বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শার্শায় নিখোঁজ যুবক ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে দূর্বাডাঙ্গায় পুলিশের কঠোর বার্তা গোপালগঞ্জে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা, ২৪ ঘণ্টা সাইবার নজরদারি খুলনাবাসী একটি বিপদের মধ্য দিয়ে দিনাতিপাত করছেন — মজ্ঞু বাঁকড়া বাজারে যানজট, সড়কের অর্ধেক দখলে থাকে যানবাহন কেশবপুরের পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ইকবাল পুলিশের হাতে আটক। আবারও বিজ্ঞান-প্রযুক্তিতে দেশসেরা যবিপ্রবি বেনাপোল স্থলবন্দর আকস্মিক পরিদর্শনে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী অবৈধ ড্রেজার উচ্ছেদ ও কারাদণ্ড: নগরকান্দায় কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসনঃ যশোরে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়িতে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ

কেশবপুরে প্রকাশ্যেই ঘুষ নিচ্ছেন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা, ভিডিও ভাইরাল

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬
  • ১০৮ বার পড়া হয়েছে

আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ,কেশবপুর : কেশবপুরের সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (তহসিলদার) মো. নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ভূমি-সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা দিতে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের মধ্যে নগদ অর্থ গ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের একটি কক্ষে টেবিলের পাশে দাড়িয়ে থাকা এক সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে মো. নজরুল ইসলাম নগদ অর্থ গ্রহণ করছেন। পরে তিনি সেই টাকা গুনে নিজের পকেটে রাখেন।
ভূমি অফিসে কাজ করেন বলে পরিচয় দেওয়া এক ব্যক্তি দাবি করেন, কাগজপত্র ঠিক থাকলে নামজারি (খারিজ) করতে ৬ হাজার টাকা নেওয়া হয়। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের সেবার ক্ষেত্রে ২০০ টাকা থেকে শুরু করে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের সেবাগ্রহীতা মো. শফিকুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, একটি দলিলের খারিজের জন্য তার কাছে ৬ হাজার টাকা চাওয়া হয়। পরে দুটি দলিলের জন্য ৯ হাজার টাকা দাবি করা হলে, কোনো উপায় না পেয়ে তিনি ওই অর্থ দিতে বাধ্য হন।
শরিফুল রকি নামে এক ভুক্তভোগী বলেন, নজরুল নায়েব দত্তনগর আশ্রয় কেন্দ্রের ঘর ২০ হাজার করে টাকা নিয়ে বরাদ্ধ দিয়েছে। তার বিরুদ্ধে তদন্ত করলে অনেক তথ্য বের হবে।
ইস্রাফিল হোসেন নামে এক ভুক্তভোগী বলেন, ১ হাজার টাকা খাজনা দিয়েছিলাম নায়েব রশিদ দিলো ২শ২০ টাকার।
এছাড়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সেবাগ্রহীতা অভিযোগ করেন, ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে ঘুষের লেনদেন চলে আসছে। নির্ধারিত টাকার বাইরে অর্থ না দিলে অনেক সময় ফাইল আটকে রাখা হয় বলেও তাদের অভিযোগ।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (তহসিলদার) মো. নজরুল ইসলাম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানিয়েছেন, অনেক আগের ছবি,তখন হাতে দাখিলা কেটে চালানের মাধ্যমে ব্যাংকে টাকা জমা দিতে হতো।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি) কাজী মেশকাতুল ইসলাম বলেন, “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি আমরা প্রাথমিকভাবে তদন্ত করছি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য নিয়ে ঘটনার সত্যতা যাচাই করা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews