
বিশেষ প্রতিনিধি: দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস চেকপোস্টে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের লাগেজ বাণিজ্যের রমরমা শুল্ক ফাঁকির রাজত্ব গড়ে উঠেছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, স্থানীয় একটি সিন্ডিকেট চক্রের সাথে হাতমিলিয়ে ভারত থেকে আসা পাসপোর্টধারী যাত্রীর মাধ্যমে ট্রলি বোঝায় শাড়ি, থ্রিপিস, কসমেটিক্স গ্রীন সিগনালে বের হচ্ছে । কাস্টমসের দ্বায়িত্বরত রাজস্ব কর্মকর্তা কামাল ও সাদ্দামের গ্রীন সিগনালে ল্যাগেজপ্রতি ৬ থেকে ১০ হাজার টাকা রফদফায় বেরিয়ে যাচ্ছে প্রতিদিন কোটি টাকার পণ্য চালান। ফলে আমদানিকারকরা উচ্চ শুল্ক যুক্ত পণ্য আমদানি না করে ইমিগ্রেশন দিয়ে অনায়াসে প্রবেশ করাচ্ছে এসব পণ্য ।
স্থানীয়রা জানান, বেনাপোল ইমিগ্রেশনে অসাধু কর্মকর্তার এ সিন্ডিকেটের কারণে একদিকে সরকার প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে, অন্যদিকে সাধারণ ও প্রকৃত যাত্রীরা কাস্টমস ও ইমিগ্রেশনে এসে চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন। সাধারণ যাত্রীদের ব্যাগ নিখুঁতভাবে তল্লাশি করা হলেও, এই সিন্ডিকেটের মালামাল কোনো প্রকার ঝামেলা ছাড়াই পার হয়ে যাচ্ছে।
ইমিগ্রেশন সূত্র থেকে জানা যায়, বাংলাদেশি শতাধিক বিজনেস ভিসাধারী এই ল্যাগেজ সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত, তাদের পাসপোর্ট হিস্টরি দেখলে চোঁখ কপালে উঠবে ১ থেকে ২ দিন পর পর যাওয়া আসা করে। একই সাথে ভারতীয় বিজনেস ভিসাধারীদের দিয়ে নিয়মিত ল্যাগেজবাহী ট্রলি ও ব্যাগ প্রবেশ করায় এই সিন্ডিকেট। যা কাস্টমস ও ইমিগ্রেশনের আগমন ও বহির্গমন চেক করলে মিলে যাবে।
আমদানিকারক ব্যবসায়ীরা জানান, অবিলম্বে এই “কামাল-সাদ্দাম সিন্ডিকেট”-এর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা এবং বেনাপোল চেকপোস্টে নজরদারি বাড়ানোর জন্য কাস্টমস কমিশনারের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে ইমিগ্রেশনে দায়িত্বরত রাজস্ব কর্মকর্তা কামাল হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও সংযোগ মেলেনি।