
নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর: মাদক ও স্বর্ণ চোরাচালানসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের তিন নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি।
আজ ৪ মে ২০২৬ তারিখে যুবদলের দপ্তর থেকে ইস্যু করা এক নোটিশে তাদের বিরুদ্ধে কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
অ্যাডভোকেট ওয়াসিকুর রহমান কল্লোল সভাপতি, মাগুরা জেলা যুবদল। আনসারুল হক রানা সদস্য সচিব, যশোর জেলা যুবদল। শহীদুল ইসলাম শহীদ যুগ্ম আহ্বায়ক, শার্শা উপজেলা যুবদল, যশোর।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্ত নেতারা জেলা ও উপজেলায় গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্বে থাকার পরও মাদক ও স্বর্ণ চোরাচালানসহ নানা গর্হিত অপরাধে জড়িয়ে পড়েছেন বলে গত কয়েকদিন ধরে জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হচ্ছে।
যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটি বলছে, বেআইনি, অনৈতিক ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপের ঘোর বিরোধী এবং আদর্শিক রাজনীতিতে বিশ্বাসী সংগঠন হিসেবে দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে এমন সংবাদ দলটির জন্য দুঃখজনক ও বিব্রতকর। সংগঠনের নাম ব্যবহার করে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বেআইনি কর্মকাণ্ড চালানোর সুযোগ যুবদলে নেই।
আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্ত তিন নেতাকে যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এমপি’র সম্মুখে উপস্থিত হয়ে কারণ দর্শাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।
নোটিশটি যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত।
সীমান্তবর্তী যশোর ও মাগুরা জেলায় সাম্প্রতিক সময়ে মাদক ও স্বর্ণ চোরাচালান নিয়ে একাধিক প্রতিবেদন গণমাধ্যমে এসেছে। এরই মধ্যে যুবদলের শীর্ষ নেতৃত্বের এই কঠোর অবস্থান দলের ভেতরে শৃঙ্খলা ফেরানোর বার্তা হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
অভিযুক্ত নেতাদের বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।