রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কেশবপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত ফরিদপুরের ভাঙ্গায় প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ভাঙ্গায় আলোচনা সভা, ঐক্য ও গণতন্ত্র রক্ষার আহ্বান মণিরামপুরে অপসাংবাদিকতার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও লিফলেট বিতরণ যশোরস্থ সাতক্ষীরা কল্যাণ সমিতির নির্বাহী সদস্য মোজাফফার হোসেনকে বিদায় সংবর্ধনা যবিপ্রবিতে নানা আয়োজনে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপিত শ্যামনগরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত যশোর হামিদপুর আল-হেরা কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত ছয় বছরের পথচলায় মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত রাতদিন নিউজ, বর্ণাঢ্য আয়োজনে অর্ধযুগ পূর্তি উৎসব জনগণকে মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে হবে, অতিরিক্ত টাকা নেওয়া যাবে না: প্রতিমন্ত্রী অমিত

দাকোপে চার ধাপে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মিলিত বিশেষ অভিযান পরিচালিত

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৪২১ বার পড়া হয়েছে

শেখ মাহতাব হোসেন: খুলনার দাকোপ উপজেলায় জাটকাসহ অন্যান্য মাছ ও চিংড়ির প্রাকৃতিক বৃদ্ধি ও প্রজনন রক্ষায় চার ধাপে ব্যাপক বিশেষ কম্বিং অপারেশন পরিচালনা করেছে মৎস্য অধিদপ্তর। সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসারের কার্যালয়, দাকোপ, খুলনা এবং উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দুই মাসব্যাপী এই অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযান চলাকালে দাকোপ উপজেলার পশুর, শিবসা, ভদ্রা, ঢাকি, চনকুড়ি ও ঝপঝপিয়া নদীসহ বিভিন্ন নদ-নদী, খাল ও বিল এলাকায় অবৈধ জালের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। চার ধাপে পরিচালিত অভিযানের সময়সূচি ছিল—১ম ধাপ: ০১–০৭ জানুয়ারি ২০২৬- ২য় ধাপ: ১৬–২৩ জানুয়ারি ২০২৬ -৩য় ধাপ: ৩১ জানুয়ারি–০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-৪র্থ ধাপ: ১৬–২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এই সময়ে মোট ১১টি মোবাইল কোর্ট ও ৩০টি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নদী ও খাল থেকে উদ্ধার করা হয় প্রায় ৬.০৯ লক্ষ মিটার কারেন্ট জাল, ৫৮টি বেহুন্দি জাল, বিপুল পরিমাণ চরপাটা জাল, চরঘেরা জাল, মশারি জাল ও অন্যান্য অবৈধ জাল (প্রায় ১৪৩ টি)। জব্দকৃত এসব জাল তাৎক্ষণিকভাবে আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।
এছাড়া জেলেদের নিকট থেকে অবৈধভাবে আটককৃত প্রায় ৭০ কেজি বাগদা ও পারশে রেণু জব্দ করে পুনরায় নদীতে অবমুক্ত করা হয়, যাতে প্রাকৃতিক মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও ভবিষ্যৎ উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।
অভিযানে উপজেলা প্রশাসন, নৌ পুলিশ, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনী বিশেষ সহায়তা প্রদান করেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অবৈধ কারেন্ট জাল ও অন্যান্য ক্ষতিকর জাল ব্যবহারের ফলে মাছের ডিম ও পোনা ব্যাপকভাবে ধ্বংস হয়, যা দীর্ঘমেয়াদে মৎস্য সম্পদের জন্য হুমকি। এই ধারাবাহিক অভিযানের মাধ্যমে নদ-নদীর প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা, মাছের প্রজনন বৃদ্ধি এবং জেলেদের টেকসই জীবিকা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অবৈধ জাল ব্যবহারের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews