বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শার্শা উপজেলা ও বেনাপোল পৌর যুবদলের উদ্যোগে অপপ্রচার ও শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে বর্ণাঢ্য প্রতিবাদ মিছিল ও পথসভা মণিরামপুরে যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল এএসআই নিয়োগে স্বচ্ছতা ও মেধার ওপর জোর, গোপালগঞ্জে পুলিশের ব্রিফিং উপশাখা ভিত্তিক ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর ফাইনাল অনুষ্ঠিত, চ্যাম্পিয়ন পাঁজিয়া উপশাখা ‎৪৯ বিজিবির অভিযানে ৭ লক্ষ টাকার গাঁজা ও অবৈধ মালামালসহ আটক-২ পাওনা টাকা চাওয়ায় ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে জখম, হাসপাতালে ভর্তি বেনাপোল ইমিগ্রেশনে ল্যাগেজ বাণিজ্যে: নেপথ্যে কামাল-সাদ্দাম সিন্ডিকেট যশোরে যুবককে মারধর ও বিদ্যুৎস্পৃষ্টের ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মিছিল থেকে দুইজন আটক ভামিয়া বনবিবিতলা গ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে শ্যামনগরে মানববন্ধন

মুক্তেশ্বরী নদী দখলমুক্ত ও বিল হরিণার  জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে উপদেষ্টা  বরাবর স্মারকলিপি

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৮৬ বার পড়া হয়েছে
 যশোর অফিস : মুক্তেশ্বরী নদী দখলমুক্ত ও বিল হরিণার জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে একাট্টা এলাকাবাসী পানিসম্পদ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে। বুধবার দুপুরে যশোরের জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে বিল হরিনা বাঁচাও আন্দোলন’র ব্যানারে এই স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
স্মারকলিপিতে এলাকাবাসী মুক্তেশ্বরী নদী দখলমুক্ত ও বিল হরিণার জলাবদ্ধতা নিরসনে ১১ দফা দাবি উপস্থাপন করেছে। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, বিল হরিণার পানি নিস্কাশনের পথ ভাতুড়িয়া পূর্বপাড়া মুক্তেশ্বরী নদীর ব্রিজের উত্তরে মাটি ভরাট করে পস্নট আকারে বিক্রির অপচেষ্টা বন্ধ করে দখল উচ্ছেদ করতে হবে। সম্পূর্ণ মুক্তেশ্বরী নদী দখলমুক্ত ও সিএস রেকর্ড অনুযায়ী নদীর সীমানা পুনঃনির্ধারণ পূর্বক স্থায়ীভাবে পিলার স্থাপন করতে হবে। অবৈধ দখল মুক্ত করতে হবে এবং হরিণা বিলের ধানসহ অন্যান্য ফসল কৃষকের বাড়িতে পরিবহনের জন্য মুক্তেশ্বরী নদী ও খালের উভয় পাশে রা¯ত্মা নির্মাণ করতে হবে। মুক্তেশ্বরী নদীর ম্যাপ অনুযায়ী রেকর্ড করে সেই অনুযায়ী খনন ও জিয়া খালের সংযোগ রেকর্ডভূক্ত করতে হবে। জিয়া খাল (চাঁচড়া দড়্গণি পাড়া থেকে শুরম্ন করে ঢাকুরীয়া পর্যন্ত) পুনঃখনন করে এটাকে সরকারি খালের আওতায় এনে রেকর্ডভুক্ত করতে হবে। বিল হরিনার তিনটি শাখা খাল ত্রিকিন নালা, সিক্বের নালা ও হরের নালা পুনঃখনন ও দখল মুক্ত করতে হবে। বিল এলাকার ব্রিজসমূহ উচু ও প্রশ¯ত্ম করে পুনঃনির্মাণ ও ব্রিজের দুই পাশের খালসমূহ উদ্ধার করতে হবে। জিয়া খালের উপর ব্রিজ পুনঃনির্মাণ করতে হবে। মুক্তেশ্বরী নদী দখল ও বিল হরিণার জলাবদ্ধতায় প্রকৃত ড়্গতিগ্র¯ত্ম কৃষকের ড়্গতিপূরণ দিতে হবে। দীর্ঘ জলাবদ্ধতার কারণে পরিবেশগত যে, বিপর্যয় হয়েছে তা নিরূপণের লড়্গ্েয দ্রম্নত পরিবেশ বান্ধব পদড়্গপে গ্রহণ করতে হবে। মুক্তেশ্বরী নদী, জিয়া খালসহ অন্যান্য খালে সকল পাটা দ্রম্নত অপসারণ করতে হবে।
স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, জলাবদ্ধতার কারণে মুক্তেশ্বরী নদীর আওতাভুক্ত বিল হরিণার প্রায় ৩ হাজার ৭শত বিঘা জমিতে কোন আবাদ হয় না। এখানে ফসলের আর্থিক ড়্গতি হয়েছে (কৃষক, ভূমিহীন ড়্গতে মজুর, প্রকৃত মৎসচাষী ও মৎসজীবী) দশ কোটি কোটি টাকা। স্মারকলিপি গ্রহণ করে যশোরের জেলা প্রশাসক মো. আজাহারম্নল ইসলাম যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন।
স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন’র (বাপা) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও যশোরে আহবায়ক খন্দকার আজিজুল হক মনি, বিল হরিনা বাঁচাও আন্দোলনের আহ্বায়ক শেখ রাকিবুল ইসলাম নয়ন, অধ্যড়্গ পাভেল চৌধুরী, বাপা জেলা কমিটির সদস্য সচিব আবু সাইদ মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, যুগ্ম আহবায়ক শাহজাহান নান্নু, যশোর সাংবাদিক ইউনিয়ন জেইউজে’র সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন প্রমুখ।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews