বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাফল্যের ধারাবাহিকতায় উজ্জ্বল ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজ যশোর মণিরামপুর ফাজিল মাদ্রাসার নতুন ভবনে অসংখ্য ফাটল,ঝুকিপূর্ণ ঘোষণা! নিখোঁজের তিন দিন পর কপোতাক্ষ নদে মিলল ভ্যানচালক একলাসের মরদেহ যশোরে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২৬ অনুষ্ঠিত বিপিএম-সেবা পদক পাওয়ায় গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপারকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ওসির খুলনা মহানগরীর ডেঙ্গু সংক্রমণের দিক থেকে সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ এলাকা– কেসিসি প্রশাসক মঞ্জু কেশবপুরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মাসিক সভা অনুষ্ঠিত প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বিজিবি কোটচাঁদপুরে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকার সড়ক সংস্কারে পুকুরচুরি: এলজিইডি কর্মকর্তাদের রহস্যজনক নীরাবতা।

‘কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য বিভিন্ন ভাষায় উপস্থাপন করতে হবে’

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬
  • ২১৪ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর: বিশ্ব সাহিত্যে বিরাট একটি অংশ দখল করে আছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। সাহিত্যে বিভিন্ন ভাষার শব্দের সুনিপুণ ব্যবহার বিশ্বে একমাত্র নজরুল ইসলাম করতে পেরেছেন। কবি নজরুল ইসলামকে খণ্ডিতভাবে ব্যবহারের প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, নজরুলকে কেউ কেউ ইসলাম ধর্মের কবি, হিন্দু ধর্মের কবি, নারী জাগরণের কবি, বিদ্রোহী কবি, জাতিসত্তার কবি, প্রেমের কবি, গানের কবি ইত্যাদি হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছেন। যা মোটেও সমুচিত হচ্ছে না। সমগ্র নজরুল ইসলামকে উপস্থাপন করতে হবে। তার সাহিত্যকে উপস্থাপন করতে হবে। নতুবা তার প্রতি অবিচার করা হবে। সাহিত্যের অবিচার করা হবে।
বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদ (বিএসপি) সোমবার (২৪ মে) রাত ৯টায় জুম প্লাটফর্মে আয়োজিত কবি নজরুলের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নজরুল ইসলাম জীবনী শীর্ষক আলোচনাসভায় আলোচক হিসেবে বক্তব্যে এসব কথা বলেন বাংলাদেশের ময়মনসিংহের ত্রিশালে অবস্থিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ড. শেখ মেহেদী হাসান। জাককানবি’র ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কবি ড. শেখ মেহেদী হাসান আরো বলেন, নজরুল ইসলাম বিশ্ব সাহিত্যে বিরাট এক সম্পদ। বাংলা সাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ। এই সম্পদকে কাজে লাগাতে হবে। ব্যবহার করতে হবে। তবেই এ সমাজের মুক্তি মিলবে। দায় মিলবে।
অনুষ্ঠানের আলোচক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষক মীম মিজান বলেন, নজরুল ইসলাম বৈচিত্র জীবনের অধিকারী ছিলেন। যেটা সবাই জানেন। কিন্তু এ বৈচিত্র জীবনে কবিতায় প্রতিবাদী হওয়ার গল্পটাও বেশ বৈচিত্রময়। তার কাব্যভাবনায় একদিনে প্রতিবাদ বা বিদ্রোহ আসেনি। সমাজের অবহেলিত মানুষের জন্য মনটা একদিনেই তিনি প্রতিবাদী হয়ে ওঠেননি।
অনুষ্ঠানের আলোচক আসনসোলের কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ড. রাজেশ কর পশ্চিমবঙ্গের রানীগঞ্জ থেকে বিদ্রোহী সত্তা জাগ্রত হয়েছে বলে বিভিন্ন তথ্যাদি উপস্থাপন করে বলেন, নজরুল ইসলাম ত্রিশাল থেকে রানীগঞ্জ স্কুলে অষ্টম শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছিলেন। এখান থেকে তার বিদ্রোহী সত্তা জাগ্রত হয়েছে বলে বিভিন্ন গবেষক উল্লেখ করেছেন। এখানে দুই বছর অবস্থানকালে তিনি কবিতা লিখতে শুরু করেন। সেটার শুরুই ছিল প্রতিবাদী।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি কোলকাতার ছায়ানটের সভাপতি, নজরুল গবেষক ও নজরুল সঙ্গীত শিল্পী সোমঋতা মল্লিক কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলা ভাষার সৌভাগ্যের প্রতীক উল্লেখ করে বলেন, নজরুলের প্রতিভা নিয়ে বেশি বেশি গবেষণা করা প্রয়োজন। তার সাহিত্যকে যতবেশি ছড়িয়ে দেওয়া যাবে, যত বেশি অনুবাদ করা যাবে ততই তার সম্পর্কে বিশ্ববাসী জানতে পারবেন। বাঙালি কবি হিসেবে নয়, বিশ্বের কবি হিসেবে তার প্রতিভার উন্মোচনের দাবি রাখে। সরকারি এবং বেসরকারি উভয়ভাবে এ কাজটা করা খুবই জরুরি।
বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদের সভাপতি কবি আহমদ রাজুর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মুন্না’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, কবি অরুণ বমর্শন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল ও পশ্চিমবঙ্গের কবিরা অংশ গ্রহণ করেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews