শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যশোরে ডিবির অভিযানে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ২ জন আটক নজরুলবর্ষ ও ৩৬ জুলাই উদযাপন বিএসপির ২৬১তম সাহিত্যসভা অনুষ্ঠিত মনিরামপুরে সমস্যাগ্রস্ত মানুষের পাশে ‘আলোছায়া’, দেওয়া হলো আর্থিক সহায়তা যশোরের যৌনপল্লীতে নারীকে মারধরের অভিযোগ, হাসপাতালে ভর্তি চাচাদের জালে ৭ গোল, দুই রাজহাঁস নিয়ে ফিরলেন ভাইপোরা নড়াইলের কালিয়ায় পুলিশের অভিযানে ডাকাত আরোজ আলী শেখ গ্রেপ্তার বৃষ্টিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কে সাগরিকা পরিবহনের বাস খাদে, আহত ২৫ যশোরে ১ কোটি ১০ লাখ টাকার স্বর্ণসহ এক পাচারকারী আটক শ্যামনগরে ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সমাবেশ ও গণমিছিল অনুষ্ঠিত হাজারো নেতাকর্মীর ঢলে মুখর ভাঙ্গা, জুলাই শহিদদের স্মরণে বিএনপির বিশাল র‍্যালি ও জনসমাবেশ

মাগুরা ধোপাখালী ঈদগাহ মাঠ ও মসজিদের উন্নয়ন কাজের প্রকল্পের আড়াই লাখ টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১২৮ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক নিউজ :মাগুরা শালিখা উপজেলায় ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিটা) সাধারণ কর্মসূচির আওতায় উপজেলাভিত্তিক ১ম ও ২য় কিস্তির গৃহিত শতখালী ইউনিয়নের প্রকল্প নম্বর ৪১ ধোপাখালী ঈদগাহের মাঠে মাটি ভরাটের বরাদ্দ ছিলো ২,০৫,৪৮২ টাকা অর্থ্যাৎ ২ লাখ ৫ হাজার ৪ শত ৮২ টাকা। আর একই অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) সাধারণ কর্মসূচির আওতায় উপজেলাভিত্তিক ১ম ও ২য় কিস্তির গৃহিত শতখালী ইউনিয়নের ৬৬ নম্বর প্রকল্পের ধোপাখালী জামে মসজিদ উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যাপক আকারে কাজের অনিয়ম ও টাকা আত্মসাৎের অভিযোগ উঠেছে শতখালী ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি মেম্বার সদস্য ছুরমান এর বিরুদ্ধে।

ধোপাখালী ঈদগাহে মাঠের মাটি ভরাট এর জন্য শাহাদাৎ হোসেন মোল্লার পুত্র সোহান মোল্লা দরখাস্ত করে শালিখা উপজেলা পরিষদের পিআইও অফিসে। রহিমের দোকানে বসে মেম্বার ছুরমান আলোচনা করে দরখাস্ত করে দিলে ঈদগাহের মাঠে ভরাট করার জন্য টাকা পাওয়া যেত। আর এই আলোচনা মতো কাবিটা প্রকল্পের ২ লাখ ৫ হাজার ৪৮২ টাকা তুলে পুরো টাকায় আত্মসাৎ করেছে ছুরমান মেম্বার। আর এই বিষয়ে ক্যাশিয়ার আবু বক্কার জানান, ঈদগাহে টাকা ছাড়াই কিছু মাটি দিয়েছিলো কায়েম শেখ নামে এক লোক। তিনি আরও জানান, ছুরমান মেম্বার ধোপাখালী ঈদগাহ ও মাদরাসার সভাপতি হওয়ায় সমস্ত টাকা সে তুলে আত্মসাৎ করেছে।

এদিকে ধোপাখালী জামে মসজিদের সভাপতি মোঃ হাশেম আলী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান ও ক্যাশিয়ার ফারুক হোসেন জানান, আমরা তিনজন মিলে ২ লাখ টাকা আড়পাড়া পিআইও অফিস থেকে তুলে ছিলাম। ১ লাখ টাকা ছুরমান মেম্বার নিয়েছে এবং বাকী ১ লাখ টাকা মসজিদ কমিটির ক্যাশিয়ার ফারুকের কাছে থেকে আওলাদ স্বরূপ ৫০ হাজার টাকা নিয়েছে ছুরমান মেম্বার।
এবিষয়ে সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান জানান, ২ লাখ টাকার বরাদ্দ থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পেয়েছি কিন্তু ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছে ছুরমান মেম্বার।

শালিখা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাশেদুল হাসান জানান, মসজিদ, মাদরাসা ও ঈদগাহের বরাদ্দের সমস্ত টাকা কাজে ব্যয় করতে হয়। আর সম্পূর্ণ কাজ না করা হলে বিল দেওয়া হয়না কিন্তু শতখালী ইউনিয়নের ধোপাখালী ঈদগাহ মাঠে মাটি ভরাট ও মসজিদের কাজের উন্নয়ন কাজের পিআইসি ছিলেন মেম্বার ছুরমান। বিষয়টি আমি দেখছি এবং বর্তমানে আমি মহম্মদপুর উপজেলায় আছি এই বলে গড়িমসি কথাবার্তা বলেন।
এবিষয়ে পিআইও অফিসার রাশেদুল হাসান এখনও কোন ব্যবস্থা নেননি।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews