সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০২:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পৌর মেয়র পদপ্রার্থী – ০২ ‎মাদকমুক্ত পরিছন্ন পৌরসভা গড়তে চাই আসাদুজ্জামান মিন্টু নড়াইলে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা কেশবপুরে বিক্ষোভ মামলায় আওয়ামী লীগের ২ নেতা গ্রেফতার বেনাপোল স্থলবন্দরে বৃক্ষরোপন কর্মসুচীর উদ্বোধন করলেন বন্দর পরিচালক শান্তি, সুশাসন ও অপরাধমুক্ত ঝিনাইদহ গড়ার প্রত্যয়ে সাংবাদিকদের সাথে নবাগত পুলিশ সুপারের মতবিনিময় সভা ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা আখ্যা দেওয়ার প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে মানববন্ধন প্রধানমন্ত্রী আজ মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হবেন ডুমুরিয়ায় সরকারি রাস্তা দখল করে ভাড়াটিয়া দোকানদারদের পসরা: চরম ভোগান্তিতে চালক ও সাধারণ মানুষ যশোরে আসুদ: ষড়যন্ত্র করে জাতীয় পার্টিকে শেষ করা যাবে না শ্যামনগরে নদীতে মাছ ধরতে যেয়ে বজ্রপাতে নিহত ১

যশোরে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে শ্যালিকাকে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬
  • ৩২০ বার পড়া হয়েছে

নিজেস্ব প্রতিবেদক: যশোরের মণিরামপুর থানায় এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে তার শ্যালিকাকে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ, যৌন হয়রানি ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী কিশোরী নিজে মণিরামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ (এজাহার) দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী সামিয়া আফরুজ (১৭) বর্তমানে রংপুর বর্ডারগার্ড কলেজে ইন্টারমিডিয়েট প্রথম বর্ষে অধ্যয়নরত। অভিযুক্ত ডা. মোঃ রাফসান জানি (৩৪), বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন নম্বর-১০৭৭০৭। তিনি সামিয়ার আপন দুলাভাই (বড় বোনের স্বামী)। অভিযুক্ত বর্তমানে মণিরামপুর থানাধীন মনোয়ারা ক্লিনিকে চাকরি করেন এবং মণিরামপুর উপজেলার মোহনপুর গ্রামের উত্তরপাড়ায় (বারিক মাস্টারের বাড়ি) বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে সামিয়ার বড় বোন গর্ভবতী হলে তাকে দেখাশোনার জন্য সামিয়াকে যশোরে দুলাভাইয়ের বাসায় নিয়ে আসা হয়। সেখানে থাকাকালীন অভিযুক্ত বিভিন্নভাবে আপত্তিকর কথাবার্তা, কুপ্রস্তাব ও খাতায় অশ্লীল লেখা শুরু করেন। পরবর্তীতে শার্শা, যশোর সদর হাসপাতালে ট্রেনিং এবং মণিরামপুরে চাকরির সুবাদে বিভিন্ন স্থানে বাসা বদল হয়। এসব সময়ে অভিযুক্ত একা পেলে সামিয়ার শরীরে স্পর্শ করার চেষ্টা করতেন এবং বাধা দিলে জোরজবরদস্তি করতেন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ২ জানুয়ারি ২০২৫ থেকে ৩০ মার্চ ২০২৫ পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে মণিরামপুরের মোহনপুর গ্রামের ভাড়া বাসার শয়নকক্ষে অভিযুক্ত সামিয়াকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এ সময় তিনি সামিয়ার অশ্লীল ছবি মোবাইলে ধারণ করেন। পরবর্তীতে ওই ছবি ব্যবহার করে ব্ল্যাকমেইল করে শারীরিক সম্পর্কের জন্য চাপ দিয়ে আসছেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
ভুক্তভোগী জানান, দুলাভাই হওয়ায় এবং পরিবার ও সম্মানের ভয়ে তিনি এতদিন কাউকে কিছু জানাননি। সম্প্রতি তার অন্য বড় বোনের সঙ্গে আলোচনা করে মানসিক অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে মণিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জের কাছে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানানো হয়েছে। থানা সূত্র জানায়, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews