
মণিরামপুর প্রতিনিধিঃ পাবনা থেকে প্রেমের টানে মনিরামপুর রাজগঞ্জ কলেজ মোড়ের লামিয়া নামের একটি মেয়ের সাথে দেখা করতে এসে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে পাবনার আমিনপুর থানার শিবপুর গ্রামের মোঃ আলাউদ্দিন শেখ পাভেল (২৪) নামের এক যুবক। রবিবার (৬ই সেপ্টঃ) বিকালে স্থানীয়দের সহায়তায় মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয় তাকে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হলে রাত ১০টার দিকে পাভেল’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে চলতি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
বিষক্রিয়ায় অসুস্থ আলাউদ্দিন পাভেল পাবনার আমিনপুর থানার শিবপুর গ্রামের মোঃ বিল্লাল শেখের ছেলে এবং মণিরামপুর উপজেলার রাজগন্জ কলেজের মনোহরপুর গ্রামের জৈনক মনিরুল ইসলামের নাতনী লামিয়ার সাথে সোস্যাল মিডিয়ায় ফেইসবুকে Md sagor নামের আইডির সাথে মেসেনজারে যোগাযোগ হয় বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগী পাভেল নিজেই।
পাভেল আরো জানাই, লামিয়ার সাথে সকালে দেখা হয়,সারাদিন আটকে রেখে বিকালে মেয়ের দাদা মনিরুল ইসলাম ও মেয়ের ভাই অঙ্গ্যাত সহ ২/৩ জন মিলে তার কাছে থাকা নগদ অর্থ একটি মোবাইল ফোন কেড়ে নেই। তার পর মেয়ের পরিবার থেকে তাকে ধরে ঘাস মারা ওষুধ জোর করে খাইয়ে দেই। এক পর্যায়ে তাদের কাছ থেকে টানা হেচড়া করে পূর্ববর্তী পানি জমাট একটি ক্ষেতে পড়ে গেলে স্থানীয়রা তাড়াতাড়ি মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে।
তবে এ ঘঠনায় রাজগঞ্জ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এস আই কামাল হোসেন জানান, বিষয়টি ভিন্ন রকম,আমরা ঘঠনাস্থল পরিদর্শন করেছি।রাজগন্জ ফাড়ি পুলিশের তথ্যমতে, মণিরামপুর রাজগন্জের মনোহরপুরে মেয়ের দাদার বাড়ি, মেয়ে ও মেয়ের মা রামপুরে থাকার সুবাদে মশ্বিমনগরে ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে পড়ুয়া লামিয়ার সাথে পাভেলের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে। পাভেল রামপুরে মাটি কাটার কাজের সাথে সম্পৃক্ত ছিলো ও প্রায়ই পাভেল ও লামিয়া দেখা স্বাক্ষাত করতো। ঘঠনার দিন রবিবার বেলা ১টার দিকে দাদার বাড়িতে মেয়েকে দেখা দেখির পর্যায়ে বিয়ের উদ্দেশ্য দাদার বাড়িতে(মনোহরপুর) পাভেল
যায়। তারা মেয়েকে এত অল্প বয়সে বিয়ে দিবেনা বললে,পাভেল বিষ সাথে নিয়ে তাদের হুমকি দেই। সর্বশেষ যখন পাভেলকে তাদের বাড়ি হতে চলে যেতে বলে তখন পাভেল নিজে বিষ পান করে ও সমস্ত শরীরে লাগিয়ে দেই। কিন্তু সোস্যাল মিডিয়াতে বিভিন্ন ফেইসবুক আইডি হতে মেয়ে পক্ষ থেকে পাভেলকে বিষ খাওয়ায়া দিছে বলে প্রচার করছে বলে দাবী করেন রাজগঞ্জ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এস আই কামাল হোসেন।