বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাফল্যের ধারাবাহিকতায় উজ্জ্বল ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজ যশোর মণিরামপুর ফাজিল মাদ্রাসার নতুন ভবনে অসংখ্য ফাটল,ঝুকিপূর্ণ ঘোষণা! নিখোঁজের তিন দিন পর কপোতাক্ষ নদে মিলল ভ্যানচালক একলাসের মরদেহ যশোরে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২৬ অনুষ্ঠিত বিপিএম-সেবা পদক পাওয়ায় গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপারকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ওসির খুলনা মহানগরীর ডেঙ্গু সংক্রমণের দিক থেকে সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ এলাকা– কেসিসি প্রশাসক মঞ্জু কেশবপুরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মাসিক সভা অনুষ্ঠিত প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বিজিবি কোটচাঁদপুরে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকার সড়ক সংস্কারে পুকুরচুরি: এলজিইডি কর্মকর্তাদের রহস্যজনক নীরাবতা।

কলেজ ছাত্রীর বিরুদ্ধে কাবিন বানিজ্যে : সালিশ বৈঠকে তোলপাড়

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬
  • ১৬৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর: যশোরের চৌগাছা উপজেলার দুলালপুর গ্রামে কাবিননামা ও যৌতুক সংক্রান্ত প্রতারণার অভিযোগ ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। অভিযুক্ত আনিসা খাতুন দুলালপুর গ্রামের আব্বাস আলীর মেয়ে এবং যশোর এম এম কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্রী বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগী পেটভরা গ্রামের আ. মাজিদের ছেলে মেহেদী হাসান ও তার পরিবারের অভিযোগ, গত ২৪/০৩/২০২৬ তারিখে ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক আনিসার সাথে মেহেদীর বিয়ে হয়। বিয়ের সময় কাবিন ৪ লাখ টাকা নির্ধারণসহ হাতের বালা, কানের দুল, গলার চেইন দাবি করা হয়। মেহেদীর পরিবার দাবি করছে, এতে রাজি হয়ে তারা প্রায় ১২ লাখ ৪ হাজার টাকার সোনা-গহনা, শাড়ি, কসমেটিকসহ যৌতুক দেন।

মেহেদী হাসানের লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, বিয়ের দুই সপ্তাহ পর আনিসা পরীক্ষার কথা বলে তার দেওয়া স্বর্ণালংকার ও নগদ ১ লাখ টাকা নিয়ে বাপের বাড়ি চলে যান। পরে তাকে আনতে গেলে তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় মেহেদী হাসান গত ২৫ মে চৌগাছা থানায় এবং ১২ মে বাংলাদেশ ন্যাশনাল প্রেস সোসাইটি এনপিএস বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে তিনি জানান।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ১৩ জুন শনিবার সকাল ১টার দিকে চৌগাছা থানায় একটি সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মেয়ারাজ উপস্থিত ছিলেন। সালিশে আনিসা কাবিন বাবদ ৪ লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার আছে বলে জানান বলে অভিযোগে উল্লেখ আছে। তবে আনিসার বাবা আব্বাস উদ্দীন ও মা শাহানাজ পারভিন দাবি করেন, তাদের মেয়ে মেহেদীকে ডিভোর্স দিয়েছে এবং তার সাথে সংসার করবে না।

সালিশ বৈঠকে মেহেদীর পিতা আ. মাজিদ, মামা আয়ুব হোসেন, আনিসার চাচা মোদাচ্ছের হোসেন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সামসুর রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

ভুক্তভোগী পক্ষের দাবি, এর আগেও ১২/০৪/২০২৪ তারিখে পটুয়াখালীতে রাসেল নামের এক যুবকের সাথে একই কায়দায় বিয়ে করে আনিসা কাবিন ও স্বর্ণালংকার নিয়েছেন। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল প্রেস সোসাইটির একটি টিম দুলালপুরে গিয়ে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করেছে বলে জানা গেছে।

অভিযুক্ত আনিসা ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তাদের মেয়ে ডিভোর্স দিয়েছে এবং সংসার করবে না। এ বিষয়ে আনিসার বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

চৌগাছা থানার ওসি জানান, মেহেদী হাসানের লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews