বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শার্শা উপজেলা ও বেনাপোল পৌর যুবদলের উদ্যোগে অপপ্রচার ও শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে বর্ণাঢ্য প্রতিবাদ মিছিল ও পথসভা মণিরামপুরে যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল এএসআই নিয়োগে স্বচ্ছতা ও মেধার ওপর জোর, গোপালগঞ্জে পুলিশের ব্রিফিং উপশাখা ভিত্তিক ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর ফাইনাল অনুষ্ঠিত, চ্যাম্পিয়ন পাঁজিয়া উপশাখা ‎৪৯ বিজিবির অভিযানে ৭ লক্ষ টাকার গাঁজা ও অবৈধ মালামালসহ আটক-২ পাওনা টাকা চাওয়ায় ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে জখম, হাসপাতালে ভর্তি বেনাপোল ইমিগ্রেশনে ল্যাগেজ বাণিজ্যে: নেপথ্যে কামাল-সাদ্দাম সিন্ডিকেট যশোরে যুবককে মারধর ও বিদ্যুৎস্পৃষ্টের ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মিছিল থেকে দুইজন আটক ভামিয়া বনবিবিতলা গ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে শ্যামনগরে মানববন্ধন

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনে একমত জামায়াত

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫
  • ৪৮৫ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের জানিয়েছেন আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতে হওয়ার ব্যাপারে তাদের কোন আপত্তি নেই।

তিনি বলেন, একটি দলকে প্রাধান্য দিয়ে বৈষম্য তৈরি করা হচ্ছে, যা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের জন্য কঠিনতম অন্তরায়। এটা নির্বাচনের আগে ঠিক করতে হবে। এছাড়া জুলাই চার্টার না করেই নির্বাচনের ট্রেন ছেড়ে দেয়াটা এক ধরনের ভুল সিদ্ধান্ত।

আজ রোববার বিকেল প্রধান উপদেষ্টার রাষ্ট্রীয় বাসভবন যমুনায় জামায়াত প্রতিনিধি দলের সঙ্গে  বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের। বৈঠকে জামায়াতের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন তিনি। প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান ও ড. হামিদুর রহমান আযাদ।

ডা. তাহের বলেন, দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামের পর স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের শুধু পতনই হয়নি, তারা দেশ থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। এই ঘটনায় দেশে একটি গুণগত পরিবর্তন আমরা আশা করেছিলাম। প্রধান উপদেষ্টা একটি বিষয়ে জাতিকে আশ্বস্ত করেছেন। সেটা হচ্ছে উনি রিফর্ম করবেন, কিছু কিছু বিষয়ে সংস্কার করবেন, দৃশ্যমান বিচার করবেন। কিন্তু আজকে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে আমরা সন্দিহান হয়ে পড়েছি।

তিনি বলেন, ঐকমত্য কমিশনে আমরা যারা ছিলাম, তার মধ্যে ২৫টি দল পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চায়। যেহেতু অধিকাংশ দল পিআর চায়, সেহেতু এটা দিতে হবে। সংখ্যাগরিষ্ঠকে অবজ্ঞা করে যদি পিআর না দেয়া হয়, তাহলে আমরা নির্বাচনী ট্রেন মিসও করতে পারি। ১৯টা বিষয়ে আমরা যে ঐকমত্য হয়েছি, সেগুলোর অন্তত সুরাহা করা যেতো। এ ছাড়া অনেকগুলো বিষয়ে সব দল ঐকমত্য পোষণ করলেও দু-একটি দল কোনো কোনো ইস্যুতে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টা তিনটি বিষয়ে জাতিকে আশ্বস্ত করেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, কিছু বিষয়ে সংস্কার, দৃশ্যমান বিচার এবং বিশ্বমানের আনন্দঘন একটি নির্বাচন হবে। আমাদের কথা খুব পরিষ্কার, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল তার কর্মীদের দায়িত্ব নিতে হবে।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত (আনফরচুনেটলি) অল্প সংখ্যক দল আমাদের ঐকমত্য পোষণের ইস্যুর বাস্তবায়নে কিছুটা বাধার সৃষ্টি করছে। তারা বলছেন, আগামী নির্বাচিত সরকার এসে এগুলো বাস্তবায়ন করবে। আগামী নির্বাচিত সরকার যদি বাস্তবায়ন করে তবে এখানে আমরা ঐকমত্য করলাম কেন?’

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews