1. live@www.jashorebulletin.com : যশোর বুলেটিন : যশোর বুলেটিন
  2. info@www.jashorebulletin.com : যশোর বুলেটিন :
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যশোরে মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়া আশিক নামে এক যুবকের উপর হামলার অভিযোগ কেশবপুরে মেয়ের আঘাতে মায়ের মৃত্যু ঝিনাইদহ সদর বারোয়ারী পূজা মন্দিরে বাজুস-এর সাধারণ সভা ও মন্দির সংস্কার নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবসের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী রূপপুর কেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যুক্ত হবে আগস্টে: তথ্য উপদেষ্টা জুজুর ভয় দেখিয়ে দেশের মানুষকে পিছিয়ে রাখা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী ঝিনাইদহে সাংবাদিককে ‘মিথ্যা মামলায়’ কারাগারে পাঠানোর অভিযোগে বিক্ষোভ সমাবেশ শার্শার উলাশীর জিয়ার খাল পুনঃখনন প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আদ-দ্বীন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন যবিপ্রবির ৮৫ ছাত্রীর মধ্যে সুস্থ হয়ে ক্যাম্পাসে ফিরেছেন ২৩ জন ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের দুই ডাক্তারকে শোকজের নির্দেশ

কেশবপুরের তীব্র লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫৩ বার পড়া হয়েছে

আবুজার গিফারী (স্টাফ রিপোর্টার):যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার পল্লী বিদ্যুতের ঘনঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। অভিযোগ রয়েছে, দিনে ও রাতের বেশিরভাগ সময়ই বিদ্যুৎ থাকে না বলে অভিযোগ করছেন সাধারণ মানুষ। সন্ধ্যা নামলেই অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ছে বেশিরভাগ এলাকা।

স্থানীয়রা জানান, দিন-রাতে মিলিয়ে ৬-৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকার ঘটনা প্রায় নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে এখানে। কখনো বিদ্যুৎ এলেও তা ৪৫-১ ঘন্টার বেশি স্থায়ী হয় না। ফলে ঘরোয়া কাজ থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্য- সবখানেই বিরূপ প্রভাব পড়ছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা, বিশেষ করে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার্থীরা।
উপজেলার বেতীখোলা গ্রামের বাসিন্দা ওলিয়ার রহমান বলেন, আগে বিদ্যুতের সেবা মোটামুটি ভালো ছিল। কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ। কয়েকদিন ধরে টানা বিদ্যুৎ ব্যবহার করা যাচ্ছে না। বাস্তবে দিনে ১২ ঘণ্টার মতো বিদ্যুৎ থাকে না।
দাখিল পরীক্ষার্থী নাজমুল হোসেন জানায়, আমাদের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছে । কিন্তু গত দুই মাস ধরে বিদ্যুতের সমস্যা এতটাই বেশি যে সন্ধ্যার পর পড়াশোনা করা সম্ভব হচ্ছে না। রাতে অন্তত এক-দুই ঘণ্টা টানা বিদ্যুৎ থাকলেও কিছুটা প্রস্তুতি নিতে পারতাম।
একই ধরনের অভিযোগ করেন নারায়পুর গ্রামের লিমন হোসেন ইউনিয়নের কৃষক দলের সভাপতি । তিনি বলেন, ‘আমি নিজেও পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক। গত এক মাস ধরে দিনের বেলায় তো বিদ্যুৎ থাকেই না, সন্ধ্যার পরও ক্ষণিকের জন্য এসে আবার চলে যায়। শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আমার এলাকায়।’
স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যুৎ লাইনে বা ট্রান্সফরমারে সমস্যা দেখা দিলেও তা দ্রুত সমাধান করা হয় না। অভিযোগ কেন্দ্রে যোগাযোগ করেও তাৎক্ষণিক সাড়া পাওয়া যায় না। ফলে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎবিহীন থাকতে হয়। এ পরিস্থিতিতে এলাকাবাসী দ্রুত বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নয়ন ও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।,
এদিকে, পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষও বিদ্যুতের এ সমস্যার কথা স্বীকার করছে। পাঁজিয়া অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ বলেন, শুধু পাজিয়া সাব স্টেশনের আন্ডারে গ্রাহকরা নয়, পুরো কেশবপুর অঞ্চলে একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বর্তমানে গড়ে ৪০-৪৫ শতাংশ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে। ফলে ৫৫-৬০ শতাংশ সময় লোডশেডিংয়েই থাকতে হচ্ছে। এছাড়া, বিকল্প উপায় নেই। তিনি আরও বলেন, ভৌগোলিক অবস্থান ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক সময় দ্রুত সেবা দেওয়া সম্ভব হয় না, যার ফলে ভোগান্তি আরও বাড়ছে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট