শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যশোরে ডিবির অভিযানে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ২ জন আটক নজরুলবর্ষ ও ৩৬ জুলাই উদযাপন বিএসপির ২৬১তম সাহিত্যসভা অনুষ্ঠিত মনিরামপুরে সমস্যাগ্রস্ত মানুষের পাশে ‘আলোছায়া’, দেওয়া হলো আর্থিক সহায়তা যশোরের যৌনপল্লীতে নারীকে মারধরের অভিযোগ, হাসপাতালে ভর্তি চাচাদের জালে ৭ গোল, দুই রাজহাঁস নিয়ে ফিরলেন ভাইপোরা নড়াইলের কালিয়ায় পুলিশের অভিযানে ডাকাত আরোজ আলী শেখ গ্রেপ্তার বৃষ্টিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কে সাগরিকা পরিবহনের বাস খাদে, আহত ২৫ যশোরে ১ কোটি ১০ লাখ টাকার স্বর্ণসহ এক পাচারকারী আটক শ্যামনগরে ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সমাবেশ ও গণমিছিল অনুষ্ঠিত হাজারো নেতাকর্মীর ঢলে মুখর ভাঙ্গা, জুলাই শহিদদের স্মরণে বিএনপির বিশাল র‍্যালি ও জনসমাবেশ

যশোর বোর্ডের পরীক্ষা শাখায় কর্মকর্তা-কর্মচারীর অবাধ প্রবেশ বন্ধ হলো

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১ জুন, ২০২৫
  • ২৪৬ বার পড়া হয়েছে
যশোর অফিস : যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা শাখার কক্ষগুলো ডিজিটাল সিস্টেমের আওতায় আনা হয়েছে। এতে করে শাখার কক্ষে বোর্ড চেয়ারম্যান, সচিব ,পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও যারা সেখানে কাজ করেন, তারা ছাড়া অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রবেশ করতে পারবেন না। এর আগে এসব কক্ষে অফিসের যেকোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী অবাধে আসা যাওয়া করতে পারতেন।
বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী কামাল হোসেন জানান, অফিসের দোতলার উত্তর পাশের পাঁচটি কক্ষে পরীক্ষা সংক্রান্ত কাজ করা হয়। কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে ওএমআর শিট (নম্বরপত্র) স্ক্যান ও প্রশ্নপত্র রাখা। সেখান থেকে ওএমআর শিট স্ক্যান করে ফলাফল প্রকাশ করা হয়। সেই সাথে প্রশ্নপত্র প্যাকেট কেন্দ্রে পাঠানো হয়। কক্ষগুলোতে যদি চলাচলে বিধি নিষেধ না থাকে, তাহলে পরীক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে গোপনীয়তা বাইরে প্রকাশ পাবে। তখন বোর্ড কর্তৃপক্ষ পড়বে বিপদে।
এ কারণে পরীক্ষা শাখার পাঁচটি পাঁচটি কক্ষ ডিজিটাল সিস্টেমের কন্ট্রোলের আওতায় আনা হয়েছে। কক্ষগুলোর সামনে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। লাগানো হয়েছে একসেপ্ট কন্ট্রোল দরজা। দরজার ফিঙ্গার প্রিন্টের মেশিনে যাদের ফিঙ্গার প্রিন্টের ডাটাবেজ সেভ থাকবে। তারা কক্ষগুলোয় প্রবেশ করতে পারবেন। এর মধ্যে রয়েছে বোর্ড চেয়ারম্যান, সচিব, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও সেখানে কাজে নিয়োজিত কর্মচারী।
এর বাইরে উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, উপসচিব, সহকারী সচিবসহ অন্য কোনও কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রবেশ করতে পারবেন না। আর যারা পরীক্ষা শাখায় পরীক্ষা সংক্রান্ত গোপনীয় কাজের সাথে জড়িত আছে, তাদের মোবাইল ফোন ব্যবহার পুরোপুরিভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মোবাইল ফোন ব্যবহার করলে প্রশ্নপত্র বাইরে ফাঁস হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
এ ব্যাপারে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. আব্দুল মতিন বলেন, পরীক্ষা শাখার কক্ষগুলোয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা জরুরি। সেখানে গুরুত্বপূর্ণ গোপনীয় কাজ করা হয়। যে কাজ বাইরে প্রকাশ পেলে বড় সমস্যা হবে। কর্মকর্তা-কর্মচারী অবাধে চলাচল করাও ঠিক নয়। এ কারণে পরীক্ষা শাখার পাঁচটি কক্ষ ডিজিটাল সিস্টেমের কন্ট্রোলের আওতায় আনা হয়েছে। কোন কর্মচারী কখন কক্ষে প্রবেশ করছেন, আবার বাইরে যাচ্ছেন- সেটাও জানা যাবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews