বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শার্শা উপজেলা ও বেনাপোল পৌর যুবদলের উদ্যোগে অপপ্রচার ও শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে বর্ণাঢ্য প্রতিবাদ মিছিল ও পথসভা মণিরামপুরে যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল এএসআই নিয়োগে স্বচ্ছতা ও মেধার ওপর জোর, গোপালগঞ্জে পুলিশের ব্রিফিং উপশাখা ভিত্তিক ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর ফাইনাল অনুষ্ঠিত, চ্যাম্পিয়ন পাঁজিয়া উপশাখা ‎৪৯ বিজিবির অভিযানে ৭ লক্ষ টাকার গাঁজা ও অবৈধ মালামালসহ আটক-২ পাওনা টাকা চাওয়ায় ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে জখম, হাসপাতালে ভর্তি বেনাপোল ইমিগ্রেশনে ল্যাগেজ বাণিজ্যে: নেপথ্যে কামাল-সাদ্দাম সিন্ডিকেট যশোরে যুবককে মারধর ও বিদ্যুৎস্পৃষ্টের ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মিছিল থেকে দুইজন আটক ভামিয়া বনবিবিতলা গ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে শ্যামনগরে মানববন্ধন

ডুমুরিয়ারচুকনগর ও খর্ণিয়া বাজারের ডিপো-বরফ ফ্যাক্টরিতে অভিযান-জরিমানা!

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ২১০ বার পড়া হয়েছে

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা : ডুমুরিয়া উপজেলায় বৃহস্পতিবার বিকেলে”মৎস্য ও মৎস্য পণ্য (পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৮৩” অনুযায়ী লাইসেন্সবিহীন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পরিচালিত বরফ ফ্যাক্টরি ও মাছের ডিপোগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়েছে। সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

লাইসেন্স না থাকা এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বরফ ফ্যাক্টরি ও ডিপো পরিচালনার অভিযোগে চুকনগর বাজারের সামাদ শেখ আইস ফ্যাক্টরিকে ২০০০ টাকা, চুকনগর আইস ফ্যাক্টরিকে ২০০০ টাকা, মেসার্স মায়ের দোয়া ফিস কে ১০০০ টাকা এবং খর্ণিয়া বাজারের মেসার্স নুপুর ফিসকে ১০০০ টাকা ও মেসার্স রায়হান ফিসকে ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। তবে এসব ডিপোতে কোন পুশকৃত চিংড়ি পাওয়া যায়নি।

অভিযান পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য দপ্তরের টেকনিক্যাল অফিসার প্রণব কুমার দাশ ও আশিকুর রহমান, ক্ষেত্র সহকারী কে এম মহসিন আলম এবং অফিস সহকারী মোঃ সাইফুল্লাহ।

খুলনা বিভাগের সম্মানিত ডাইরেক্টর জনাব মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ও জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জনাব মোঃ বদরুজ্জামান মহোদয়ের নির্দেশে পরিচালিত এই অভিযানে ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

এ বিষয়ে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান জানান, “ এসব প্রতিষ্ঠানগুলোকে লাইসেন্স করার জন্য বারবার তাগেদা দেয়া হয়েছে । কিন্তু তারা লাইসেন্স না করে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিল। এছাড়া, জনস্বাস্থ্য রক্ষা, নিরাপদ মৎস্য বিপণন নিশ্চিতকরণ এবং ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণের লক্ষ্যে এই ধরনের অভিযান চলমান থাকবে। মৎস্য আইনের যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে আমরা সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব এবং মানসম্মত ডিপো ও বরফ কল পরিচালনায় মালিকদের উৎসাহিত করছি।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews