
এস এম তাজাম্মুলঃ সোস্যাল মিডিয়ায় মেটা ভেরিফাইয়েড কয়েকটি ফেইসবুক আইডি সহ বেশ কয়েকটি আইডি হতে আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিকৃত এক মহিলা আসামিকে গ্রেফতারের তথ্য বিকৃতকারে উপস্থাপনে মণিরামপুর থানা পুলিশের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ রটানোর অভিযোগ উঠেছে ক্ষমতাসীন স্থানীয় আ’লীগের অংগ সংগঠনের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। রবিবার (৭ই জুন) দুপুরের পরপরই শুরু হওয়া অপপ্রচার করা পোস্টে দাবী করা হয়,যে মণিরামপুর উপজেলা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ মাহামুদুল হাসান রকিকে তার বাড়িতে না পেয়ে তার মাকে গ্রেফতার করেছে মণিরামপুর থানা পুলিশ।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে থানা পুলিশকে অপবাদ দিয়ে রকিকে না পেয়ে তার মাকে গ্রেফতার করায় প্রশাসনকে দেখে নেওয়ার হুমকি ও থানা পুলিশের এ কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ এবং ন্যাক্কারজনক বলে আখ্যায়িত করে পোস্ট শেয়ার করার মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে হেয় করা আইনের চোখে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির সমতূল্য অপরাধ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তরের উর্ধতন কর্মকর্তারা।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের এ ব্যার্থ প্রচেষ্টা করা কয়েকটি আইডির পাশাপাশি কয়েকজন গণমাধ্যম কর্মীর করা সঠিক তথ্য সম্বলিত পোস্ট শেয়ারের পর হতে রাজনৈতিক,সামাজিক এমনকি সচেতন মহলের ব্যাক্তি বর্গরা সাধারণ মানুষকে গুজব থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করেছে।
এ নিয়ে পরিষ্কার বার্তা দিয়ে নিজেদের শক্ত অবস্থানে রেখে সংশ্লিষ্ট চিহ্নিত আইডির হোল্ডারদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছে মণিরামপুর থানা পুলিশ। তথ্য সূত্র বলছে, শনিবার(৭ই জুন) বিকালে ২০২৪ সালের একটি চেক জালিয়াতি মামলায় পৌরশহরের মোহনপুর ওয়ার্ডের মোঃ সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের উপজেলা সভাপতি মাহামুদুল হাসান রকির মায়ের বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেফতারী পরোয়ানা থাকায় তাকে গ্রেফতার করে থানা পুলিশ। সন্ধার পরপরই এই সংবাদটি ফেইসবুকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী যুবলীগ,ছাত্রলীগের কয়েকটি আইডি হতে সম্পূর্ণ মিথ্যা প্রচারে মণিরামপুর থানা পুলিশকে অপবাদ দিয়ে অপপ্রচারে নিউজ ফিডে অপরাধীরা উল্লেখ করে,ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ মাহমুদুল হাসান রকিকে তার বাড়িতে না পেয়ে পুলিশ তার গর্ভধারিণী মা লিলি বেগমকে গ্রেফতার করে নিয়ে গেছে। যে সমস্ত আইডি হতে থানা পুলিশকে হেয় করা পোস্ট শেয়ার করেছে তার বিপরীতে থানা পুলিশের অবস্থানকে সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা দিয়ে যশোর জেলা ও মণিরামপুর উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন অংগ সংগঠনের নেতা-কর্মীরাও গুজবে বিভ্রান্ত না হতে আহবান জানাই। যা জনমনে ইতিমধ্যে সমালোচনা শেষে ইতিবাচক প্রভাব বিস্তার করছে।
এ ধরনের অপ প্রচার প্রশাসনকে হেয় করার পাশাপাশি জনমনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তার থেকে বেশি প্রবাভ বিস্তার করে চলমান সরকার ব্যবস্থার উপর,এ ধরনের অপরাধে যে বা যারা সম্পৃক্ত আছে তাদের বিরূদ্ধে ব্যবস্থা নিবে বলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে মণিরামপুর থানা পুলিশে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আবু সাঈদ।
এ বিষয়ে পুলিশের সাইবার টিম আইডি গুলোর বিষয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশের নির্ভরযোগ্য বিশ্বস্ত সূত্র মাধ্যম।