রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কেশবপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত ফরিদপুরের ভাঙ্গায় প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ভাঙ্গায় আলোচনা সভা, ঐক্য ও গণতন্ত্র রক্ষার আহ্বান মণিরামপুরে অপসাংবাদিকতার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও লিফলেট বিতরণ যশোরস্থ সাতক্ষীরা কল্যাণ সমিতির নির্বাহী সদস্য মোজাফফার হোসেনকে বিদায় সংবর্ধনা যবিপ্রবিতে নানা আয়োজনে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপিত শ্যামনগরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত যশোর হামিদপুর আল-হেরা কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত ছয় বছরের পথচলায় মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত রাতদিন নিউজ, বর্ণাঢ্য আয়োজনে অর্ধযুগ পূর্তি উৎসব জনগণকে মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে হবে, অতিরিক্ত টাকা নেওয়া যাবে না: প্রতিমন্ত্রী অমিত

যশোরের ঝিকরগাছায় মাদ্রাসা শিক্ষকের নির্মম প্রহার, ৩ দিন পর প্রকাশ্যে এলো ঘটনা

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬
  • ২৭৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক ঝিকরগাছা, যশোর : যশোরের ঝিকরগাছা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত কৃষ্ণনগর মাক্কীনুর হাফেজী মাদ্রাসার এক আবাসিক ছাত্রকে বেত দিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়েছেন এক শিক্ষক। ঘটনা ঘটেছে গত মঙ্গলবার রাতে, তবে ভয়ভীতি দেখিয়ে তা চেপে রাখা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

কৃষ্ণনগর গ্রামের আলী আহম্মেদের ছেলে আরমান আহমেদ, বয়স ১৪। সে গত ৩ বছর ধরে এই মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্র।গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কাউকে না জানিয়ে বাইরে বের হওয়ার ‘অপরাধে’ মাদ্রাসার হাফেজ ইসলামুল হক আরমানকে বারান্দায় ধরে বেত দিয়ে মারতে শুরু করেন। এক পর্যায়ে বেত ভেঙে গেলে তিনি আরেকটি বেত এনে মারেন।মারার সময় রুমের অন্য ছাত্র আশিককে দিয়ে আরমানকে পিঠমোড়া করে চেপে ধরানো হয় বলে আরমানের ভাষ্য। মারার সময় হুজুর বলেন, “চাকরি না থাকলে না থাকবে, প্রয়োজনে জেলে যাবো তবুও তোকে মেরেই ফেলবো।” মারার পর কাউকে কিছু বলতে নিষেধ করা হয়। প্রচন্ড মার খেয়ে আরমানের জ্বর আসলেও কোনো ডাক্তার দেখানো হয়নি।

তিনদিন পর বিষয়টি জানতে পেরে আরমানের বাবা ও মামা তাকে মাদ্রাসা থেকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। বর্তমানে সে বাড়িতে চিকিৎসাধীন।

এ বিষয়ে জানতে সাংবাদিক পরিচয়ে অভিযুক্ত হাফেজ ইসলামুল হকের কাছে ফোন করা হলে তিনি “পরে কথা বলবেন” বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে স্থানীয়রা বলছেন, কোনো নীতিমালা না থাকায় ধর্মশিক্ষার নামে যত্রতত্র মাদ্রাসা খুলে অযোগ্য শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে কোমলমতি শিশুরা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। তারা অভিযুক্ত শিক্ষকের কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews