
রয়েছে ক্রেতাদের সাথে দুর্ব্যবহারেরও অভিযোগ
যশোর প্রতিনিধি: কোরবানির ঈদ সামনে রেখে যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার খাজুরা ইউনিয়নের অন্তর্গত ভাটার আমতলা গরুর হাটে অতিরিক্ত পাশ ফি আদায় নিয়ে ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে। ক্রেতারা বলছেন, হাটে নির্ধারিত কোনো মুল্য তালিকা নেই। ইচ্ছামতো পাশ ফি আদায় করা হচ্ছে, যা একেবারেই অযৌক্তিক।
ভুক্তভোগী একাধিক ক্রেতার অভিযোগ, প্রতি লাখে ১৫০০ থেকে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত পাশ ফি নেওয়া হচ্ছে। অথচ হাট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো রসিদ দেওয়া হচ্ছে না কিছু ক্ষেত্রে রশিদ দেয়া হলেও থাকছে না এই আদায়ের টাকা পরিমাণ এবং কোথাও মূল্য তালিকাও টাঙানো নেই।
শুধু অতিরিক্ত অর্থ আদায়ই নয়, অভিযোগ উঠেছে হাট কর্তৃপক্ষের দুর্ব্যবহারেরও। প্রতিবাদ করলে ক্রেতাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অনেকে।
শরিফুল ইসলাম নামে এক কোরবানির গরু ক্রেতার অভিযোগ গরুর হাটে দালালে দৌড়ত্ব বেশি।রয়েছে সিন্ডিকেটও , প্রশাসন কর্তৃক হাটে পর্যাপ্ত মনিটরিং না করায় ক্রেতারা প্রতিনিয়তই প্রতারিত হচ্ছে।
ক্রেতারা বলছেন, “কোরবানির পশু কিনতে এসে এমন প্রতারণার শিকার হচ্ছি। এটা মেনে নেওয়া যায় না। প্রশাসনের উচিত দ্রুত হস্তক্ষেপ করা।”
এ বিষয়ে হাট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য দিতে রাজি হননি । স্থানীয়রা দাবি করছেন, অবিলম্বে পাশ ফি’র একটি নির্ধারিত তালিকা টাঙিয়ে দেওয়া হোক এবং ক্রেতাদের সঙ্গে শালীন আচরণ নিশ্চিত করা হোক।
বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ নেয় কিনা সেটাই এখন দেখার বিষয়।