মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যশোর আইটি পার্কের হোটেল নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত চায় খান প্রপার্টিজ বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বেনাপোলে হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫-এর বিশাল বর্ণাঢ্য র‌্যালি যশোরে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে তরুণীকে অচেতন করে শ্লীলতাহানির অভিযোগ: থানায় এজাহার মণিরামপুরে নাগরিক অধিকার ও জলবায়ুর ন্যায্যতা বিষয়ক সংলাপ অনুষ্ঠিত সততা ও সাশ্রয়ী মূল্যে সুনাম, ঝিনাইদহ থেকে সারা দেশে মুরগি সরবরাহ ইন্তাজ শেখের নড়াইলে মরদেহের সঙ্গে অনৈতিক কাজের চেষ্টা, অ্যাম্বুলেন্স চালক সাগর গ্রেপ্তার ও মেহগনি বাগান থেকে একনলা বন্দুক উদ্ধার গোপালগঞ্জ শহরের কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুতের তার চুরি, রাতে আতঙ্ক। ৩০ বছরেও ইটের সলিং হয়নি ভাঙ্গার শরিফারবাদ-ইদ্রিস মাতুব্বরের বাড়ি সড়কে, দুর্ভোগে এলাকাবাসী ২ লাখ টাকা যৌতুক না দেওয়ায় মিতুকে হত্যা যশোরে ২৭ হাজার পিস ইয়াবাসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী আটক

যশোর আইটি পার্কের হোটেল নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত চায় খান প্রপার্টিজ

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

শহিদ জয়, যশোর:যশোর আইটি পার্কের হোটেল ও সংশ্লিষ্ট স্থাপনা নিয়ে সম্প্রতি ওঠা বিভিন্ন অভিযোগের নিরপেক্ষ ও তথ্য-প্রমাণভিত্তিক তদন্ত দাবি করেছে খান প্রপার্টিজ গ্রুপ।
মঙ্গলবার সকালে প্রেসক্লাব যশোরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শামছুজ্জামান স্বজন এ দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, হোটেলকে ঘিরে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, স্বল্প সময়ের জন্য কক্ষ ভাড়া, গোপনে ছবি ও ভিডিও ধারণ এবং তা ব্যবহার করে ব্ল্যাকমেইলসহ বিভিন্ন অভিযোগ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল আইটি পার্ক পরিদর্শন করেছে বলেও জানান তিনি।
খান প্রপার্টিজের দাবি, ২০২২ সালে তারা যশোর আইটি পার্কের হোটেল প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হয়। সংস্কার, আসবাবপত্র ও সরঞ্জাম স্থাপন এবং কর্মীদের প্রশিক্ষণ শেষে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে হোটেলটির পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি। তাদের দাবি অনুযায়ী, এ সময়ে হোটেল থেকে প্রায় ৭ কোটি ৮৮ লাখ টাকা গ্রস আয়, ১ কোটি ২৬ লাখ টাকা সরকারি রেভিনিউ শেয়ারিং এবং প্রায় ৭০টি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, ২০২৬ সালের ২৭ জানুয়ারি কর্তৃপক্ষের নির্দেশে খান প্রপার্টিজকে সাময়িকভাবে হোটেল থেকে সরে যেতে বলা হয়। পরবর্তীতে তাদের আর পরিচালনায় ফিরতে দেওয়া হয়নি এবং অন্য একটি ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এ সময় তাদের বিভিন্ন সরঞ্জাম, নথি ও অন্যান্য সম্পদ হোটেল প্রাঙ্গণে রয়ে গেছে বলে দাবি করে প্রতিষ্ঠানটি।
খান প্রপার্টিজের পক্ষ থেকে বলা হয়, বর্তমান ব্যবস্থাপনার সময়ে সংঘটিত কোনো ঘটনা বা অভিযোগের দায় পূর্ববর্তী ব্যবস্থাপনার ওপর চাপিয়ে দেওয়া সমীচীন নয়। তাদের পরিচালনাকালে কোনো অনৈতিক বা বেআইনি কর্মকাণ্ডে প্রতিষ্ঠানটি জড়িত ছিল না বলেও দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বর্তমান ও পূর্ববর্তী ব্যবস্থাপনার সময়কাল পৃথক করে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, বর্তমান অপারেটরের কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং খান প্রপার্টিজের বিনিয়োগ, সরঞ্জাম ও অন্যান্য দাবির নথিপত্রভিত্তিক যাচাই ও নিষ্পত্তির দাবি জানানো হয়।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews