বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাফল্যের ধারাবাহিকতায় উজ্জ্বল ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজ যশোর মণিরামপুর ফাজিল মাদ্রাসার নতুন ভবনে অসংখ্য ফাটল,ঝুকিপূর্ণ ঘোষণা! নিখোঁজের তিন দিন পর কপোতাক্ষ নদে মিলল ভ্যানচালক একলাসের মরদেহ যশোরে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২৬ অনুষ্ঠিত বিপিএম-সেবা পদক পাওয়ায় গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপারকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ওসির খুলনা মহানগরীর ডেঙ্গু সংক্রমণের দিক থেকে সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ এলাকা– কেসিসি প্রশাসক মঞ্জু কেশবপুরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মাসিক সভা অনুষ্ঠিত প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বিজিবি কোটচাঁদপুরে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকার সড়ক সংস্কারে পুকুরচুরি: এলজিইডি কর্মকর্তাদের রহস্যজনক নীরাবতা।

দাকোপে চার ধাপে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মিলিত বিশেষ অভিযান পরিচালিত

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৩৮৩ বার পড়া হয়েছে

শেখ মাহতাব হোসেন: খুলনার দাকোপ উপজেলায় জাটকাসহ অন্যান্য মাছ ও চিংড়ির প্রাকৃতিক বৃদ্ধি ও প্রজনন রক্ষায় চার ধাপে ব্যাপক বিশেষ কম্বিং অপারেশন পরিচালনা করেছে মৎস্য অধিদপ্তর। সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসারের কার্যালয়, দাকোপ, খুলনা এবং উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দুই মাসব্যাপী এই অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযান চলাকালে দাকোপ উপজেলার পশুর, শিবসা, ভদ্রা, ঢাকি, চনকুড়ি ও ঝপঝপিয়া নদীসহ বিভিন্ন নদ-নদী, খাল ও বিল এলাকায় অবৈধ জালের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। চার ধাপে পরিচালিত অভিযানের সময়সূচি ছিল—১ম ধাপ: ০১–০৭ জানুয়ারি ২০২৬- ২য় ধাপ: ১৬–২৩ জানুয়ারি ২০২৬ -৩য় ধাপ: ৩১ জানুয়ারি–০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-৪র্থ ধাপ: ১৬–২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এই সময়ে মোট ১১টি মোবাইল কোর্ট ও ৩০টি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নদী ও খাল থেকে উদ্ধার করা হয় প্রায় ৬.০৯ লক্ষ মিটার কারেন্ট জাল, ৫৮টি বেহুন্দি জাল, বিপুল পরিমাণ চরপাটা জাল, চরঘেরা জাল, মশারি জাল ও অন্যান্য অবৈধ জাল (প্রায় ১৪৩ টি)। জব্দকৃত এসব জাল তাৎক্ষণিকভাবে আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।
এছাড়া জেলেদের নিকট থেকে অবৈধভাবে আটককৃত প্রায় ৭০ কেজি বাগদা ও পারশে রেণু জব্দ করে পুনরায় নদীতে অবমুক্ত করা হয়, যাতে প্রাকৃতিক মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও ভবিষ্যৎ উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।
অভিযানে উপজেলা প্রশাসন, নৌ পুলিশ, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনী বিশেষ সহায়তা প্রদান করেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অবৈধ কারেন্ট জাল ও অন্যান্য ক্ষতিকর জাল ব্যবহারের ফলে মাছের ডিম ও পোনা ব্যাপকভাবে ধ্বংস হয়, যা দীর্ঘমেয়াদে মৎস্য সম্পদের জন্য হুমকি। এই ধারাবাহিক অভিযানের মাধ্যমে নদ-নদীর প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা, মাছের প্রজনন বৃদ্ধি এবং জেলেদের টেকসই জীবিকা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অবৈধ জাল ব্যবহারের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews