সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০১:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আজ প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন বিসিক-জেলা প্রশাসনের মেলায় সেরা ‘সানন্দা বুটিক শুক্রবারে পাঞ্জাবি গায়ে “গুচ্ছগ্রামে” মণিরামপুর নির্বাহী কর্মকর্তা! শ্যামনগরে বসত ভিটা অবৈধ দখলের পাঁয়তারা যবিপ্রবির প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান মায়ের মুক্তির দাবিতে ইউএনও কার্যালয়ে আট বছরের জেরিন জন সাধারণের খাবার পানির পুকুর দখলকারী হাত থেকে রক্ষা পেতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন যশোরে মাছ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে সাড়ে ৭ লাখ টাকা ও স্বর্ণের চেইন ছিনতাইয়ের অভিযোগ ভাঙ্গায় রণক্ষেত্র: দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৬০, আহত ১০ পুলিশ সদস্য ওজোপাডিকো কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ১২ দফা দাবিতে ঝিনাইদহে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

শুক্রবারে পাঞ্জাবি গায়ে “গুচ্ছগ্রামে” মণিরামপুর নির্বাহী কর্মকর্তা!

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে

এস এম তাজাম্মুল,নিজস্ব প্রতিবেদক;মণিরামপুরঃ পবিত্র জুমার নামাজের পর দুপুরের খাওয়া দাওয়া শেষে যখন সবাই যার যার মতো বিশ্রাম ঠিক তখনই পরনে সাদা ট্রাউজার শরীরে পাঞ্জাবি পরিহিত অবস্থায় সাথে একজন সহকারিকে নিয়ে সরকারি বরাদ্দের আশ্রায়ন প্রকল্পের গুচ্ছ গ্রামের বাসিন্দাদের খবরা খবর নিতে স্ব শরীরে হাজির একজন নির্বাহী কর্মকর্তা। হঠাৎ তার এ আগমনে কোন ব্যাক্তিই বুঝতে পারেনি তিনি মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সম্রাট হোসেন।
‎একেবারে সাদামাটা পোশাকে অন্য দশ জনের মতো একজন নির্বাহী কর্মকর্তা ভূমিহীন মানুষের খবরা খবর নিতে যাওয়াতে স্থানীয় বাসিন্দারা সবাই অবাক হয়েছে। কেউই বুঝতে পারেনি তিনি একজন নির্বাহী কর্মকর্তা। দূর হতে দেখে নাম পরিচয় না দিলেও একজন বিসিএস ক্যাডারের আগমন বা পরিদর্শনে গেলে প্রশাসনিক প্রোটকল আাচার-আচরন দেখলে স্বাভাবিক ভাবে সাধারণ মানুষ বুঝতে পার। কিন্তু গত শুক্রবার বিকালে মণিরামপুর উপজেলার স্বরুপদাহ-বেগমপুর আশ্রায়ন প্রকল্পের খোজ নিতে যাওয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সম্রাট হোসেন’কে নিজের ঘরের সামনে পেয়েও প্রাথমিক পর্যায়ে চিনতে পারিনি সেখানকার কোনো বাসিন্দা। পায়ে হেটে একে একে প্রতিটি পরিবারের খোঁজ নেওয়ার সময়ে পরিচয় দিলে স্থানীয়রা অবাক হয়ে যায়। শুধু তাই নই ফেরার পথে আবেগে-আপ্লুত হয়ে স্থানীয় এক বাসিন্দা নির্বাহী কর্মকর্তার হাত ধরে তার ছেলের মুসলমানি উপলক্ষে চলমান খাওয়া দাওয়ার আমন্ত্রণ জানালে তিনিও ঐ বাড়িতে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করলেও সময় স্বল্পতার কারনে তা সম্ভব হয়নি বলে চলতি তথ্য নিশ্চিত করেছেন সে সময় নির্বাহীর একমাত্র সফর সঙ্গী অনুপম সরকার।
‎তথ্য মোতাবেক,বেগমপুর-স্বরূপদাহের আশ্রায়ন প্রকল্পের ঘরের তদারকি ও স্থানীয় এক বাসিন্দার অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে (শুক্রবার) ২৬শে জুন বিকালে যান মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সম্রাট হোসেন।
‎স্থানীয় বাসিন্দা মতিয়ার রহমানের ছেলের করা অভিযোগে যে একজন নির্বাহী কর্মকর্তা স্ব শরীরে তার ঘরের সামনে দাড়িয়ে তাদের ডেকে কথা বলেবে এটাই আশ্চর্যের ব্যাপার বলে ঐ বাসিন্দা জানান। নিজের অভিব্যাক্তি প্রকাশে নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সম্রাট হোসেন জানান,একটি অভিযোগের ভিত্তিতে ভুক্তভোগীকে ওয়াদা করেছিলাম তার জন্যই যাওয়া এবং সাধারণ মানুষের কাছে যেয়ে সেবা করাটা খুবই জরুরী। অনেক সময় মিথ্যা অভিযোগ অনেকেই করে,তাছাড়া সাধারণ মানুষের ভোগান্তি লাঘবে স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকায় সরকার আমাকে নিয়োগ করেছে,সেই প্রচেষ্টায় আছি।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews