1. live@www.jashorebulletin.com : যশোর বুলেটিন : যশোর বুলেটিন
  2. info@www.jashorebulletin.com : যশোর বুলেটিন :
রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আদ-দ্বীন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন যবিপ্রবির ৮৫ ছাত্রীর মধ্যে সুস্থ হয়ে ক্যাম্পাসে ফিরেছেন ২৩ জন ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের দুই ডাক্তারকে শোকজের নির্দেশ তারেক রহমানের আগমন ঘিরে শার্শায় প্রস্তুতি সভায় প্রতিমন্ত্রী অমিত যশোরে চাঁদা না দেওয়ায় আ’লীগ কর্মীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম ডুমুরিয়ায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষ্যে চিত্রাঙ্কন ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত যশোর ইনস্টিটিউট পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন-২০২৬: বিপুল ভোটে জয়ী কবি কাসেমুজ্জামান সেলিম বাংলাদেশের দিকে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী বৃষ্টি বলয় ‘ঝুমুল’ প্রতিষ্ঠার ৬ বছর পূর্তিতে যশোর কমিউনিটির আলোচনা ও মানববন্ধন: সিটি কর্পোরেশন ঘোষণার জোর দাবি যশোরে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদে নিয়োগ শুরু, প্রথম দিনে শারীরিক মাপ ও কাগজপত্র যাচাই সম্পন্ন জ্বালানির পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

খুলনা ডুমুরিয়ায় ধানের দামের চেয়ে শ্রমিকের মজুরির মূল্যে বেশি

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৬৮ বার পড়া হয়েছে

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা: খুলনা‌ ২৪এপ্রিল শুক্রবার ডুমুরিয়াসহ বর্তমান সময়ের কৃষকদের একটি বড় কষ্টের প্রতিফলন। বর্তমান বাজারে ধানের দাম আর শ্রমিকের মজুরির মধ্যে যে অসামঞ্জস্য তৈরি হয়েছে, তা কৃষিকে এক কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে।
২০২৬ সালের বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করলে আপনার কথার সত্যতা পাওয়া যায়।
মজুরি বনাম ধানের দাম: ডুমুরিয়াসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা যাচ্ছে, এক মণ (৪০ কেজি) কাঁচা ধান বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায়। অথচ একজন শ্রমিকের একদিনের মজুরি দিতে হচ্ছে ৯০০ থেকে ১০০০ টাকা। অর্থাৎ, সারাদিন কাজ করার জন্য একজন শ্রমিককে যে টাকা দিতে হয়, তা এক মণ ধান বিক্রি করেও জোগাড় করা সম্ভব হচ্ছে না।
উৎপাদন খরচ: ডিজেল, সার এবং বীজের দাম বাড়ায় বর্তমানে এক মণ বোরো ধান উৎপাদনে কৃষকের খরচ পড়ছে প্রায় ১২০০ টাকার বেশি। সেই তুলনায় বাজারের বর্তমান দাম উৎপাদন খরচের চেয়েও অনেক কম, যা কৃষকদের বড় ধরনের লোকসানের মুখে ফেলছে।
সরকারি সংগ্রহ মূল্য: সরকার প্রতি কেজি ধানের সংগ্রহ মূল্য ৩৬ টাকা (মণ প্রতি ১৪৪০ টাকা) নির্ধারণ করেছে। কিন্তু এই সরকারি সংগ্রহ অভিযান শুরু হতে কিছুটা দেরি হওয়ায় (মে মাসের শুরু থেকে) প্রান্তিক কৃষকরা বাধ্য হয়ে কম দামে ফড়িয়া বা চাতাল মালিকদের কাছে ধান বিক্রি করে দিচ্ছেন।
মজুত করার সক্ষমতা: সম্ভব হলে ধান কাটার পরপরই সবটুকু বিক্রি না করে কিছু দিন ঘরে ধরে রাখা। সাধারণত মৌসুম শেষ হওয়ার ১-২ মাস পর ধানের দাম বাড়তে শুরু করে।
সমবায় ভিত্তিক বিপণন: কয়েকজন কৃষক মিলে দলগতভাবে সরাসরি বড় রাইস মিলে ধান সরবরাহ করলে ছোট ব্যবসায়ীদের তুলনায় ভালো দাম পাওয়া সম্ভব।
কৃষি কর্মকর্তাদের মতে, সরকার যদি সরাসরি প্রান্তিক কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনার পরিমাণ বাড়ায় এবং আধুনিক লজিস্টিক সাপোর্ট (যেমন: শস্য গুদাম) বৃদ্ধি করে, তবে এই সমস্যার দীর্ঘমেয়াদী সমাধান সম্ভব।
ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ নাজমুল হুদা জানান, প্রকৃত কৃষকদের কাছ থেকে ন্যায্যমূল্যে ধান সংগ্রহের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। আগ্রহী কৃষকরা চাইলে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে ধান বিক্রয় করতে পারবেন।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট