বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১২:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শার্শা উপজেলা ও বেনাপোল পৌর যুবদলের উদ্যোগে অপপ্রচার ও শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে বর্ণাঢ্য প্রতিবাদ মিছিল ও পথসভা মণিরামপুরে যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল এএসআই নিয়োগে স্বচ্ছতা ও মেধার ওপর জোর, গোপালগঞ্জে পুলিশের ব্রিফিং উপশাখা ভিত্তিক ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর ফাইনাল অনুষ্ঠিত, চ্যাম্পিয়ন পাঁজিয়া উপশাখা ‎৪৯ বিজিবির অভিযানে ৭ লক্ষ টাকার গাঁজা ও অবৈধ মালামালসহ আটক-২ পাওনা টাকা চাওয়ায় ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে জখম, হাসপাতালে ভর্তি বেনাপোল ইমিগ্রেশনে ল্যাগেজ বাণিজ্যে: নেপথ্যে কামাল-সাদ্দাম সিন্ডিকেট যশোরে যুবককে মারধর ও বিদ্যুৎস্পৃষ্টের ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মিছিল থেকে দুইজন আটক ভামিয়া বনবিবিতলা গ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে শ্যামনগরে মানববন্ধন

খুলনা ডুমুরিয়ায় বাণিজ্যিকভাবে পেয়ারা চাষ করে লাখপতি

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৫৪৫ বার পড়া হয়েছে

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া খুলনা: খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে কৃষক ইমন খান উন্নত জাতের পেয়ারা চাষ করে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছেন। আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছেন তিনি। এ ব্যাপারে কৃষক ইমন খান জানান, ২ লাখ ২৫ হাজার টাকা ব্যয়ে পেয়ারা চাষ করে ১০ লাখ টাকা বিক্রি করবেন তিনি। এ উন্নত জাতের গাছ থেকে কম খরচে ১২ মাসই পেয়ারা পাওয়া যায়। প্রতিটি পেয়ারা আধা কেজি থেকে প্রায় এক কেজি ওজন হয়। একটি গাছ টানা সাত বছর ফল দেয়। আর এ পেয়ারা প্রতি কেজি ৫০-৭০ টাকায় বিক্রি করা হয়। প্রায় ৫ বিঘা জমিতে ১ হাজার ৫০টি উন্নত জাতের পেয়ারা চাষ করেছেন। তার দেখাদেখি অনেক চাষি পেয়ারা আবাদ করছেন। ডুমুরিয়া উপজেলার গুটুদিয়া ইউনিয়নের পঞ্চুর গ্রামের কৃষক আরিফুল ইসলাম ইসলাম কয়েক বছর ধরেই পেয়ারার চাষ শুরু করেছেন। মাসের পর মাস পেয়ারার বাগান পরিচর্যা করছেন। পেয়ারার চাষ করেছেন শলুয়া গ্রামের পুর্ণন্দুবিশ্বাস। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের কৃষকরা মাঠের পর মাঠ উন্নত জাতের পেয়ারা বাগান করেছেন। ডুমুরিয়ার অনেক কৃষক ও বেকার যুবকরা এখন উন্নত জাতের পেয়ারা চাষ শুরু করছেন। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. ইনসাদ ইবনে আমিন জানান, চলতি বছরে ২৫ হেক্টর জমিতে পেয়ারা আবাদ হয়েছে। সাধারণ ফসলের চেয়ে পেয়ারার আবাদে ৩ গুণ লাভ হয়। খুলনা হট্রিকালচার থেকে চারা সংগ্রহ করে বৈশাখের শেষ সময় থেকে পেয়ারার চারা লাগানো শুরু হয়। গাছ লাগানোর ৯ মাসের মাথায় ফল ধরতে শুরু করে। প্রতিটি গাছে ১০০-১৫০টি ফল ধরে। কিন্তু গাছের সুরক্ষায় ছোট থাকতে তা ফেলে দিয়ে ২০-২৫টি পেয়ারা রাখা হয়। ১২ মাস পেয়ারা ধরলেও শীত মৌসুমের পেয়ারায় দাম বেশি পাওয়া যায়। বর্ষাকালে পেয়ারার পোকা ও পচন রোধে সুষম সার প্রয়োগ করতে হয়। এছাড়া পেয়ারার গায়ে পলিথিন জড়িয়ে দিতে হয়। এ জাতের গাছে কমপক্ষে সাত বছর সুস্বাদু পেয়ারা ধরে। অন্য ফসলের আবাদ ছেড়ে অনেক চাষি এখন উন্নত জাতের পেয়ারা চাষ শুরু করছেন। খুলনা জেলার উপ পরিচালক মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, পেয়ার চাষ একটি লাভজনক ফসল। এক বিঘা জমিতে ৪০০টি পেয়ারা গাছ লাগানো যায়, একটি পেয়ারা গাছে এক বছরে ২০ কেজি পর্যন্ত পেয়ারা হয়। এক মণ পেয়ারা বাজারে পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ১৪শ টাকায়। একটি গাছে ৩ হাজার টাকার পেয়ারা ১ বছরে বিক্রি করতে পারে কৃষক। আমরা ডুমুরিয়া উপজেলার কৃষকদের পেয়ারা চাষিদের জমি পরিদর্শন করেছি। তাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছি কিভাবে বিষযুক্ত পলি বেঁধে পেয়ারা চাষ করতে পারে। এছাড়া বাগানের ভেতরে সাথি ফসল হিসেবে লেবু, মালটাসহ অন্যান্য ফসল ফলিয়ে আধুনিক পদ্ধতিতে কিভাবে ফসল উৎপাদন করা যায় সে ব্যাপারেও সহযোগিতা করছি।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews