বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শ্যামনগরে গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক নির্ধারণে কর্মশালা ভাঙ্গায় গাছের চারা বিতরণ করল সাজেদা ফাউন্ডেশন সাফল্যের ধারাবাহিকতায় উজ্জ্বল ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজ যশোর মণিরামপুর ফাজিল মাদ্রাসার নতুন ভবনে অসংখ্য ফাটল,ঝুকিপূর্ণ ঘোষণা! নিখোঁজের তিন দিন পর কপোতাক্ষ নদে মিলল ভ্যানচালক একলাসের মরদেহ যশোরে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২৬ অনুষ্ঠিত বিপিএম-সেবা পদক পাওয়ায় গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপারকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ওসির খুলনা মহানগরীর ডেঙ্গু সংক্রমণের দিক থেকে সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ এলাকা– কেসিসি প্রশাসক মঞ্জু কেশবপুরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মাসিক সভা অনুষ্ঠিত প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

মণিরামপুরে পৈতৃক সম্পত্তি উদ্ধার: এসিল্যান্ডের রায়ে অধিকার ফিরে পেলেন স্কুল শিক্ষক

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬
  • ১৪৬ বার পড়া হয়েছে

বিএম সাব্বির হাসান:-যশোরের মণিরামপুর উপজেলায় পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের অবসান ঘটেছে। শরিকানা বণ্টন না করে অতিরিক্ত জমি জবরদখলে রাখার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় স্কুল শিক্ষক মো. নজরুল ইসলামের পক্ষে চূড়ান্ত রায় দিয়েছেন মণিরামপুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো: মাহির দায়ান আমিন। উপজেলা ভূমি অফিসের এই তাৎক্ষণিক ও সাহসী পদক্ষেপে জমিজমা সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের জটিল মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৯৩ নং গাংড়া মৌজার মূল খতিয়ান নং ১৫৪/১৩৭ ও নামজারি খতিয়ান ১৫৪/১/৩০৮-এর ৩, ৫, ৬ ও ৭ দাগের মোট ৫২ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, মৃত আব্দুল খালেকের শরিকানাভুক্ত পৈতৃক সম্পত্তিতে কোনো প্রকার আইনগত বণ্টননামা ছাড়াই একই এলাকার আ. আজিজ শেখের পুত্র মো. ইসমাইল হোসেন শরিকগণের নিকট থেকে অবৈধভাবে অতিরিক্ত জমি ক্রয় করেন এবং তা জোরপূর্বক দখলে রাখেন। এই সম্পত্তি নিয়ে পূর্বে আদালতে মামলা হলে আদালত নজরুল ইসলামের পক্ষে রায় প্রদান করেন। কিন্তু এরপরও বিবাদীপক্ষ প্রভাবশালী হওয়ায় জমি ছেড়ে দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছিল এবং ভুক্তভোগী পরিবারকে নানাভাবে হয়রানি করছিল। পরবর্তীতে কোনো উপায় না পেয়ে স্কুল শিক্ষক নজরুল ইসলাম জমির রেকর্ড সংশোধন ও নামজারির জন্য মণিরামপুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর আবেদন করেন।

‎উক্ত আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ১৪ মে (বৃহস্পতিবার) মণিরামপুর ভূমি অফিসে বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে একটি উন্মুক্ত ও চূড়ান্ত শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। কাগজপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই-বাছাই শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো: মাহির দায়ান আমিন জানান, ক্রয় সূত্রে শরিকগণ তাদের আইনগত প্রাপ্য জমির চেয়ে অতিরিক্ত জমি দলিল করে নিয়েছেন, যার কারণেই এই জটিলতার সৃষ্টি হয়েছিল। তিনি সমস্ত নথি ও আদালতের রায় পর্যালোচনা করে বিবাদী পক্ষের দাবি নাকচ করেন এবং স্কুল শিক্ষকের পক্ষে রেকর্ড সংশোধনের চূড়ান্ত আদেশ দেন। এদিকে ভূমি অফিসের এই যুগান্তকারী রায়ের পর আজ (১৬ মে) এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা এই জটিল মামলার দ্রুত ও সুষ্ঠু নিষ্পত্তি হওয়ায় ভুক্তভোগী স্কুল শিক্ষকের পরিবার তাদের পৈতৃক সম্পত্তির অধিকার ফিরে পেয়েছে। এসিল্যান্ডের এমন জনবান্ধব ও দ্রুত পদক্ষেপের কারণে মণিরামপুরের সাধারণ মানুষের মাঝে ভূমি অফিসের প্রতি আস্থা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। এই আদেশের পর ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সচেতন মহল সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো: মাহির দায়ান আমিনের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews