
নিজেস্ব প্রতিবেদক: যশোরের কেশবপুর থানাধীন মাগুরখালী গ্রামের চাঞ্চল্যকর জোড়া হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত ২ জনকে গ্রেফতার ও হত্যায় ব্যবহৃত আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।
গত ৩১ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে কেশবপুর থানাধীন ব্রাহ্মণডাঙ্গা গ্রামের প্রভাত বিশ্বাসের ধানী জমিতে সেচ মেশিনের পানি পড়ার স্থানে অজ্ঞাত ২ জনের অর্ধগলিত লাশ পাওয়া যায়। স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের পরিচয় শনাক্ত করে। পরে নিহতদের মেয়ে সাবিনা খাতুন বাদী হয়ে থানায় এজাহার দায়ের করেন।
মামলার তদন্তে কেশবপুর থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম গোয়েন্দা নজরদারি ও প্রমাণের ভিত্তিতে ২ নভেম্বর হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত জেসমিন বেগম (৩৮) কে গ্রেফতার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মোস্তফা কামাল (৪৫) কে আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, জেসমিন বেগম অভয়নগর থানার আকিজ জুট মিলে কাজ করেন। নিহত মাজেদা তার সাথে একই মিলে কাজ করতেন। গত ৩০ অক্টোবর শুক্রবার মিল বন্ধ থাকায় সকালে বাড়ির কাজ শেষ করে জেসমিন বস্তা ও কাঁচি নিয়ে মাজেদার সাথে মাঠে ঘাস কাটতে যান। মাঠে মোস্তফা কামাল কপির চারা রোপণ করছিলেন। তার সাথে জেসমিনের সম্পর্ক ছিল। অনৈতিক কাজ দেখে ফেলায় মাজেদা ও তার স্বামী আলেক নুর ইসলামকে কলমি শাক তোলার কথা বলে ঘেরের পাশে নিয়ে যায় তারা এবং সেখানে হত্যাকাণ্ড ঘটায়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের সোমবার (৩ নভেম্বর) বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন:১. জেসমিন বেগম (৩৮), স্বামী- নুর ইসলাম সরদার, পিতা- খোদার আলী সরদার।
২. মোস্তফা কামাল (৪৫), পিতা- মৃত কেসমত সরদার। উভয়ের বাড়ি মাগুরখালী (সরদার পাড়া), থানা- কেশবপুর, জেলা- যশোর।
পুলিশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কাঁচি উদ্ধার করেছে।