
বিশেষ প্রতিবেদক : যশোরের প্রবীণ চিকিৎসক ও ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) যশোর জেলা শাখার সাবেক সভাপতি ডা. মো. মোজাম্মেল হোসেন এবং বৈশাখী টেলিভিশনের যশোর জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মনিরুজ্জামানের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে হাসপাতালে গেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) প্রতিমন্ত্রী যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসাধীন দুজনের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি ডা. মোজাম্মেল হোসেনের শয্যাপাশে কিছু সময় অবস্থান করে চিকিৎসার সার্বিক বিষয়ে খোঁজ নেন এবং তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।
ডা. মো. মোজাম্মেল হোসেন (৭৯) যশোর জেলা বিএনপির সাবেক স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ও ড্যাব যশোর জেলা শাখার সাবেক সভাপতি। তিনি বর্তমানে হাসপাতালের আইসিইউ ইউনিটের এইচডিইউতে চিকিৎসাধীন। তিনি রক্তে সংক্রমণ, কিডনিসহ বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন।
ডা. মোজাম্মেল হোসেনের ছেলে ও যশোর মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. এহতেশামুল হক পরাগ জানান, গত ২০ সেপ্টেম্বর শহরের কাজীপাড়ার নিজ বাসভবনে অসুস্থ হয়ে পড়েন তার বাবা। ওইদিন সকাল পৌনে ৯টার দিকে তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এরপর প্রতিমন্ত্রী হাসপাতালের আরেকটি ইউনিটে চিকিৎসাধীন বৈশাখী টেলিভিশনের যশোর জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মনিরুজ্জামান মনিরেরও খোঁজ নেন। তিনি তার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে চিকিৎসক ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। এ সময় প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিক মনিরুজ্জামানকে আশ্বস্ত করে বলেন, ‘কোনো চিন্তা করার দরকার নেই, সব ঠিক হয়ে যাবে।’
উল্লেখ্য, গত ২৩ সেপ্টেম্বর যশোর জেনারেল হাসপাতালে সাংবাদিক মনিরুজ্জামানের বাম কানে অস্ত্রোপচার করা হয়। প্রায় দুই বছর আগে কানে আঘাত পাওয়ার পর থেকে তিনি ব্যথা,রক্ত ও পুঁজ পড়া এবং কম শোনার সমস্যায় ভুগছিলেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকেরা কানে রক্ত জমে সংক্রমণের কথা জানান। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে তার অস্ত্রোপচার করা হয়।
হাসপাতালে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে এ সময় যশোর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খান খোকন,নগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান মাসুমসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।