শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বেনাপোলে গভীর রাতেও বিদ্যুৎহীন ৫, ৬ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ড, চরম ভোগান্তিতে পৌরবাসী ঈদে মিলাদুন্নবী(সাঃ) উদযাপন উপলক্ষে শ্যামনগরে র‍্যালি ও দোয় অনুষ্ঠিত জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন, এম এম কলেজে ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ মণিরামপুরে ধর্মীয় ভাব গাম্ভীর্যে ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন যশোর সীমান্তে বিজিবির অভিযান: ৭ লাখ ৫ হাজার টাকার মাদক ও চোরাচালান পণ্য আটক কঠোর অবস্থানে মণিরামপুর উপজেলা প্রশাসন! জহুরপুর রামগোপাল বহুমুখী বিদ্যা প্রতিষ্ঠানে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপিত যশোরে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল যবিপ্রবিতে খালেদা জিয়ার ভিত্তিপ্রস্তর ভাঙচুর, বহাল গাড়িচালক সাহেব আলী খাজুরা পুলিশ ক্যাম্পের অভিযানে ৩ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি আটক

বেনাপোলে গভীর রাতেও বিদ্যুৎহীন ৫, ৬ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ড, চরম ভোগান্তিতে পৌরবাসী

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে

শাহাবুদ্দিন আহামেদ, বেনাপোল:যশোরের বেনাপোল পৌরসভার ৫, ৬ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ঘন ঘন ও দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ লোডশেডিংয়ের অভিযোগ উঠেছে। দিন-রাত মিলিয়ে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় শিশু, বৃদ্ধ, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বেনাপোল সাব-জোনাল অফিসে নতুন সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (এজিএম-ওএন্ডএম) মো. মনজুরুল ইসলাম দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এসব এলাকায় লোডশেডিংয়ের মাত্রা বেড়েছে। অনেক সময় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রায় ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকে না বলেও অভিযোগ তাদের।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দিন-রাত বিদ্যুৎ না থাকায় ভোগান্তি আরও তীব্র আকার ধারণ করে। বিশেষ করে গভীর রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় গরমের মধ্যে শিশু ও বয়স্কদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাও ব্যাহত হচ্ছে বলে জানান স্থানীয়রা।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎ না থাকায় তাদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ এটিকে ইচ্ছাকৃত লোডশেডিং বলেও অভিযোগ করছেন। তবে এ অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
বিদ্যুৎ সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে বেনাপোল পল্লী বিদ্যুতের অভিযোগ নম্বরে যোগাযোগ করা হলে আব্দুল আহাদ জানান, লোডশেডিং চলছে এবং এক ঘণ্টা পর বিদ্যুৎ পাওয়ার কথা রয়েছে। পাশাপাশি প্রতি দুই ঘণ্টা পরপর লোডশেডিং হতে পারে বলেও তিনি জানান।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে বেনাপোল সাব-জোনাল অফিসের নতুন সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (এজিএম-ওএন্ডএম) মো. মনজুরুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি লোডশেডিংয়ের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, “লোডশেডিং চলছে, কিন্তু আমি লোডশেডিং দিই না। গ্রিড থেকে দেওয়া হয়।” এ সময় তিনি প্রতিবেদককে বলেন, “আপনারা লেখালিখি করেন।”
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, বিদ্যুৎ সংক্রান্ত অভিযোগ নম্বরে ফোন করলে অনেক সময় সেটি ব্যস্ত পাওয়া যায়। দীর্ঘ চেষ্টার পর সংযোগ পাওয়া গেলেও দায়িত্বে থাকা কর্মীদের কাছ থেকে কাঙ্ক্ষিত সহযোগিতা পাওয়া যায় না বলেও অভিযোগ করেছেন তারা। তাদের দাবি, অনেক ক্ষেত্রে গ্রাহকদের বিস্তারিত তথ্য না দিয়ে শুধু “লোডশেডিং” বলা হয়।
এলাকাবাসীর দাবি, বিদ্যুৎ সরবরাহের বর্তমান পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করার পাশাপাশি কোন কারণে কোন এলাকায় কতক্ষণ লোডশেডিং হচ্ছে, তা জনসম্মুখে পরিষ্কার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অভিযোগ গ্রহণ ও গ্রাহকসেবা আরও দায়িত্বশীল ও কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
তবে লোডশেডিংয়ের নির্দিষ্ট কারণ ও ৫, ৬ এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ডে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকার বিষয়ে বেনাপোল পল্লী বিদ্যুতের দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের কোনো লিখিত বক্তব্য প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে দ্রুত বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে—এমন প্রত্যাশা স্থানীয় বাসিন্দাদের।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews