বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাফল্যের ধারাবাহিকতায় উজ্জ্বল ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজ যশোর মণিরামপুর ফাজিল মাদ্রাসার নতুন ভবনে অসংখ্য ফাটল,ঝুকিপূর্ণ ঘোষণা! নিখোঁজের তিন দিন পর কপোতাক্ষ নদে মিলল ভ্যানচালক একলাসের মরদেহ যশোরে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২৬ অনুষ্ঠিত বিপিএম-সেবা পদক পাওয়ায় গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপারকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ওসির খুলনা মহানগরীর ডেঙ্গু সংক্রমণের দিক থেকে সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ এলাকা– কেসিসি প্রশাসক মঞ্জু কেশবপুরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মাসিক সভা অনুষ্ঠিত প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বিজিবি কোটচাঁদপুরে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকার সড়ক সংস্কারে পুকুরচুরি: এলজিইডি কর্মকর্তাদের রহস্যজনক নীরাবতা।

চট্টগ্রামের আলোচিত শিশুধর্ষণ মামলায় আসামি মনিরের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬
  • ১২৯ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম, ১৮ জুন, ২০২৬ : চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া এলাকায় চার বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামি মনির হোসেনকে (৩০) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

আজ চট্টগ্রাম মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফসা ঝুমা এ রায় ঘোষণা করেন। বিচার শুরু হওয়ার মাত্র আট কার্যদিবসের মধ্যে এবং মামলা দায়েরের ২৬ দিনের মাথায় রায় ঘোষণায় করা হয়।
গত ২১ মে নগরের বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় চার বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ঘটনার দিনই অভিযুক্ত মনির হোসেনকে আটক করে পুলিশ। পরে পুলিশের কাছ থেকে তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে বিক্ষুব্ধ জনতার সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

২২ মে ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বাদী হয়ে বাকলিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। একই দিনে আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পাশাপাশি ভুক্তভোগী শিশুর জবানবন্দিও রেকর্ড করা হয়।

তদন্তকারী সংস্থা মাত্র পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে ডিএনএ প্রতিবেদনসহ তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করে গত ৪ জুন আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে।

পরে ৯ জুন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসামির উপস্থিতিতে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু করেন। ১০ জুন থেকে শুরু করে মাত্র তিন কার্যদিবসে বাদী, ভুক্তভোগী, চিকিৎসক ও তদন্ত কর্মকর্তাসহ ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন হয়। ১৬ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হলে আদালত ১৭ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। অভিযোগ গঠনের মাত্র ১০ দিনের মাথায় মামলার রায় ঘোষণা করা হয়।

রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মাহমুদ-উল আলম চৌধুরী মারুফ বলেন, বিচার শুরু হওয়ার আট কার্যদিবসের মধ্যে শিশুধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণা হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews