শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যশোরে ডিবির অভিযানে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ২ জন আটক নজরুলবর্ষ ও ৩৬ জুলাই উদযাপন বিএসপির ২৬১তম সাহিত্যসভা অনুষ্ঠিত মনিরামপুরে সমস্যাগ্রস্ত মানুষের পাশে ‘আলোছায়া’, দেওয়া হলো আর্থিক সহায়তা যশোরের যৌনপল্লীতে নারীকে মারধরের অভিযোগ, হাসপাতালে ভর্তি চাচাদের জালে ৭ গোল, দুই রাজহাঁস নিয়ে ফিরলেন ভাইপোরা নড়াইলের কালিয়ায় পুলিশের অভিযানে ডাকাত আরোজ আলী শেখ গ্রেপ্তার বৃষ্টিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কে সাগরিকা পরিবহনের বাস খাদে, আহত ২৫ যশোরে ১ কোটি ১০ লাখ টাকার স্বর্ণসহ এক পাচারকারী আটক শ্যামনগরে ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সমাবেশ ও গণমিছিল অনুষ্ঠিত হাজারো নেতাকর্মীর ঢলে মুখর ভাঙ্গা, জুলাই শহিদদের স্মরণে বিএনপির বিশাল র‍্যালি ও জনসমাবেশ

যশোরের ভাইরাল আফিয়ার পাশে উই আর বাংলাদেশ (wab

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৬১৮ বার পড়া হয়েছে

যশোর প্রতিনিধিঃ যশোর সদর উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের বাজুয়াডাঙ্গা গ্রামের অসহায় মা মণিরা খাতুন এবং তাঁর তিন বছরের কন্যা আফিয়ার মানবেতর জীবনের করুণ সংবাদটি একাধিক গণমাধ্যমে প্রকাশের পর দেশজুড়ে সৃষ্টি হয় তীব্র আলোড়ন।

জন্মের সময় আফিয়ার চেহারা ইউরোপীয় বংশোদ্ভূত শিশুদের মতো হওয়ায়—
নিজের সন্তান আর স্ত্রীর সঙ্গেই সর্ম্পক ছিন্ন করে বিদেশে পাড়ি জমান বাবা মোজ্জাফর।
অসহায় মণিরা অন্যের বাড়িতে দিনমজুরি করে কোনোরকমে মেয়ের মুখে খাবার তুলে দিতেন।
কিন্তু তাঁদের দুঃখ–কষ্টের এই গল্প যখন গণমাধ্যমে উঠে আসে—তখন তা নজরে আসে দেশ–বিদেশের অসংখ্য হৃদয়বান মানুষের।
১৪ নভেম্বর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান অসহায় মা–মেয়ের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেন। তাঁর পক্ষ থেকে বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত মণিরা ও আফিয়ার হাতে উপহার তুলে দেন।
সেখান থেকেই ঘোষণা করা হয়— মণিরা খাতুনের জন্য একটি বসতঘর নির্মাণ করা হবে। আফিয়ার পড়াশোনার যাবতীয় ব্যয় বহন করবে বিএনপি ।
এছাড়া পরিবারটির সার্বিক দায়িত্ব গ্রহণ করে যশোর জেলা বিএনপি। জেলা প্রশাসনও এগিয়ে আসে আইনি ও নাগরিক সেবা নিশ্চিতে।
কিন্তু তারেক রহমানের দেওয়া ঘর তৈরির উদ্যোগে জটিলতা দেখা দেয়—
কারণ, তাঁদের নিজস্ব কোনো জমি ছিল না। ফলে কাজ থমকে যায়।
কিন্তু মানবিকতার গল্প এখানেই শেষ নয়!
বুধবার সামাজিক সংগঠন We Are Bangladesh-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং মানবিক পুলিশ সদস্য এস. এম. আকবর জমি সমস্যার সমাধানে এগিয়ে আসেন।
তিনি মণিরা খাতুনের হাতে জমি কেনার জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা তুলে দেন।
এর মধ্য দিয়ে আফিয়া ও তাঁর মায়ের মাথা গোঁজার স্থায়ী আশ্রয়ের পথে তৈরি হয় এক বিশাল অগ্রগতি।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে আফিয়ার করুণ বাস্তবতা ভাইরাল হওয়ার পর যে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত সৃষ্টি হয়েছে—
তা সত্যিই হৃদয় ছুঁয়ে যায়, অনুপ্রেরণা দেয়, এবং প্রমাণ করে— মানুষ মানুষের জন্য ।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews