বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শার্শা উপজেলা ও বেনাপোল পৌর যুবদলের উদ্যোগে অপপ্রচার ও শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে বর্ণাঢ্য প্রতিবাদ মিছিল ও পথসভা মণিরামপুরে যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল এএসআই নিয়োগে স্বচ্ছতা ও মেধার ওপর জোর, গোপালগঞ্জে পুলিশের ব্রিফিং উপশাখা ভিত্তিক ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর ফাইনাল অনুষ্ঠিত, চ্যাম্পিয়ন পাঁজিয়া উপশাখা ‎৪৯ বিজিবির অভিযানে ৭ লক্ষ টাকার গাঁজা ও অবৈধ মালামালসহ আটক-২ পাওনা টাকা চাওয়ায় ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে জখম, হাসপাতালে ভর্তি বেনাপোল ইমিগ্রেশনে ল্যাগেজ বাণিজ্যে: নেপথ্যে কামাল-সাদ্দাম সিন্ডিকেট যশোরে যুবককে মারধর ও বিদ্যুৎস্পৃষ্টের ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মিছিল থেকে দুইজন আটক ভামিয়া বনবিবিতলা গ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে শ্যামনগরে মানববন্ধন

খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট, ২০২৫
  • ২৯৮ বার পড়া হয়েছে

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা: খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়ক। প্রতি কিলোমিটারে প্রায় পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে পুননির্মাণ করা হয় সড়কটি। অথচ এত ব্যয়বহুল এই সড়কটি এখনই চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে জিরো পয়েন্ট থেকে কৈয়া পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকায় সড়কের বেহাল অবস্থা যান চলাচলকে করছে ঝুঁকিপূর্ণ।
বিভিন্ন স্থানে উঠে গেছে বিটুমিন, তৈরি হয়েছে ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত। কোথাও কোথাও পিচ সরে গিয়ে ঢিবি হয়ে আছে, অনেক জায়গায় সড়ক ডেবে গেছে। এমনকি কিছু জায়গা হয়েছে ঢেউয়ের মতো। চলাচল স্বাভাবিক রাখতে কিছু স্থানে ইট বিছিয়ে সাময়িক সলিউশন নেওয়া হলেও তা কোনোভাবেই স্থায়ী সমাধান নয়।
সড়কটির দৈর্ঘ্য ৬৪ কিলোমিটার। এর মধ্যে খুলনার অংশ পড়েছে ৩৩ কিলোমিটার, যা শুরু হয় জিরো পয়েন্ট থেকে ডুমুরিয়া উপজেলার আঠারোমাইল পর্যন্ত। সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের তথ্যানুযায়ী, মহাসড়কটির প্রশস্তকরণ ও পুনর্নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল ২০১৮ সালে এবং শেষ হয় ২০২০ সালের জুনে। এর পর থেকেই স্থানীয়দের মধ্যে সড়কের নির্মাণমান নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। নির্মাণের এক বছরের মধ্যেই উঠে যেতে শুরু করে বিটুমিন।
নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)র ডুমুরিয়া উপজেলা শাখার সভাপতি খান মহিদুল ইসলাম বলেন, সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর থেকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ পণ্য পরিবহন হচ্ছে এই রাস্তায়। অতিরিক্ত ভারী যানবাহন চলাচল এবং নিম্নমানের নির্মাণকাজ মিলিয়ে সড়কটির এই করুণ অবস্থা হয়েছে। বর্তমানে এটি যেন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনই ঘটছে দুর্ঘটনা। যাত্রীরা পড়ছেন চরম দুর্ভোগে।
এদিকে সড়ক ও জনপথ বিভাগের খুলনা অঞ্চলের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. তানিমুল হক বলেন, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর এই মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়ে গেছে প্রায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত। অথচ সড়কটি যে ধরনের ফাউন্ডেশনে নির্মাণ করা হয়েছিল, তা এত ভার বহন করতে সক্ষম নয়।
উল্লেখ্য ডাক্তার জামিনুর রহমান বলেন মটরবাইক, সি এন জি, ইজি বাইকসহ ছোট ছোট যানবাহনে করে যাত্রীদের বড় বড় গাড়ী গুলো চাকার অপরিষ্কার ময়লা পানি সিটে যেয়ে ভদ্রলোকদের কাপড় ময়লা করে দিচ্ছে ।
এতে করে ছোট ছোট গাড়ির যাত্রীগুলো সীমাহীন দুর্ভাগ হতে হচ্ছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews