শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যশোরস্থ সাতক্ষীরা কল্যাণ সমিতির নির্বাহী সদস্য মোজাফফার হোসেনকে বিদায় সংবর্ধনা যবিপ্রবিতে নানা আয়োজনে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপিত শ্যামনগরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত যশোর হামিদপুর আল-হেরা কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত ছয় বছরের পথচলায় মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত রাতদিন নিউজ, বর্ণাঢ্য আয়োজনে অর্ধযুগ পূর্তি উৎসব জনগণকে মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে হবে, অতিরিক্ত টাকা নেওয়া যাবে না: প্রতিমন্ত্রী অমিত নড়াইলের লোহাগড়ায় ছেলের হাতে বাবা খুন এস এফ ট্রাভেলসের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কোটি টাকার হজ্ব প্রতারণার অভিযোগ, থানায় অভিযোগ দায়ের ১৬ বছর পর চট্টগ্রামে ধরা পড়ল খুলনার হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি যশোর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে সাড়ে ৩ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

যশোর বোর্ডের পরীক্ষা শাখায় কর্মকর্তা-কর্মচারীর অবাধ প্রবেশ বন্ধ হলো

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১ জুন, ২০২৫
  • ২৮৫ বার পড়া হয়েছে
যশোর অফিস : যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা শাখার কক্ষগুলো ডিজিটাল সিস্টেমের আওতায় আনা হয়েছে। এতে করে শাখার কক্ষে বোর্ড চেয়ারম্যান, সচিব ,পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও যারা সেখানে কাজ করেন, তারা ছাড়া অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রবেশ করতে পারবেন না। এর আগে এসব কক্ষে অফিসের যেকোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী অবাধে আসা যাওয়া করতে পারতেন।
বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী কামাল হোসেন জানান, অফিসের দোতলার উত্তর পাশের পাঁচটি কক্ষে পরীক্ষা সংক্রান্ত কাজ করা হয়। কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে ওএমআর শিট (নম্বরপত্র) স্ক্যান ও প্রশ্নপত্র রাখা। সেখান থেকে ওএমআর শিট স্ক্যান করে ফলাফল প্রকাশ করা হয়। সেই সাথে প্রশ্নপত্র প্যাকেট কেন্দ্রে পাঠানো হয়। কক্ষগুলোতে যদি চলাচলে বিধি নিষেধ না থাকে, তাহলে পরীক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে গোপনীয়তা বাইরে প্রকাশ পাবে। তখন বোর্ড কর্তৃপক্ষ পড়বে বিপদে।
এ কারণে পরীক্ষা শাখার পাঁচটি পাঁচটি কক্ষ ডিজিটাল সিস্টেমের কন্ট্রোলের আওতায় আনা হয়েছে। কক্ষগুলোর সামনে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। লাগানো হয়েছে একসেপ্ট কন্ট্রোল দরজা। দরজার ফিঙ্গার প্রিন্টের মেশিনে যাদের ফিঙ্গার প্রিন্টের ডাটাবেজ সেভ থাকবে। তারা কক্ষগুলোয় প্রবেশ করতে পারবেন। এর মধ্যে রয়েছে বোর্ড চেয়ারম্যান, সচিব, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও সেখানে কাজে নিয়োজিত কর্মচারী।
এর বাইরে উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, উপসচিব, সহকারী সচিবসহ অন্য কোনও কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রবেশ করতে পারবেন না। আর যারা পরীক্ষা শাখায় পরীক্ষা সংক্রান্ত গোপনীয় কাজের সাথে জড়িত আছে, তাদের মোবাইল ফোন ব্যবহার পুরোপুরিভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মোবাইল ফোন ব্যবহার করলে প্রশ্নপত্র বাইরে ফাঁস হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
এ ব্যাপারে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. আব্দুল মতিন বলেন, পরীক্ষা শাখার কক্ষগুলোয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা জরুরি। সেখানে গুরুত্বপূর্ণ গোপনীয় কাজ করা হয়। যে কাজ বাইরে প্রকাশ পেলে বড় সমস্যা হবে। কর্মকর্তা-কর্মচারী অবাধে চলাচল করাও ঠিক নয়। এ কারণে পরীক্ষা শাখার পাঁচটি কক্ষ ডিজিটাল সিস্টেমের কন্ট্রোলের আওতায় আনা হয়েছে। কোন কর্মচারী কখন কক্ষে প্রবেশ করছেন, আবার বাইরে যাচ্ছেন- সেটাও জানা যাবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews