বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০২:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শার্শা উপজেলা ও বেনাপোল পৌর যুবদলের উদ্যোগে অপপ্রচার ও শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে বর্ণাঢ্য প্রতিবাদ মিছিল ও পথসভা মণিরামপুরে যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল এএসআই নিয়োগে স্বচ্ছতা ও মেধার ওপর জোর, গোপালগঞ্জে পুলিশের ব্রিফিং উপশাখা ভিত্তিক ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর ফাইনাল অনুষ্ঠিত, চ্যাম্পিয়ন পাঁজিয়া উপশাখা ‎৪৯ বিজিবির অভিযানে ৭ লক্ষ টাকার গাঁজা ও অবৈধ মালামালসহ আটক-২ পাওনা টাকা চাওয়ায় ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে জখম, হাসপাতালে ভর্তি বেনাপোল ইমিগ্রেশনে ল্যাগেজ বাণিজ্যে: নেপথ্যে কামাল-সাদ্দাম সিন্ডিকেট যশোরে যুবককে মারধর ও বিদ্যুৎস্পৃষ্টের ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মিছিল থেকে দুইজন আটক ভামিয়া বনবিবিতলা গ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে শ্যামনগরে মানববন্ধন

যশোর সদরের ঘুরুলিয়ায় ইমনের ভেজাল সার কারখানা সিলগালা ৬০ হাজার টাকা জরিমানা

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৮০ বার পড়া হয়েছে

যশোর সদর উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের তালবাড়িয়ায় ভেজাল দস্তা সার কারখানায় সোমবার বিকেলে অভিযান পরিচালনা করে কারখানা মালিক সামাউল ইসলাম ইমনকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন যশোর সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত ইয়াসমিন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার রাজিয়া সুলতানা, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার হুমায়ন কবির, জাহিদুর রহমান, স্থানীয় ইউপি সদস্য, কৃষি কর্মকর্তাগণ, এলাকাবাসী ও সাংবাদিকরা। মোবাইল কোর্টে প্রসিকিউশন দেন কৃষি অফিসার রাজিয়া সুলতানা।

কারখানাটি সিলগালা করে সকল মালামাল স্থানীয় মহিলা ইউপি সদস্যের জিম্মায় রাখা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সামাউল ইসলাম ইমন দীর্ঘদিন ধরে তালবাড়িয়া দক্ষিণপাড়ায় ভেজাল মোবিল ও দস্তা সার উৎপাদন করে আসছেন। সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে এসব কারখানার কারণে পরিবেশ ও কৃষির ক্ষতির খবর প্রকাশিত হলে কৃষি বিভাগ এ অভিযান চালায়। ইমন তার বাড়ির অদূরে সড়কের পাশে মোবিল কারখানা গড়ে তুলেছিলেন। এ কারণে ধোঁয়া ও দুর্গন্ধে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে পড়েন। অনেকের শ্বাসকষ্ট, চোখ জ্বালা ও অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকিও দেখা দিয়েছে।

এছাড়া কারখানার বর্জ্য ফেলার কারণে পাশের পুকুর দূষিত হয়ে মাছ মারা যাচ্ছে এবং পানি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, ভয়ভীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে তারা প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে সাহস পান না।

তারা আরও জানান, ইমন নিয়মিত কারখানার অবস্থান পরিবর্তন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ফাঁকি দেন। তালবাড়িয়া, ঘুরুলিয়া ও জোত হাশিমপুর এলাকায় রয়েছে তার একাধিক গোপন কারখানা। ২০১৯ সালে র‌্যাব ও কৃষি কর্মকর্তারা অভিযান চালিয়ে এক লাখ টাকা জরিমানা করলেও অল্পদিনের মধ্যেই তিনি নতুন জায়গায় উৎপাদন শুরু করেন।

কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, নিম্নমানের এসব সার মাটি ও ফসলের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হলেও বিভিন্ন জেলায় তা সরবরাহ করা হচ্ছে। রাজনৈতিক প্রভাব ও অর্থবলকে কাজে লাগিয়ে ইমন বছরের পর বছর ধরে এ অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। গত বছরের আগস্টে অভিযানের পর কিছুদিন গা-ঢাকা দিলেও বর্তমানে আবার পুরো দমে কারখানা চালাচ্ছেন তিনি।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews