শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যশোরস্থ সাতক্ষীরা কল্যাণ সমিতির নির্বাহী সদস্য মোজাফফার হোসেনকে বিদায় সংবর্ধনা যবিপ্রবিতে নানা আয়োজনে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপিত শ্যামনগরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত যশোর হামিদপুর আল-হেরা কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত ছয় বছরের পথচলায় মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত রাতদিন নিউজ, বর্ণাঢ্য আয়োজনে অর্ধযুগ পূর্তি উৎসব জনগণকে মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে হবে, অতিরিক্ত টাকা নেওয়া যাবে না: প্রতিমন্ত্রী অমিত নড়াইলের লোহাগড়ায় ছেলের হাতে বাবা খুন এস এফ ট্রাভেলসের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কোটি টাকার হজ্ব প্রতারণার অভিযোগ, থানায় অভিযোগ দায়ের ১৬ বছর পর চট্টগ্রামে ধরা পড়ল খুলনার হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি যশোর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে সাড়ে ৩ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

শিশু রামিসা হত্যার দায়ে সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬
  • ১৯১ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা, ৭ জুন, ২০২৬ : রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে (৮) নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

আজ (রোববার) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। অর্থদণ্ডের টাকা রামিসার পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। টাকা দিতে না পারলে আসামি সোহেল ও স্বপ্নার স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে তা দেওয়ার নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

রায় ঘোষণার আগে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

এর আগে গত ৪ জুন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে নিজের কক্ষে নিয়ে যায়।

সেদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে পাঠানোর জন্য খোঁজাখুজি শুরু করেন তার মা। একপর্যায়ে আসামিদের কক্ষের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তিনি।

ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া না পেয়ে রামিসার বাবা-মা ও ভবনের অন্যান্য বাসিন্দারা দরজা ভেঙে আসামির বাসার ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে তারা শিশুটির খণ্ডিত মরদেহ দেখতে পান।
এরপর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়।

এ ঘটনায় গত ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আসামি করা হয়।

গত ২০ মে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা (৩০) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদের আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়। একই দিন আদালত স্বপ্না আক্তারকেও (২৬) কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

তদন্ত শেষে ২৪ মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালতে তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। একই দিনে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন চার্জশিট আমলে নেন।

গত ১ জুন বিচারক মাসরুর সালেকীন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলায় চার্জশিটভুক্ত ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জন ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews