বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শার্শায় নিখোঁজ যুবক ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে দূর্বাডাঙ্গায় পুলিশের কঠোর বার্তা গোপালগঞ্জে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা, ২৪ ঘণ্টা সাইবার নজরদারি খুলনাবাসী একটি বিপদের মধ্য দিয়ে দিনাতিপাত করছেন — মজ্ঞু বাঁকড়া বাজারে যানজট, সড়কের অর্ধেক দখলে থাকে যানবাহন কেশবপুরের পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ইকবাল পুলিশের হাতে আটক। আবারও বিজ্ঞান-প্রযুক্তিতে দেশসেরা যবিপ্রবি বেনাপোল স্থলবন্দর আকস্মিক পরিদর্শনে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী অবৈধ ড্রেজার উচ্ছেদ ও কারাদণ্ড: নগরকান্দায় কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসনঃ যশোরে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়িতে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ

কেশবপুরে প্যারামেডিকেল এন্ড টেকনোলজি ফাউন্ডেশন সীলগালা, দুইটি ক্লিনিক বন্ধ

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
  • ১৬৮ বার পড়া হয়েছে

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুরে প্যারামেডিকেল এন্ড টেকনোলজি ফাউন্ডেশনের (পিটিএফ) (সীলগালা) কেশবপুর মাইকেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও কেশবপুর ক্রিস্টাল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর কাগজপত্র না থাকায় সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দিলেন যশোর জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ মাসুদ রানা।

রবিবার (১০ মে) বেলা ১২টার দিকে অভিযান চালিয়ে ওই প্রতিষ্টানটি সীলগালা ও ক্লিনিক এবং ডায়গনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দেওয়া হয়।

সম্প্রতি ২৩টি প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম নিয়ে এনটিভির অনলাইনে সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। এর আগে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ রেকসোনা খাতুন ওই কেশবপুরে প্যারামেডিকেল এন্ড টেকনোলজি ফাউন্ডেশনে (পিটিএফ) অভিযান চালিয়ে জাল সনদ বিক্রির অভিযোগে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে এ.কে আজাদ ইকতিয়ার কে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেন এবং ওই প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেন। এরপরও সকলের গোপন করে প্রতারক চক্রটি জাল সনদ বিক্রি অব্যাহত রাখেন।

২০১৬ সালে খুলনার জয়েন্ট স্টক (যৌথ মূলধনি কোম্পানি) থেকে প্যারামেডিকেল এন্ড টেকনোলজি ফাউন্ডেশনের (পিটিএফ) নামে প্রাথমিক অনুমতি নিয়ে কেশবপুর শহরের থানার পাশে মাইকেল মোড়ে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে অফিস খোলেন। যার রেজিঃ নম্বর-৪৪৩/২০১৬, এরপর সেখানে পিটিএফের কেন্দ্রীয় হেড অফিসের সাইন-বোর্ড টানিয়ে ডিএমএফ, ডিএমএ, ডিএমএস, ডিএইচ এমসি, ডিএনএ, প্যাথলজি আল্ট্রাসোনোগ্রাফি, এক্সরেসহ ৫৬টি ট্রেডের সার্টিফিকেট দেয়ার নামে একটি ট্রেনিং সেন্টার খোলেন আবুল কালাম আজাদ ইকতিয়ার। এরপর বিভিন্ন মিডিয়াসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় চমকপ্রদ লিফটেল ছড়িয়ে দেয়। এসব প্রচার মাধ্যমে আশক্ত হয়ে এলাকার বেকার যুবকরা ওই অফিসে ছুটে আসে। এরপর এ.কে আজাদ ইকতিয়ার প্রতি জনের ট্রেনিং খরচ বাবদ ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৪৫ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিয়ে ডাক্তারি সনদসহ বিভিন্ন ট্রেডের সনদ ধরিয়ে দিচ্ছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, স্বাস্থ্য বিষয়ে কোন ট্রেনিং বা সার্টিফিকেট প্রদান করতে হলে, স্ব-স্ব-মন্ত্রণালয় এবং অধিদপ্তরের অনুমতি সাপেক্ষে রেজিস্ট্রেশন নিয়ে, যেমন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন) মহাখালি ঢাকা ১২১২ এর অনুমোদন বাধ্যতামূলক। কিন্তু এ.কে আজাদ ইকতিয়ার সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে কোন অনুমতি না নিয়েই জয়েন্ট স্টকের অনুমতিকে পুজি করে প্রতারণা করে চলেছেন। তার এই প্রতিষ্ঠানে সরকারি কোন নজরদারি না থাকায় তিনি গত ১১ বছরে টাকার পাহাড় গড়ে তুলেছেন।

যশোর জেলা সিভিল সার্জন মাসুদ রানা বলেন, কেশবপুরে শহরে পিটিএফ নামে একটি প্রতিষ্ঠান খুলে সেখানে ভুয়া স্থাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন ট্রেডের সার্টিফিকেট বিক্রি করছে খবর পেয়ে ওই প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং কেশবপুর মাইকেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও কেশবপুর ক্রিস্টাল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর কাগজপত্র না থাকায় সকল কার্যক্রম বন্ধ করা হয়। সোমবার (১১ মে) কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হলে ওই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews