1. live@www.jashorebulletin.com : যশোর বুলেটিন : যশোর বুলেটিন
  2. info@www.jashorebulletin.com : যশোর বুলেটিন :
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৪:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঈদের ছুটিতে যশোরে চুরির শঙ্কা,পুলিশের জরুরি সতর্কতা জারি ডুমুরিয়ায় ‌সাংবাদিক সহ কুইজ প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিতরণ যশোরে শ্যালিকার ধর্ষণ মামলা, সাংবাদিকদের দুষছেন চিকিৎসক দুলাভাই শার্শায় খায়রুজ্জামান মধু’র উদ্যোগে ১ হাজার পরিবারের মাঝে একটি করে গাছ ও ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরন ডুমুরিয়া ফাউন্ডেশনের সৌজন্য ইফতার মাহফিল এতিম শিশুদের নতুন পোষাক ও দুস্থদের মাঝে খাদ্য উপহার দিলো শিশু তাহমিদ ফাউন্ডেশন যশোরে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে শ্যালিকাকে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ যশোরে কচুয়ায় “ঘোপ যুব সমাজের “উদ্দোগে ৫০০ মানুষদের মাঝে ইফতার বিতরন যশোর জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত প্রশাসককে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন মসজিদের ফ্যান চালানো নিয়ে সংঘর্ষ, কেশবপুরে আহত ৮

ভারতে গরুর মাংস ২২৪ পাকিস্তানের ২৩০ বাংলাদেশে ৮০০ টাকা হ‌ওয়ার কারণ কি

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট, ২০২৫
  • ৩০৩ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি :মোঃ ফজলুল কবির গামা গন্জের খবর ( আন্তর্জাতিক) কলকাতায় এক কেজি গরুর গোশতের দাম ১৭৫ রুপি যা বাংলাদেশী টাকায় ২২৪ টাকা। তার ৩০০ কিলোমিটার দূরে ঢাকায় সেই গরুর গোশত বিক্রি হয় ৮০০ টাকা কেজিতে এমনকি মাত্র ১২৭ কি: মি: দূরেও সেই গোশতের কেজি ৬০০ টাকা।

পাকিস্তানে গরুর গোস্ত পাওয়া যায় ৬০০ রুপিতে যা কিনা বাংলাদেশী ২৩০ টাকার সমান। প্রতিবেশী রাষ্ট্র নেপালে প্রতি কেজি গরুর মাংসের দাম ০.৭৬ ইউএস ডলার মানে ৮০ টাকা, ভুটানে ১৬০ নুল বা ২০৭ টাকা, মিয়ানমারে ৫.৬৬ ইউএস ডলার বা ৫৬৭ টাকা।

মোটামুটি দেখা যায় দক্ষিণ এশিয়ার সমস্ত প্রতিবেশী রাষ্ট্রের মধ্যে বাংলাদেশে গরুর গোস্তের দাম সবচেয়ে বেশি।

এখন তো আপনারা বলবেন, এই দেশ মুসলমানদের দেশ, গরুর গোশত খায় বেশি, তাই দামও বেশি।

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি গরুর গোশত খাওয়ার তালিকায় ভারতের অবস্থান ৫ম, ২০২২ সালে সেখানে গরুর গোশত খাওয়া হয়েছে ২৯ লক্ষ মেট্রিক টন।

এই তালিকায় পাকিস্তান আছে ৮ম অবস্থানে ২০২০ এ ওরা ১৭.৫ লক্ষ মেট্রিক টন গরুর গোশত খেয়েছে।

অদ্ভুত, ব্যাপার হচ্ছে এই দেশের মানুষের গরু গোশত খাওয়ার তেমন কোন রেকর্ড খুঁজে পেলাম না কোথাও।
সিন্ডিকেটের কবলে পড়ে নিরবে কাঁদছে আমার প্রিয় মাতৃভূমি সোনার বাংলাদেশ।

বাংলাদেশে খাবারযোগ্য মাংশের
চাহিদা ৭৬ লাখ টন
উৎপাদন ৯২ লাখ টন
উদ্বৃত্ত ১৬ লাখ টন (উৎপাদনের ১৮% )

রপ্তানী প্রায় শুন্য।

অর্থাৎ উদ্বৃত্ত ১৬ লক্ষ টন অপ্রয়োজনীয় ভোগ বিনামূল্যে বা পচে নষ্ট হওয়া।
এখানেই COST বাড়ে ১৮%।
অর্থাৎ ১৬ লাখ টন রপ্তানী / বিক্রয় হলে কেজি প্রতি মাংসের দাম হত ৬৪০ টাকা / কেজি।

আমদানি করে মাংস বিক্রি করলে ভোক্তা পাবে ৫০০ টাকা / কেজির চেয়ে কমে।

আমদানি করলে খামারিরা মারা পড়বে। কারন পশু খাদ্যের দাম বেশি।

অর্থাৎ খামারী ২৫ লাখ (ধরে নেয়া) আর পশু খাদ্যের ব্যাবসায়ী ৫০০০ হাজার মোট ২৫ লাখ ৫ হাজার অপ্রতিযোগীতামূলক মনোভাবের আর আলসে জনকে বাচিয়ে রাখতে, প্রায় ২০ কোটি বাংলাদেশিকে ৫০০ টাকার মাংস ৮০০ টাকায় কিনে খেতে হবে।

প্রতি কেজিতে অতিরিক্ত ৩০০ টাকা হিসেবে ৭৬ লক্ষ টন ( 300 x7600000 x 1000= 2,280,000,000,000) টাকা অর্থাৎ দুই লক্ষ আটাইশ হাজর (২২৮০০০) কোটি টাকা / প্রায় 20 বিলিয়ন ডলার ভর্তুকি দিতে হবে বাংলাদেশের মানুষকে যা সরাসরি ঢুকে যাবে ঐ ২৫ লক্ষ খামারি আর ব্যাবসায়ির পকেটে। যা এক এক জনের ভাগে রেগুলার মুনাফার অতিরিক্ত প্রায় ৯১২,০০০ টাকা প্রতি বছর এ।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট