বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বই ও গাছই পরম বন্ধু’: চৌগাছায় ২৫০ শিক্ষার্থীর হাতে সবুজ উপহার ভাঙ্গায় ১০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ,পায়রাসহ চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত ডুমুরিয়ায় ইউআরসি অফিসার মোসলেম আলীর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ কেশবপুরে হারিয়ে যেতে বসা মাটির শিল্পে এখনো বেঁচে আছে বাংলার ঐতিহ্য যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত সাংবাদিক মোঃ শিহাব উদ্দিনের বড় ছেলে ইসমাইলের ১৭তম জন্মদিন কোটচাঁদপুরের সাংবাদিকতায় নক্ষত্রপতন, না ফেরার দেশে শেখ নজরুল ইসলাম ভাঙ্গা থানায় পরিত্যক্ত মোটরসাইকেল ও পিকআপ, মালিকের সন্ধান চায় পুলিশ শ্যামনগরে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

৪৭তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে প্রথম কেশবপুরের সন্তান বাচ্চু রহমান

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬
  • ১৫৭ বার পড়া হয়েছে

ইমরান হোসেন, কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: শৈশবের স্বপ্ন ছিল পুলিশের ইউনিফর্ম পরার। বাবা ছিলেন আনসার বাহিনীর সদস্য। বাবার ইউনিফর্ম, বুট ও বেল্ট নিয়েই খেলতে খেলতে বড় হওয়া সেই শিশুই আজ ৪৭তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে প্রথম হয়ে স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন।

যশোরের কেশবপুর উপজেলার কানাইডাঙ্গা গ্রামের নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান বাচ্চু রহমান। তাঁর বাবা নজরুল ইসলাম আনসার বাহিনীর সদস্য এবং মা বিলকিস বেগম গৃহিণী। সীমিত সামর্থ্যের সংসারেও ছেলের শিক্ষার স্বপ্ন পূরণে কোনো কমতি রাখেননি তাঁর বাবা-মা।

বাচ্চু রহমান কানাইডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং পাঁজিয়া মহাবিদ্যালয় থেকে এইচএসসি পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগে ভর্তি হন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি জানতে পারেন, বিসিএসের মাধ্যমে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হওয়া যায়। তখন থেকেই পুলিশ ক্যাডারে যোগ দেওয়ার লক্ষ্য স্থির করেন।

তবে সাফল্যের পথ সহজ ছিল না। ৪৫তম বিসিএসে প্রিলিমিনারি পরীক্ষাতেই বাদ পড়েন তিনি। কিন্তু ব্যর্থতায় ভেঙে না পড়ে আরও দৃঢ় সংকল্প নিয়ে প্রস্তুতি চালিয়ে যান। পরবর্তীতে ৪৯তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশ পান। অবশেষে ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফলে পুলিশ ক্যাডারে প্রথম স্থান অর্জন করে গড়েন অনন্য দৃষ্টান্ত।

বাচ্চু রহমান জানান, নিয়মিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পত্রিকা পড়তেন। নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, মাদক ও সাইবার অপরাধের সংবাদ তাঁকে গভীরভাবে নাড়া দিত। মানুষের সবচেয়ে কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয় থেকেই তিনি পুলিশ ক্যাডারকে নিজের কর্মজীবনের লক্ষ্য হিসেবে বেছে নিয়েছেন।

তিনি বলেন, “পদ বা পদবি নয়, একজন সৎ, দক্ষ ও মানবিক পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে মানুষের আস্থা অর্জন করাই আমার সবচেয়ে বড় লক্ষ্য।”

কেশবপুরের এই কৃতী সন্তানের অসাধারণ অর্জনে এলাকায় আনন্দের আবহ সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর এ সাফল্য নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews