বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাফল্যের ধারাবাহিকতায় উজ্জ্বল ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজ যশোর মণিরামপুর ফাজিল মাদ্রাসার নতুন ভবনে অসংখ্য ফাটল,ঝুকিপূর্ণ ঘোষণা! নিখোঁজের তিন দিন পর কপোতাক্ষ নদে মিলল ভ্যানচালক একলাসের মরদেহ যশোরে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২৬ অনুষ্ঠিত বিপিএম-সেবা পদক পাওয়ায় গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপারকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ওসির খুলনা মহানগরীর ডেঙ্গু সংক্রমণের দিক থেকে সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ এলাকা– কেসিসি প্রশাসক মঞ্জু কেশবপুরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মাসিক সভা অনুষ্ঠিত প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বিজিবি কোটচাঁদপুরে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকার সড়ক সংস্কারে পুকুরচুরি: এলজিইডি কর্মকর্তাদের রহস্যজনক নীরাবতা।

যশোরের ঝিকরগাছায় মাদ্রাসা শিক্ষকের নির্মম প্রহার, ৩ দিন পর প্রকাশ্যে এলো ঘটনা

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬
  • ২২৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক ঝিকরগাছা, যশোর : যশোরের ঝিকরগাছা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত কৃষ্ণনগর মাক্কীনুর হাফেজী মাদ্রাসার এক আবাসিক ছাত্রকে বেত দিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়েছেন এক শিক্ষক। ঘটনা ঘটেছে গত মঙ্গলবার রাতে, তবে ভয়ভীতি দেখিয়ে তা চেপে রাখা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

কৃষ্ণনগর গ্রামের আলী আহম্মেদের ছেলে আরমান আহমেদ, বয়স ১৪। সে গত ৩ বছর ধরে এই মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্র।গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কাউকে না জানিয়ে বাইরে বের হওয়ার ‘অপরাধে’ মাদ্রাসার হাফেজ ইসলামুল হক আরমানকে বারান্দায় ধরে বেত দিয়ে মারতে শুরু করেন। এক পর্যায়ে বেত ভেঙে গেলে তিনি আরেকটি বেত এনে মারেন।মারার সময় রুমের অন্য ছাত্র আশিককে দিয়ে আরমানকে পিঠমোড়া করে চেপে ধরানো হয় বলে আরমানের ভাষ্য। মারার সময় হুজুর বলেন, “চাকরি না থাকলে না থাকবে, প্রয়োজনে জেলে যাবো তবুও তোকে মেরেই ফেলবো।” মারার পর কাউকে কিছু বলতে নিষেধ করা হয়। প্রচন্ড মার খেয়ে আরমানের জ্বর আসলেও কোনো ডাক্তার দেখানো হয়নি।

তিনদিন পর বিষয়টি জানতে পেরে আরমানের বাবা ও মামা তাকে মাদ্রাসা থেকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। বর্তমানে সে বাড়িতে চিকিৎসাধীন।

এ বিষয়ে জানতে সাংবাদিক পরিচয়ে অভিযুক্ত হাফেজ ইসলামুল হকের কাছে ফোন করা হলে তিনি “পরে কথা বলবেন” বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে স্থানীয়রা বলছেন, কোনো নীতিমালা না থাকায় ধর্মশিক্ষার নামে যত্রতত্র মাদ্রাসা খুলে অযোগ্য শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে কোমলমতি শিশুরা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। তারা অভিযুক্ত শিক্ষকের কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews