
ইমরান হোসেন, কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুরের পশ্চিমাঞ্চলের ব্যস্ততম সড়ক হিসেবে পরিচিত কেশবপুর-ত্রিমোহিনী সড়কটি সংস্কারের অভাবে কার্পেটিং উঠে গিয়ে খানাখন্দে পরিণত হয়েছে। সড়কটির বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় শত শত খানাখন্দ সৃষ্টি হয়ে লাখো মানুষের জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। এ অবস্থায় ওই সড়ক দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পথচারীরা ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। এলাকাবাসী সড়কটি দ্রুত সংস্কারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
জানা গেছে, কেশবপুর উপজেলার অধিকাংশ মানুষ বিভিন্ন এলাকায় তাদের জরুরি কাজ মেটাতে কেশবপুর-ত্রিমোহিনী সড়কটি যাতায়াতের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন। প্রাচীনকাল থেকেই যশোর জেলার শার্শা ও ঝিকরগাছা উপজেলা, সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ছাড়াও কেশবপুর উপজেলার বাজিতপুর, সরফাবাদ, মির্জাপুর, মজিদপুর, মঙ্গলকোট, ভোগতী, দোরমুটিয়া, শ্রীরামপুর, চালতেবাড়িয়া, বায়সা, কড়িয়াখালি, বেগমপুর, সাতবাড়িয়া, মূলগ্রাম, হাবাসপোল, মির্জানগর ও বরণডালি গ্রামসহ প্রায় শতাধিক গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ছোট-বড় যানবাহনে করে নিত্যদিনের প্রয়োজন মেটাতে এ সড়ক দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করে থাকেন।
মানুষের চলাচলের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হলেও সংস্কারের অভাবে এ সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে শত শত ছোট-বড় গর্ত। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে যেনতেনভাবে সংস্কার করায় স্বল্প সময়ের মধ্যেই ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে বর্তমানে জনগুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
জনদুর্ভোগের কারণে সম্প্রতি পশ্চিমাঞ্চলের লক্ষাধিক মানুষের কাছে এই সড়কটি ‘অভিশাপ’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এ পথে চলাচলকারী ভুক্তভোগীরা সড়কটি দ্রুত সংস্কারের মাধ্যমে চলাচলের উপযোগী করে তুলতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
কেশবপুর সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাস্টার শফিকুল ইসলাম বলেন, সড়কের কার্পেটিং দ্রুত উঠে গিয়ে খানাখন্দ সৃষ্টি হওয়ায় এটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তিনি দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানান।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। খুব দ্রুত সড়কটির সংস্কারকাজ শুরু হবে।