
যবিপ্রবি প্রতিনিধি: ইমরান হোসেন:যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান কোয়াককোয়ারেলি সাইমন্ডসের (কিউএস) প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিংয়ে: এশিয়া ২০২৭’-এ গত বছরের তুলনায় ৪৩ ধাপ এগিয়েছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি)। এবারের র্যাঙ্কিংয়ে এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ৬৪৪তম অবস্থান অর্জন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। গত বছর এ অবস্থান ছিল ৬৮৭তম।
গতকাল (৩ নভেম্বর) কিউএস তাদের ওয়েবসাইটে এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ২০২৭ সালের র্যাঙ্কিংয়ে প্রকাশ করে।
এদিকে ২০২৪ সালের কিউএস এশিয়া র্যাঙ্কিংয়ে যবিপ্রবি এর আগের সর্বোচ্চ অবস্থান অর্জন করেছিল (৫৫১-৬০০)। এবারের তালিকায় বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। এশিয়ায় ৬৪৪তম অবস্থানের পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে যবিপ্রবির অবস্থান ১৮০তম।
এবারের র্যাঙ্কিংয়ে এশিয়ার ২৬টি দেশের ১ হাজার ৭২২টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। তালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে হংকং বিশ্ববিদ্যালয় এবং দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চীনের পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। অন্যদিকে দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম অবস্থানে রয়েছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
এ বিষয়ে যবিপ্রবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, এটি আমাদের জন্য অবশ্যই একটি সুসংবাদ। আমরা এ ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চাই। এ লক্ষ্যে শিক্ষকদের গবেষণায় আরও উৎসাহিত করা হচ্ছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নত গবেষণার পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা তহবিলও বাড়ছে। মাস্টার্স ও পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য আমরা বৃত্তির ব্যবস্থা করছি। আমরা আশাবাদী, এসব উদ্যোগের ফলে শিক্ষার্থীদের গবেষণাকর্ম ও আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশনা বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ে আরো ভালো হবে।
এ বিষয়ে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইয়ারুল কবীর বলেন, ‘গতবারের তুলনায় এবার এশিয়া র্যাঙ্কিংয়ে যবিপ্রবি ৪৩ ধাপ এগিয়েছে, যা আমাদের জন্য আনন্দের ও আশাব্যঞ্জক খবর। আমি বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সবাইকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। তবে আমাদের আরও ভালো করার সুযোগ রয়েছে। সেসব ক্ষেত্র চিহ্নিত করে ভবিষ্যতে সবাই মিলে কাজ করতে চাই। যবিপ্রবিকে আরও অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।’