বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যশোরে ডিবির পৃথক অভিযানে ১৩০ পিস ইয়াবা ও ৪০ বোতল নেশা জাতীয় সিরাপসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী আটক সাতক্ষীরায় ১৪ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ, পিবিআই’র অভিযানে আসামি গ্রেপ্তার ও আদালতে স্বীকারোক্তি যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে বিশ্ব হার্ট দিবস পালিত যশোর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে বিদেশি মদসহ সাড়ে ৩ লক্ষাধিক টাকার মালামাল আটক যবিপ্রবি স্কুল অ্যান্ড কলেজে নবীন বরণ যশোরে চুরি হওয়া মোটরসাইকেল ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার, যুবক আটক যশোরে গ্রাম আদালত নিয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে সমন্বয় সভা ভাঙ্গায় দুর্ভোগে হাজারো মানুষ প্রায় ১২ বছর সংস্কার নেই, দ্রুত সংস্কারের দাবি এলাকাবাসীরঃ মাদক সেবনের অপরাধে দুই আসামির এক বছরের কারাদণ্ড রিপোর্টার্স ক্লাব থেকে পদত্যাগ করলেন এস এম তাজাম্মুল ‎

যশোরে শাহীন চাকলাদারসহ ৪জনের বিরুদ্ধে আদালতে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের মামলা

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ জুলাই, ২০২৫
  • ২৮২ বার পড়া হয়েছে
যশোর অফিস : যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি ও যশোর-৬ আসনের সাবেক এমপি শাহিন চাকলাদারসহ ৪জনের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা হয়েছে যশোর আদালতে। যশোর কেশবপুর উপজেলার কলেজ ও স্কুলে নানা সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণার মাধ্যমে ৮৪ লাখ ৪৫ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে দায়ের করা মামলায়। কেশবপুর উপজেলার শহীদ লে: মাসুদ মেমোরিয়াল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মশিয়ার রহমান আজ মঙ্গলবার যশোর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আঞ্জুমান আরা বেগমের আদালতে এ মামলাটি করেছেন। বিচারক অভিযোগটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন। বাদীর আইনজীবী তাহমিদ আকাশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার অপর আসামিরা হলেন,শাহীন চাকলাদারের পিএস শাহপাড়া রোডের আলমগীর সিদ্দিকি টিটো, তার স্ত্রী শামীমা পারভীন রুমা এবং মাগুরখালী গ্রামের মৃত সোবহান গাজীর ছেলে রবিউল ইসলাম।
মামলায় বাদী উল্লেখ করেছেন, শাহীন চাকলাদার যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের এমপি থাকাকালীন অন্য আসামিদের সহায়তায় নানা ধরনের অপকর্ম করতেন। নিয়োগ বাণিজ্য, বদলি বাণিজ্য, এমপিওভুক্তকরণসহ বিভিন্ন সুবিধা টাকার বিনিময়ে করে দিতেন তারা। সেসময় বাদী মাসুদ মেমোরিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ ও রেজাকাটি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ছিলেন। সেই সুবাদে ওই দুই প্রতিষ্ঠানের নানা ধরনের সুবিধা গ্রহণের জন্য আসামিদের সঙ্গে কথা হয়। তারা জানান, মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে কলেজের স্নাতক ও বিএমপি শাখার এমপিও আদেশ করিয়ে দেওয়া এবং কলেজের কৃষি ডিপ্লোমা শিক্ষকদের এমপিও ছাড় করিয়ে দেওয়ার জন্য তাদেরকে ৬৪ লাখ ৪৫ হাজার টাকা দিতে হবে। এছাড়া স্কুলের মাধ্যমিক শাখার এমপিও আদেশ করিয়ে দেওয়ার জন্য আরও ২০ লাখ টাকা দাবি করেন।
বাদী পরে শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে রাজি হন এবং তাদের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করেন। ২০২০ সালের ২ অক্টোবর থেকে ২০২১ সালের ৩০ আগস্টের মধ্যে আলমগীর সিদ্দিকি টিটোর বাড়িতে বসে শাহীন চাকলাদারসহ আসামিদের হাতে কয়েক দফায় ওই টাকা দেওয়া হয়। যা আসামিরা মেশিন দিয়ে গুনে গ্রহণ করেন এবং পরে শাহীন চাকলাদার তা গ্রহণ করেন। এরপর ২০২১ ও ২০২২ সালের মধ্যে কাজ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন আসামিরা। কিন্তু যথাসময়ে কাজগুলো করে দিতে ব্যর্থ হন। পরে আসামিদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে নানা ধরনের তালবাহানা করেন। একপর্যায়ে তারা জানিয়ে দেন,ওই কাজ আর হবে না।
বাদী এরপর মন্ত্রণালয়ে খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারেন, ওই চারজন সব টাকা ভাগবাটোয়ারা করে নিয়েছেন। কিন্তু মামলা ও হামলার ভয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সাহস পাননি তিনি।
এর মাঝে গত ২০ জুন টিটো ও তার স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে ওই টাকা ফেরত চাইলে তারা জানান, টাকা ফেরত দেওয়া হবে না। আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় আসছে এই বলে নানা ধরনের ভয়ভীতি দেখান। বাধ্য হয়ে বাদী আদালতে এ মামলা করেন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews