বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাফল্যের ধারাবাহিকতায় উজ্জ্বল ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজ যশোর মণিরামপুর ফাজিল মাদ্রাসার নতুন ভবনে অসংখ্য ফাটল,ঝুকিপূর্ণ ঘোষণা! নিখোঁজের তিন দিন পর কপোতাক্ষ নদে মিলল ভ্যানচালক একলাসের মরদেহ যশোরে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২৬ অনুষ্ঠিত বিপিএম-সেবা পদক পাওয়ায় গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপারকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ওসির খুলনা মহানগরীর ডেঙ্গু সংক্রমণের দিক থেকে সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ এলাকা– কেসিসি প্রশাসক মঞ্জু কেশবপুরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মাসিক সভা অনুষ্ঠিত প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বিজিবি কোটচাঁদপুরে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকার সড়ক সংস্কারে পুকুরচুরি: এলজিইডি কর্মকর্তাদের রহস্যজনক নীরাবতা।

বন্যাদুর্গত কাউকে একা ছেড়ে দেবে না সরকার: বান্দরবানে ত্রাণ বিতরণে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬
  • ১৬৭ বার পড়া হয়েছে

শহিদ জয়:চট্টগ্রাম ও পার্বত্য অঞ্চলের বন্যাদুর্গত মানুষের উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমের সমন্বয়ক এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত কোনো মানুষকে সরকার একা ছেড়ে দেবে না। পাহাড়ি, বাঙালি কিংবা অন্য যে কোনো সম্প্রদায়ের মানুষ—সকলেই এই দুর্যোগে সমানভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। তাই কোনো ভেদাভেদ নয়, সবার দুর্ভোগ লাঘবে সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে।

বুধবার সকালে বান্দরবান পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বালাঘাটা আমবাগান এলাকায় মারমা, তঞ্চঙ্গ্যা, ত্রিপুরা ও বড়ুয়া জাতিগোষ্ঠীসহ পাহাড়ে বসবাসরত বাঙালিদের মাঝে ত্রাণ বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় তিনি দুর্গত মানুষের খোঁজখবর নিতে বান্দরবানে এসেছেন। বন্যার প্রথম দিন থেকেই স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলো উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানকারীদের রান্না করা খাবার এবং বাইরে থাকা ক্ষতিগ্রস্তদের শুকনো খাবার সরবরাহের পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে মেডিকেল টিমও কাজ করছে।
ত্রাণ বিতরণকালে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের দুর্ভোগ ও বিভিন্ন সমস্যার কথা প্রতিমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। জবাবে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এক সপ্তাহের মধ্যে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রমের অগ্রগতি দেখতে তিনি আবারও এলাকা পরিদর্শনে আসবেন বলেও জানান।
তিনি আরও বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারের ঘরবাড়ি সরকারের উদ্যোগে পর্যায়ক্রমে মেরামত করা হবে, যাতে মানুষ দ্রুত নিজ বাড়িতে ফিরে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, পানি নেমে যাওয়ার পর বিভিন্ন এলাকায় কাদা, আবর্জনা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন, পৌরসভা, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হবে, যাতে রোগব্যাধির ঝুঁকি কমে এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো দ্রুত বসবাসের উপযোগী হয়ে ওঠে।
ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান-৩০০ আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মাধবী মার্মা, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, বান্দরবানের জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস, পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ শাহীন হোসাইন চৌধুরীসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews