক ৪

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
  • ১৬৩ বার পড়া হয়েছে

শাহাবুদ্দিন আহামেদ বেনাপোল: যশোরের শার্শা উপজেলার বসতপুর গ্রামে ঘরের মেঝে খুঁড়ে ইকরামুল হোসেন (২২) নামে এক যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নারীসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে।

শনিবার (৯ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে শার্শা থানা পুলিশের উপস্থিতিতে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত ইকরামুল হোসেন উপজেলার দক্ষিণ বারপোতা গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। আটককৃতরা হলেন— মুন্নী আক্তার (৩৬), কাকলী আক্তার (৩৪), ফজলু মোড়ল (৫২) ও সন্দেহভাজন হিসেবে আল-ফরহাদ (২৮)।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৮ এপ্রিল সন্ধ্যার পর থেকে ইকরামুল নিখোঁজ ছিলেন। এরপর তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধান না মেলায় নিহতের বাবা আদালতে একটি সিআর মামলা দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে শার্শা থানায় মামলা রুজু করা হয়।
মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে শনিবার আটক চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে একপর্যায়ে আল-ফরহাদ স্বীকার করেন, ইকরামুলকে হত্যা করে তার বাড়ির লাকড়ি রাখার ঘরের মেঝের নিচে পুঁতে রাখা হয়েছে।

পরে পুলিশ ঘরের কংক্রিট ভেঙে মাটি খুঁড়ে অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত ইকরামুল ও আটক মুন্নী আক্তারের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। অভিযোগ রয়েছে, মুন্নী আক্তার প্রথম স্বামী থাকা অবস্থায় কৌশলে ইকরামুলকে বিয়ে করেন এবং বিভিন্ন সময়ে তার কাছ থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকা নেন। পরে টাকা ফেরত ও সম্পর্কের বিষয়টি মীমাংসার কথা বলে গত ৮ এপ্রিল রাতে ইকরামুলকে বসতপুরে ডেকে নেওয়া হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, সেখানে তাকে জুসের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করা হয়। পরে গলায় রশি পেঁচিয়ে হত্যা করে লাশ গুমের উদ্দেশ্যে মাটিচাপা দেওয়া হয় এবং তার ওপর কংক্রিটের ঢালাই করা হয়।
শার্শা থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি মারুফ হোসেন জানান, লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

তাং- ১০/০৫/২৬

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews